আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

ঝুঁকিপূর্ণ গাছের ডাল অপসারণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান কবিরঞ্জন দাস

মোঃ নুর উদ্দিন মন্ডল দুলাল নেত্রকোনা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার ডোরিয়াকোনা গ্রামের বাসিন্দা কবিরঞ্জন দাস ও তার পরিবার প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। সরকারি রাস্তার পাশে অবস্থিত কয়েকটি পুরোনো গাছের দুর্বল ডাল তাদের মাথার ওপর যেন এক আতঙ্কের ছায়া হয়ে রয়েছে। একটু ঝড়-বৃষ্টি হলেই ভয়ে কেঁপে ওঠেন তারা—কখন না জানি গাছের ভারী ডাল ভেঙে ঘরের ওপর পড়ে, ঘটিয়ে দেয় ভয়াবহ দুর্ঘটনা!

এমন শঙ্কার মধ্যেই দিন কাটছে এই পরিবারের। তাই, জননিরাপত্তা ও নিজের পরিবারের সুরক্ষার কথা ভেবে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন কবিরঞ্জন দাস। এ বিষয়ে তিনি গত ১৯ মার্চ কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাইযুল ওয়াসীমা নাহাতের কাছে লিখিত আবেদন জমা দেন।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনে জানা যায়,কলমাকান্দা–দুর্গাপুর এলজিইডির পাকা সড়কের পাশে বেশ কয়েকটি পুরোনো গাছ দাঁড়িয়ে রয়েছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে অযত্নে পড়ে থাকায় এসব গাছের ডালপালা দুর্বল হয়ে গেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক ঝড়-বৃষ্টিতে বেশ কয়েকটি ডাল ভেঙে পড়েছে, যা মারাত্মক দুর্ঘটনার কারণ হতে পারত।

ভুক্তভোগী কবিরঞ্জন দাস জানান, “আমার ঘরের ঠিক পাশেই ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলো রয়েছে। গত কয়েকদিনের ঝড়ে বড় একটি ডাল ভেঙে পড়ে প্রায় দুর্ঘটনা ঘটতে বসেছিল। তাই, আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছি যেন দ্রুত এই ঝুঁকিপূর্ণ ডাল অপসারণ করা হয়।”

এ বিষয়ে কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাইযুল ওয়াসীমা নাহাত বলেন, “আবেদনটি পাওয়ার পর আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) দুপুরে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মো. মমিনুল ইসলামের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমরা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি এবং আবেদনকারীর দাবি সত্যতা পাওয়া গেছে। বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে যাতে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।”

এলাকার সাধারণ মানুষের দাবি, শুধু কবিরঞ্জন দাসের বাড়ির পাশেই নয়, সড়কের আশপাশে থাকা সব ঝুঁকিপূর্ণ গাছ চিহ্নিত করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হোক। তাদের মতে, সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

এখন অপেক্ষা দ্রুত প্রশাসনিক উদ্যোগের, যাতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটার আগেই সমস্যা সমাধান হয় এবং কবিরঞ্জন দাস ও তার পরিবার স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ