আজঃ বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন বোনাসসহ বকেয়া পাওনা পরিশোধ করুন।

স ম জিয়াউর রহমান

চট্টগ্রাম লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়নের শ্রমিক সমাবেশ ও মিছিলে বক্তারা--

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গেজেট অনুযায়ী সকল জাহাজী শ্রমিকদের ঈদের আগে বকেয়া বেতন বোনাস সহ সকল পাওনা পরিশোধ কর। নৌ-প্রশাসন ও নৌ- পুলিশ কর্তৃক নৌ-শ্রমিকদের উপর জুলম, নির্যাতন, হয়রানি, মিথ্যা মামলা ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে অদ্য ২৯ মার্চ ২০২৫ ইং শনিবার সকাল ১০টায়।চট্টগ্রাম লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক
মোঃ আজগর হোসেন তালুকদারের সভাপতিত্বে।

নির্বাহী সদস্য রেজাউল করিম সেলিমের সঞ্চালনায় এক শ্রমিক সমাবেশ নগরীর সদরঘাট জেটির মোড় অনুষ্ঠিত হয়।সমাবেশের পূর্বে একটি শ্রমিক মিছিল সদরঘাট থানার সামনে হতে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সদরঘাট জেটির মোড় এসে শেষ হয়। উক্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম জেলা নৌ-যান শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন, চট্রগ্রাম লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়ন , বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ইউনিয়ন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সভাপতি এম. নুরুল হুদা চৌধুরী বলেন, বাজেটে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে।

শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২৩ হাজার টাকা করার দাবি জানাচ্ছি এবং ঈদের আগে অর্থাৎ আগামীকালে মধ্যে মালিকদেরকে শ্রমিকদের বেতন বোনাস সহ বকেয়া পাওনা বুঝিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টি করে একটি চক্র সরকারের বদনাম সৃষ্টির পায়তারা চালাচ্ছে।

তাদের প্রতি হুশিয়ার থাকতে হবে। নৌ-প্রশাসন ও নৌ- পুলিশের অযাচিত হয়রানি, মিথ্যা মামলা এবং কাগজপত্রের অজুহাত তুলে চাঁদার দাবি রোধ এবং জলদস্যুতা দমন করতে হবে। কর্ণফুলী দূষণ ও দখলমুক্ত সহ দেশের অন্যান্য নদী-খালগুলোর অবৈধ দখলদারকে উচ্ছেদ করতে হবে।

এ-সময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশন, বিভাগীয় কমিটির, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান মাস্টার, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আবু তাহের মাষ্টার।

বাংলাদেশ নৌ-যান শ্রমিক ইউনিয়ন চট্টগ্রাম জেলা শাখার কার্যকরী সভাপতি নুরুল আলম মাষ্টার, সহ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মাষ্টার সন্দ্বীপি, সাধারণ সম্পাদক মো আলাউদ্দিন মাঝি, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক নুর ইসলাম মহাজন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো জাফর সুকানি, প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ রিয়াজ ড্রাইভার, মো: তৌসির আহমেদ সুকানি, জামাল সুকানি, সবুজ মিয়া, পতেঙ্গা থানা জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি,
মোঃ হাছান বাদশা, সহ সভাপতি বাসু দেব, সাংগঠনিক সম্পাদক মো আবু তাহের।

চট্টগ্রাম লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়নের, প্রচার সম্পাদক,
আল মাছরুল গাজী বাচ্চু।নির্বাহী সদস্য মোবাশ্বের মাষ্টার, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য যথাক্রমে শহীদুল ড্রাইভার, শাকিল সুখানী, পারভেজ সুকানি, মমতাজ গ্রীজার, হেলাল লস্কর, মহসিন হোসেন মাস্টার, সাগর লস্কর, হানিফ লস্কর, সোহান লস্কর, হাসান লস্কর, জসিম লস্কর, খলিল সিকদার, সেলিম সুকানি, শরিফুল বাবুচি প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব থেকে দুই সদস্য আজীবন বহিস্কার ও অবাঞ্চিত ঘোষণা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব থেকে দুই সদস্যকে আজীবন বহিষ্কার ও অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটি ও উপদেষ্টা কমিটির অনুষ্ঠিত ৮ম সভায় জানানো হয়, বহিষ্কৃত সদস্য শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব থেকে বিতাড়িত ও মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির নাম ব্যবহার করে বর্তমান নির্বাচিক ব্যবস্থাপনা কমিটি ও ক্লাবের সিনিয়র সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করায় আজীবন বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

একই সঙ্গে প্রেস ক্লাবের শৃংঙ্খলা বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকা এবং প্রেস ক্লাবের নাম ব্যবহার করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান থেকে নানাবিধ সুবিধা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে বহিস্কৃত সদস্য মনজুর কাদের মনজুর বিরুদ্ধে। আর বিগত সময়ে তার বিরুদ্ধে বেশকিছু স্কুলে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভর্তি বাণিজ্যের অভিযোগও রয়েছে। এসব অপকর্মের কারণে প্রেস ক্লাবের ঐহিত্য ও সুনাম নষ্ট করায় প্রেসক্লাব থেকে বহিষ্কৃত মনজুর কাদের মনজুকেও আজীবন বহিষ্কার করা হয়। এবং বহিষ্কৃত এই দুই সদস্যকে প্রেস ক্লাব ও প্রেস ক্লাবের আশপাশের এলাকায় অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়।

এছাড়া চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নাম ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন পেজ ও গ্রুপ খুলে সাংবাদিকদের সম্মানহানিকর তৎপরতার বিরুদ্ধে সভা থেকে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়। এবং যারা এ ধরনের তৎপরতার সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণেরও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় ব্যবস্থাপনার কমিটির নেতৃবৃন্দরা জানান, বহিষ্কৃত এই দুইজনের সাথে কোন ধরনের যোগাযোগ বা লেনদেন না করার জন্য চট্টগ্রামের সর্বস্তরের ব্যবসায়ীদের প্রতি বিনীতি অনুরোধ জানানো হয়।

প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, প্রেস ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে) এর সভাপতি মো. শাহনওয়াজ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, সিএমইউজের সাধারণ সম্পাদক ও কার্যকরী সদস্য সালেহ নোমান, যুগ্ম সম্পাদক মিয়া মো. আরিফ, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রূপম চক্রবর্তী, ক্রীড়া সম্পাদক মো. রুবেল খান, গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও অ্যাপায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, কার্যকরী সদস্য রফিকুল ইসলাম সেলিম ও সাইফুল ইসলাম শিল্পী এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ।

খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৪টি পদের সব কটিতে জয়ী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৪টি পদের সব কটিতে জয়ী হয়েছে বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম মনোনীত প্যানেল। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মোল্লা মোহাম্মদ মাসুম রশিদ, সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মোল্লা মশিউর রহমান নান্নু।
রোববার (২৯ মার্চ) রাতে ভোট গণনা শেষে এই ফল ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল আজিজ। এদিন সকাল ৮টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

শেখ আব্দুল আজিজ জানান, নির্বাচনে ১ হাজার ২০২ জন ভোটারের মধ্যে ১ হাজার ৫৬ জন ভোট দিয়েছেন।নির্বাচিত অন্য সদস্যরা হলেন— সহসভাপতি মহসিন চৌধুরী (৪২০) ও মোশারফ হোসেন (৪০৫), যুগ্ম সম্পাদক এম এম তৌহিদুজ্জামান (৪৬০), লাইব্রেরি সম্পাদক জয়দেব কুমার সরকার (৪৮৫), সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নুরুন নাহার নাজমুন নেছা জেবা (৪৯৮)।কার্যনির্বাহী পরিষদের বিজয়ী সাত সদস্য হলেন— শেখ সোহান ইসলাম (৬০২), শাজাহান ঠাকুর (৫৭৬), নারায়ণ কুমার মন্ডল (৫২১), আ ফ ম মুস্তাকুজ্জামান মুক্তা (৫১১), শাকিরা ফেরদৌস রিমি (৪৯২), মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান (৪৬৯) ও স্বর্ণালী দাস (৪৪৭)।

আলোচিত খবর

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ