আজঃ শনিবার ২ মে, ২০২৬

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করতে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাসিন্দারা। রোববার বেলা পৌনে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন আন্দোলনকারীরা। স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. কামরুজ্জামান। মানববন্ধনে তারা সড়কটি প্রশস্ত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু না করলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন।

বক্তারা বলেন, প্রতিবার ঈদ-কোরবানি ও বিভিন্ন উপলক্ষ্য আসে। কিন্তু কক্সবাজার সড়কে মৃত্যুর মিছিল কোনোভাবেই থামছে না। এই ঈদে একটু স্বস্তির আশায় পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদ আনন্দ উপভোগের বদলে সড়কে মৃত্যুর মিছিল কেবল কক্সবাজার নয়, সারাদেশের মানুষকে কাঁদিয়েছে। কক্সবাজার আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র। এই সড়কে হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই সড়কে কোনোভাবেই মৃত্যুর মিছিল থামছে না। আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাই, এই সড়ক দ্রুত ৬ লেনে উন্নীত করে মৃত্যুর মিছিল থামান।

গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক ইমন মোহাম্মদ বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কটি আমরা ছয় লেনের চাই। যে ছয় লেনের মধ্যে মাঝখানে একটি ডিভাইডার থাকবে। দুপাশে তিন লেন করে থাকবে। বিশেষ করে লবণের গাড়িগুলোর যে পরিবহন, এই লবণ তপ্ত রোদে গলে যায়। যার ফলে দ্রুত গাড়ি চালিয়ে চালকরা যেতে চেষ্টা করে এবং এতে দুর্ঘটনা ঘটে। আবার ওই গাড়িগুলো থেকে লবণের পানি পড়ে রাস্তা পিচ্ছিল হয়। এজন্যও দুর্ঘটনা হয়।

তিনি বলেন, রাস্তাটিও এতটা সরু যে, দুটি বাস পাশাপাশি গেলে মোটরসাইকেল বা অন্য কোনো গাড়ি যাওয়ার সুযোগ থাকে না। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে দুর্ঘটনা ঘটার আরেকটি কারণ হলো, অবৈধ অটোরিকশা মহাসড়কে চলে। এ সড়ক ৬ লেনে উন্নীত হলে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে কক্সবাজারের গুরুত্ব আরও বাড়বে এবং দুর্ঘটনা অনেকাংশে হ্রাস পাবে। পর্যটকরা তখন সেখানে যেতে আরও উৎসাহিত হবে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষক মাহমুদুর রহমান সাঈদী বলেন, আমরা আজ প্রাণের দাবি নিয়ে এসেছি। আমাদের দক্ষিণ চট্টগ্রামের সড়কটি ঢাকা শহরের ফুটপাতের চেয়েও খারাপ। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার জাতীয় মহাসড়ক-১ হয়েও এটির প্রশস্ততা গড়ে ১৮ ফিট। দুটো গাড়ি স্বাভাবিকভাবে যেতে পারে না। যার ফলে এখানে মৃত্যুটা যেন নিশ্চিত বিষয়। দক্ষিণ চট্টগ্রামের গুরুত্ব অনুসারে এই সড়কটি খুব শীঘ্রই যেন ৬ লেনে উন্নীত হয়, এটা আমরা চাই। এটা না হলে আমরা দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবো। আমরা আশ্বাস চাই না, বাস্তবায়ন চাই। আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া না দেখলে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেবো।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এড. ফরিদ উদ্দিন খান বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়ক এখন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। এই সরু রাস্তা দিয়ে বাংলাদেশের সমস্ত প্রান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ গাড়িতে প্রবেশ করছে। অথচ এই সরু ও আকাবাঁকা রাস্তার কারণে বারবার সড়ক দুর্ঘটনা হচ্ছে। বারবার লাশ পড়ছে, কালো পিচগুলো রক্তে লাল হয়ে ওঠেছে। বিভিন্ন পরিবার আজ নিঃস্ব হয়েছে। এরপরেও সরকারের টনক নড়ে না।

তিনি বলেন, কয়েকটি স্পিড ব্রেকার এবং সড়কের উভয়পাশে ইট দিয়ে আমাদের সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি সুনির্দিষ্ট এবং সুস্পষ্টভাবে বলছি, এই রক্তঝড়া ক্ষত মলম দিয়ে দূর করা যাবে না। তাই বলছি, অবিলম্বে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ৬ লেনে করা হোক। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা চট্টগ্রামের ছেলে। সড়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা চট্টগ্রামের। উনি সন্দ্বীপের জন্য ফেরি সার্ভিস চালু করেছেন। তাকে অনুরোধ করবো আমাদের চট্টগ্রামবাসীর জন্য, বাংলাদেশের জন্য এ সড়ক ৬ লেনের উন্নীত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও নগর বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন, পত্রিকা-টেলিভিশন খুললেই দেখি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। আমরা এই মৃত্যুর মিছিল আর দেখতে চাই না। কক্সবাজার দেশের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত, তাই সেখানে লক্ষ লক্ষ পর্যটক বেড়াতে যায়। মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দরসহ অনেক অবকাঠামো সেখানে। ফলে গাড়ির চাপ বেড়েছে। সড়কের উন্নয়ন না করে অপ্রয়োজনীয়ভাবে এখানে টানেল করা হয়েছে। আমরা অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের কাছে দাবি জানাই, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কাজ শুরু করুন অবিলম্বে।

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া অংশে ঈদুল ফিতরের প্রথম তিনদিনে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ১৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন ৩০ জনেরও বেশি। স্থানীয় বাসিন্দারা এসব দুর্ঘটনার জন্য মূলত চালকদের বেপরোয়া গতি, লবণবাহী ট্রাকের পানি ফেলা এবং অটোরিকশা ও থ্রি-হুইলারের অনিয়ন্ত্রিত চলাচলকে দায়ী করছেন।

হাইওয়ে পুলিশের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত তিন মাসে এই সড়কে ৫৪টি দুর্ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে ৪০ জন নিহত এবং ৭৩ জন আহত হয়েছেন। বিশেষ করে চট্টগ্রাম অংশে ৩৭টি দুর্ঘটনায় ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মহান মে দিবসে চসিক জাতীয়তাবাদী শ্রমিক ইউনিয়ন ২১-এর আলোচনা সভা ও বিশাল র‍্যালি অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান মে দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) জাতীয়তাবাদী শ্রমিক ইউনিয়ন ২১-এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও বিশাল র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে র‍্যালিটি নাসিমন ভবনে গিয়ে শেষ হয়।সংগঠনের সভাপতি দিদারুল আলম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় শ্রমিকদের অধিকার, ন্যায্য মজুরি এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মোঃ সেলিম ভুইঞা, মোঃ বশির,শাহেদ আলম, মাবুদ, নাছির, শাহ আলম,মোঃজামশেদ, মহিউদ্দিন, মোঃমফজ্জল,হেদায়েত উল্ল্যা মোঃইসমাইলসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সাইফুল ও সোমনাথ রাজু। এছাড়াও শ্রমিক ইউনিয়নের অসংখ্য নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশগ্রহণ করেন।সভায় বক্তারা বলেন, মহান মে দিবস শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের প্রেরণার উৎস। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

বোয়ালখালীতে জামায়াতে ইসলামী’র কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উপজেলা ও পৌরসভা শাখার উদ্যোগে এক কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) সকাল ৯টায় স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে জুমার নামাজ শেষে মেজবানের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বোয়ালখালী উপজেলা শাখার আমীর মুহাম্মদ খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি ইমাম উদ্দিন ইয়াছিনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামী’র আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামী’র আমীর মুহাম্মদ আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা সহকারী সেক্রেটারি মোঃ জাকারিয়া, চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাসপাতালের পরিচালক ও বোয়ালখালী উপজেলা নায়েবে আমীর ডা. আবু নাছের।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চান্দগাঁও জামায়াতের আমীর মোঃ ইসমাইল হোসেন, সেক্রেটারি জসিম উদ্দিন সরকার, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মোঃ ইকবাল, বোয়ালখালী উপজেলা মহিলা জামায়াতের সভাপতি নাহিদ পারভিন, অঞ্চল পরিচালক এলিনা সুলতানা, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাওলানা মফিজুর রহমান, ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা দিদারুল আলম, বোয়ালখালী পৌরসভা ও পোপাদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দসহ অনেকে। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন রেনেসা ও দিগন্ত শিল্পী গোষ্ঠী।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ