চট্টগ্রাম কর আইনজীবী সমিতির একতরফা নির্বাচন বাতিলের দাবি।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কর আইনজীবী সমিতিতে একতরফা নির্বাচন বাতিলের দাবি জানিয়েছেন সম্মিলিত কর আইনজীবি সমন্বয় পরিষদের নেতৃবৃন্দ। বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগরীর আগ্রাবাদস্থ একটি রেস্টেুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সন্মেলনে তারা এ দাবি জানান। একই সাথে দ্রুত সময়ের মধ্যে পুনরায় নির্বাচন দাবী করা হয়।

সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, সম্মিলিত কর আইনজীবি সমন্বয় পরিষদের আহবায়ক আলহাজ্ব মোহাম্মদ নূর হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সম্মিলিত কর আইনজীবি সমন্বয় পরিষদের আনিসুর রহমান, মো. সালাহউদ্দিন, সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন প্রমূখ।
আহবায়ক আলহাজ্ব মোহাম্মদ নূর হোসেন লিখিত বক্তব্যে বলেন, চট্টগ্রাম কর আইনজীবী সমিতিতে দীর্ঘদিন যাবৎ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে সমিতি পরিচালনার জন্য ১৭ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিটি নির্বাচিত হয়ে আসছে। অতীতের ন্যায় এই বৎসর সাধারণ সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোট ব্যতিত প্রহসনমূলকভাবে এক তরফা নির্বাচনের মাধ্যমে ঐক্য পরিষদ ক্ষমতা দখল করেছে।

তিনি বলেন, গত ৯ মার্চ নির্বাচন কমিশন ১০ এপ্রিল নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী তফশিল ঘোষণা করে, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী গত বছরের ১৮ মার্চ নির্বাচনে অংশগ্রহণ কারী ৩টি দল মনোনয়ন পত্র দাখিল করতে গেলে ঐক্য পরিষদ এবং বহিরাগতদের বাধার মুখে সম্মিলিত কর আইজীবী সমন্ময় পরিষদ এবং দল নিরেপেক্ষ সংগঠন সম্মিলিত পরিষদ মনোনয়ন পত্র দাখিল করতে পারেননি। নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীগণ এবং সম্মিলিত পরিষদের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ শারিরিক হেনস্তার স্বীকার হন। একমাত্র ঐক্য পরিষদের মনোনিত প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশন,

কার্যকরী কমিটি এবং বহিরাগতদের সহায়তায় মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। এতে সমিতির দীর্ঘদিন যাবৎ প্রত্যক্ষ ভোটে নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়াটি ব্যাহত হয়েছে এবং সমিতির কার্যক্রম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

আলহাজ্ব মোহাম্মদ নূর হোসেন আরো বলেন, বিগত সরকারের আমলে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ভাবে নির্বাচনের মাধ্যমে চট্টগ্রাম কর আইনজীবী সমিতির প্রতিনিধিত্ব নির্বাচিত হয়ে আসছিল। বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে সাধারণ সদস্যদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগর এলাকার ন্যাম ভবন থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি জিএম নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ন্যাম ভবনের ৫নং ভবনের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা এখনও জানা যায়নি।

তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ইবনে মিজান মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা যায়, রুমের জানালা দিয়ে মরদেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। তবে কখন, কীভাবে কেন এ ঘটনা ঘটেছে সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

পুলিশের দেয়া তথ্যে জানা যায়, মরদেহ উদ্ধারের পর ফরেনসিকের জন্য প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। এরপর মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে জানান, নজরুল ইসলাম তার দুই স্ত্রীকে নিয়ে দুপুরের খাবার খেয়েছেন। এরপর তারা বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আলাদা আলাদা রুমে যান। পরে ৫টার পরে ছোট স্ত্রী মরিয়মকে ডাকতে গেলে দরজা বন্ধ পান। পরে জানালা দিয়ে দেখেন আলোচিত দ্বিতীয় স্ত্রী ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছেন। পরে তিনি থানা পুলিশকে জানান। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা সে বিষয় বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেনি পুলিশ।

অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ, চিকিৎসাধীন অবস্থায় তরুণীর মৃত্যু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়ন ফকিরাবাদে বকশিপাড়ায় স্বামীর পরিকল্পনায় ঠান্ডা মাথায় খুন করে তমা খাতুনকে। তমা খাতুনের স্বামী বক্কর হোসেন এখন ভেড়ামারা থানা পুলিশ হেফাজতে। তমা খাতুন (১৮) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে মারা যান। নিহত তমা খাতুন ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের ফকিরাবাদ বকশীপাড়া এলাকার তোফাজ্জল হোসেনের মেয়ে।

নিহতের পরিবারের দাবি, গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ির পাশে ফেলে রেখে যায়। স্বজন ও প্রতিবেশীরা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নিহতের মামাতো ভাই হাবিবুর রহমান জানান, এ ঘটনায় ৪-৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে ভেড়ামারা থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তমার মৃত্যুর পর এলাকায় শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে অভিযুক্তদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং আইনানুগ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্বামীর পরিকল্পনায় ঠান্ডা মাথায় খুন করে তমা খাতুনকে।

ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মাদ জাহেদুর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ওই তরুণী মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন বলে জানা গেছে। ধর্ষণের কোনো আলামত বা প্রমাণ পুলিশ পায়নি। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান বলেন, ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে ওই তরুণীকে হাসপাতালে আনা হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। তবে হাসপাতালে ভর্তির সময় পরিবারের পক্ষ থেকে ধর্ষণের বিষয়ে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ