আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

মাতারবাড়ি দেশিয় অর্থনীতির গেম চেঞ্জার।

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৬৩ জন নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে বন্দর: চেয়ারম্যান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ছবি-১
চট্টগ্রাম ব্যুরো: বিজনেস সামিটে নতুন বিনিয়োগ আসায় চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক)’র চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান। চবক চেয়ারম্যান বলেন, দেশের প্রবৃদ্ধির মূল চালিকা শক্তি চট্টগ্রাম বন্দর। দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্টের কারণে সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ১৩৮তম বন্দর দিবস উপলক্ষে শহীদ মো. ফজলুর রহমান মুন্সী মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনে চবক সদস্যসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রাম বন্দরের গতি বৃদ্ধি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিযোগী বিশ্বে টিকতে হলে বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। পাঁচ বছর পর ৫ মিলিয়ন টিইইউস কনটেইনারে হ্যান্ডলিং করতে হবে। মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দরে টার্মিনাল ও বে-টার্মিনাল নির্মাণে চুক্তি হয়েছে। এ মাস দেশ ও বন্দরের জন্য সৌভাগ্যের। ২০২৯ সালে মাতারবাড়ি সমুদ্র্রবন্দর অপারেশনে চলে যাবে।
এ সময় চবক চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের তরুণ প্রজন্ম বড় সম্ভাবনা। তাদের কর্মসংস্থান করতে হবে। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার হবে সিঙ্গাপুর। বিনিয়োগকারী প্রস্তুত। নিরাপত্তা, আস্থা, সুন্দর পরিবেশ চায় তারা। মেরিটাইম ও পোর্ট সিকিউরিটি নিয়ে নিশ্চিন্ত হতে চায়।
বন্দর ও কাস্টমসের সমন্বয়ে সুফল পাওয়ার কথা জানিয়ে এসএম মনিরুজ্জামান বলেন, বন্দর ও কাস্টমসকে একসঙ্গে কাজ করতে হয়। এর সুফল দেখতে পাচ্ছেন। নিলামে গতি এসেছে। বন্দরে ইউএস এইডের অর্থায়নে রেফার কনটেইনার ইয়ার্ড ও কোল্ড স্টোরেজ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অটোমেশনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ই-টিকিটিং চালু করায় সব সিস্টেমে চলে আসছে। মেরিটাইম সিঙ্গেল উইন্ডো চালু করছি। এতে বহির্বিশ্বে ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে। পেমেন্ট ডিজিটাল হয়ে যাবে। ডিজিটালাইজেশন ও ডি-কার্বোনাইজেশনের বিকল্প নেই। জুনের মধ্যে বন্দরের পুরো কার্যক্রম অটোমেশন করে ফেলব। গ্রিন মেরিটাইম করিডোর হবে চট্টগ্রাম বন্দর। মাতারবাড়ি, বে-টার্মিনাল, লালদিয়া হবে গ্রিন পোর্ট। এ টার্মিনালগুলো চালু হলে নতুন শিপিং রুট খুলে যাবে।
চট্টগ্রাম বন্দরে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি নিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, বে-টার্মিনাল হলে টানেলের ব্যবহার বেড়ে যাবে। ৬৬৩ জনকে পদোন্নতি এবং ৩৬৩ জন নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি বন্দর যাতে ব্যবহারবান্ধব হয়। ১৬ মিটার ড্রাফট মেইনটেইনের উপযোগী দুইটি ড্রেজার কিনবে বন্দর।‘বে-টার্মিনালের কন্টেইনার টার্মিনাল-১ এবং কন্টেইনার টার্মিনাল-২ নির্মাণের জন্য পিপিপি অংশীদার পিএসএ সিঙ্গাপুর এবং ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। গত ২০ এপ্রিল বে-টার্মিনালের ডিপিপি একনেকে অনুমোদিত হয়েছে। এছাড়া, গতকাল বে-টার্মিনালের চ্যানেলে ব্রেক ওয়াটার নির্মাণের লক্ষ্যে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সাথে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, চট্টগ্রাম বন্দরের বে-টার্মিনাল প্রকল্প আগামী ২০২৯-২০৩০ সালের মধ্যে সমাপ্ত করা সম্ভব হবে।
মাতারবাড়িকে দেশিয় অর্থনীতির গেম চেঞ্জার উল্লেখ করে বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান বলেন, দেশের অর্থনীতির গেম চেঞ্জার খ্যাত মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর প্রকল্পটির প্যাকেজ-১ ( ২টি জেটি নির্মাণ) এর জন্য জাপানিজ প্রতিষ্ঠান পেন্টা ওশান কনস্ট্রাকশন কোম্পানি ও টোয়া কর্পোরেশনের সাথে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চুক্তি স্বাক্ষর গত ২২ এপ্রিল সম্পন্ন হয়েছে। মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর ২০২৯ সাল নাগাদ অপারেশনে আসবে বলে আশা করা যায়। মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দরকে রিজিওনাল ট্রান্সশিপমেন্ট হাব হিসাবে রূপ দেয়ার লক্ষ্যে বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসাবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে।
মাতারবাড়ি প্রকল্প নিয়ে চেয়ারম্যান এসএম মনিরুজ্জামান বলেন, ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্প হিসাবে জাইকার সহযোগিতায় বন্দর উন্নয়ন প্রকল্পটির ২য় সংশোধিত ডিপিপি গত বছরের ৭ অক্টোবর একনেক সভায় অনুমোদিত হয়। প্রকল্পের অধীনে বিভিন্ন প্যাকেজের আওতায় সিভিল, ড্রেজিং, কার্গো হ্যান্ডলিং যন্ত্রপাতি এবং জাহাজসমূহ ক্রয় কার্যক্রম প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। কার্গো হ্যান্ডলিং যন্ত্রপাতি ক্রয় চুক্তি ইতোমধ্যে সম্পাদিত হয়েছে। সিভিল ও ড্রেজিং কার্যক্রমের চুক্তি অতি শিগগিরই সম্পাদিত হবে এবং নির্মাণ কার্যক্রম অতিদ্রুত শুরু করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সাপ্তাহিক বাণিজ্যিক রাজধানী পত্রিকার ইফতার মাহফিল ও “বাণিজ্যিক রাজধানী—প্রহসন নয়, বাস্তবায়ন চাই” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্য এবং “বাণিজ্যিক রাজধানী—প্রহসন নয়, বাস্তবায়ন চাই” শীর্ষক এক আলোচনা সভা শনিবার ১৪ মার্চ বিকেল ৪টায় নগরীর মোমিন রোডস্থ চট্টগ্রাম একাডেমির ফয়েজ নুর নাহার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পত্রিকার উপদেষ্টা ও টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আলহাজ্ব মোঃ নাছির উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় নির্ধারিত প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, বিশেষ অতিথি ছিলেন বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: মঞ্জুরুল কিবরিয়া।

নগরীতে একাধিক ইফতার মাহফিল ও তীব্র যানজটের অনিবার্য কারণে নির্ধারিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত হতে না পারায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাণিজ্যিক রাজধানী বাস্তবায়ন পর্ষদ এর কার্যকরী সভাপতি আলহাজ্ব শাহসূফি শাহজাদা সৈয়দ সিরাজুদ্দৌলা। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্যিক রাজধানী বাস্তবায়ন পর্ষদ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী গোলাপ রহমান। প্রধান বক্তা ছিলেন উদ্যোক্তা, গবেষক ও সংগঠক সিআরবির সমন্বয়ক জিয়াউল হক খন্দকার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দ সিরাজুদ্দৌলা বলেন, মাহে রমজান সংযম, আত্মশুদ্ধি ও মানবিকতার মাস। এই মাস মানুষের ভেতরের নৈতিক শক্তিকে জাগ্রত করে এবং সমাজে ন্যায়, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্র। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্যিক রাজধানীর দাবিটি অনেক সময় কেবল কথার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। এখন সময় এসেছে বাস্তব উদ্যোগের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে সত্যিকারের বাণিজ্যিক রাজধানীতে রূপান্তর করার।

তিনি আরও বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যানজট নিরসন এবং বাজার ব্যবস্থাপনার উন্নতির মাধ্যমে নগরীর অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে অত্র সংগঠন ব্যবসায়ী সমাজের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে আগ্রহী বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সাপ্তাহিক বাণিজ্যিক রাজধানী পত্রিকার সম্পাদক ও দৈনিক ঘোষণা পত্রিকার বোয়ালখালী প্রতিনিধি আলমগীর রানার সঞ্চালনে অনুষ্ঠিত এ সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক আবদুল্লাহ মজুমদার।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক সোনার বাংলার চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ইমরান হোসেন। দৈনিক বর্তমান বাংলার প্রধান সমন্বয়কারী সিরাজুল মনির। মানবাধিকারকর্মী শাহজালাল।
উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দেশবার্তার ব্যুরোচীফ মো: আনিসুর রহমান ফরহাদ, দৈনিক ঘোষণার বিশেষ প্রতিনিধি এস এম সামজাত, সূফি কথার বার্তা সম্পাদক আল সিরাজ ভাণ্ডারী, হাফিজুল মোর্শেদ, মো: রাশেদ, আলমগীর, আবুল বাশার, আবদুল্লাহ আল হাবিব, মো: রানা, শাফায়েত উদ্দিন, মো: নাছির, নুরুল আবসার, আবদুল মাবুদ, সুমাইয়া, জান্নাতুল ফেরদৌস, মো; সাঈদ, মো: ইভান প্রমুখ।

পবিত্র কোরআন তেলোয়াত করেন লেখক ও গবেষক এস এম ওসমান। নাতে রাসুল(দ:) পরিবেশন করেন এইচ এম নিজামুদ্দীন চৌধুরী আলিফ। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন আদনান লাভলু, আরফাত শাওন, আবিদুর মাহিন, নিজামুদ্দিন আলিফ, আতিকুর আবির প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে আলহাজ্ব মোঃ নাছির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। দেশের আমদানি-রপ্তানির বড় অংশই এই নগরীর মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তাই “বাণিজ্যিক রাজধানী” শব্দটি যেন শুধু স্লোগান না হয়ে বাস্তবে রূপ পায়, সে লক্ষ্যে সরকার, সিটি কর্পোরেশন ও ব্যবসায়ী সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, মাহে রমজান আমাদের সংযম, সততা ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। এই শিক্ষাকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে পারলে সমাজে ন্যায় ও সাম্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও সততা ও নৈতিকতার চর্চা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

আলোচনা সভায় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে সমাজে নৈতিকতা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির আহ্বান জানান। একই সঙ্গে চট্টগ্রামকে সত্যিকারের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভা শেষে দেশ, মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া, মোনাজাত ও ইফতারের আয়োজন করা হয়।

চট্টগ্রামে ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন না করায় জরিমানা গুনল ৪ বাস কাউন্টার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের বাস কাউন্টারগুলোতে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে এ অভিযান চালানো হয়। সোমবার মহানগরীর গরিবুল্লাশাহ মাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন তীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মো. ফয়েজ উল্ল্যাহ। অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আনিছুর রহমান, মাহমুদা আক্তার ও রানা দেবনাথ।

মো. ফয়েজ উল্ল্যাহ বলেন, গরীবুল্লাহশাহ মাজার এলাকায় বাস কাউন্টারগুলোতে অভিযান চালিয়েছি। এসময় ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন না করায় সেন্টমার্টিন পরিবহনেকে ৫ হাজার টাকা, রিলাক্স পরিবহনকে ৩ হাজার, দেশ ট্রাভেলস ৩ হাজার ও রয়েল মত্রি সার্ভিসকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ঈদে যাতে কেউ অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে না পারে সে লক্ষ্যে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ