শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করল শাহানশাহ্্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ট্রাস্ট

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

২০২৪ পর্বে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬৪৩ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে ৩২ লক্ষ টাকার শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করল শাহানশাহ্্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ট্রাস্ট

বাংলাদেশে প্রবর্তিত একমাত্র ত্বরিকা, বিশ্ব সমাদৃত ত্বরিকা-ই মাইজভাণ্ডারীয়ার প্রবর্তক গাউসুল আযম হযরত মাওলানা শাহ্ সুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর ১১৯তম মহান ১০ মাঘ উরস শরিফ উপলক্ষে ‘এস জেড এইচ এম ট্রাস্ট’-এর ১০ দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.) বৃত্তি তহবিল’ আয়োজিত ২০২৪ পর্বের তৃতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৪২২ জন দরিদ্র, মেধাবী ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীকে ২০ লক্ষ ৬১ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান ০৩ মে ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ শনিবার মাইজভাণ্ডার দরবার শরিফস্থ দরবার কনভেনশন হলে অনুষ্ঠিত হয়। বৃত্তি তহবিলের সদস্য আবু সালেহ সুমনের সঞ্চালনায় ও এসজেডএইচএম বৃত্তি তহবিলের সভাপতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন ও

কেমিকৌশল বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন কর্ণফুলী আবদুল জলিল চৌধুরী কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, এসজেডএইচএম ট্রাস্ট শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে শিক্ষা বিস্তারে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। এ ট্রাস্ট গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে অনেক ইতিবাচক কাজ করছে যা সর্বসাধারণের নিকট সত্যিই প্রশংসিত। ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন টেকনিক্যাল ট্রেডে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে মানব সম্পদে পরিণত করছে। দরবারে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর গাউসিয়া হক মন্্জিল প্রতিষ্ঠিত এসজেডএইচএম ট্রাস্ট মানবতার খেদমতে সবচেয়ে গোছানো কর্মসূচি উপহার দেন। তিনি

শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার জন্য ট্রাস্টকে ধন্যবাদ জানান এবং ম্যানেজিং ট্রাস্টি মহোদয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। অনুষ্ঠানের সভাপতি সমাপনি বক্তব্যে প্রধান অতিথিসহ উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে ট্রাস্টের বিভিন্ন মানবিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আলোকপাত করেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীরা সঠিক পরিচর্যার অভাবে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে যাচ্ছে। তাদের সঠিক গাইডলাইন ও মনিটরিংয়ের মাধ্যমে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে অনুভূতি ব্যক্ত করে বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী শারমিন আক্তার ও

ছিপাতলী আজিজিয়া মইনিয়া কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী মো. রিয়াজ। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাদ্রাসায়ে গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারীর শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নুরুল আবছার, নাতে মোস্তফা(দ.) পরিবেশন করেন মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন ও মাইজভাণ্ডারী কালাম পরিবেশন করেন মোহাম্মদ আরমান উদ্দিন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বৃত্তি তহবিলের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর তাজুল ইসলাম চৌধুরী, ডা. কৌশিক সায়মন শুভ সহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ। উল্লেখ্য প্রথম পর্যায়ে চট্টগ্রাম
বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৭৯ জন প্রতিবন্ধী সহ মোট ১০৩ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে ৬,৮৭,০০০ টাকা, দ্বিতীয় পর্যায়ে লোহাগাড়া উপজেলার ১১৮ জন দরিদ্র মেধাবী সুবিধা বঞ্চিত শিক্ষার্থীকে ৪ লাখ ৫৪ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তিসহ ২০২৪ পর্বে মোট ৬৪৩জন শিক্ষার্থীকে ৩২ লক্ষ ২ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দুবাইয়ে বেনজীরের জামিন বাতিলে ল’ফার্ম নিয়োগ হয়েছে – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দুবাইয়ের আদালত থেকে শর্তসাপেক্ষে জামিন পাওয়ার পর সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের জামিন বাতিল এবং তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আইনি উদ্যোগ নেয়া হয়েছে । দুবাইয়ে একটি আন্তর্জাতিক ল’ফার্ম নিয়োগ করা হয়েছে বাংলাদেশের পক্ষে কাজ করার জন্য।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।রোববার ২ আগস্ট রাজশাহীতে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন-সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ের আদালত থেকে শর্তসাপেক্ষে জামিন পেয়েছেন—বিষয়টি আমরা জেনেছি। তার জামিন আদেশ বাতিলের জন্য বাংলাদেশ সরকার দুবাইয়ে একটি ল’ফার্ম নিয়োগ করেছে। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে চিংড়ি প্রকল্পের দখল নিয়ে শেষ রাতে গোলাগুলি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চিংড়ি প্রকল্পের দখল নেওয়াকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধসহ গুরুতর আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার সরল ইউনিয়নের উত্তর সরল বেড়িবাঁধ সংলগ্ন তাজুরঘোনা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম বলেন, গোলাগুলির ঘটনায় প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৮ থেকে ১০ জনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। যাচাই-বাছাই করে এর মধ্যে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি থাকলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি, স্থানীয়ভাবে তৈরি একনলা বন্দুক দিয়ে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। মূল অপরাধীদের শনাক্ত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ জানায়, এলাকায় নতুন করে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে শান্ত থাকার এবং অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাজুরঘোনা এলাকার একটি চিংড়ি প্রকল্পের মালিকানা ও দখল নিয়ে স্থানীয় কবির গ্রুপ ও মনসুর গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে বৃহস্পতিবার রাতে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। একপর্যায়ে একপক্ষ অন্যপক্ষকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে কয়েকজন পথচারীসহ সংঘর্ষে লিপ্ত ব্যক্তিরা গুলিবিদ্ধ হন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

অভিযান পরিচালনাকারী দল সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পরপরই জড়িতদের গ্রেফতার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে জেলা পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নামে। অভিযানে জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. সিরাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি ও শিল্পাঞ্চল) মো. ইব্রাহীম, আনোয়ারা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাহমুদুল হাসান ও বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হকসহ জেলা পুলিশের একটি বড় দল অংশ নেয়।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ