আজঃ শনিবার ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬

শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করল শাহানশাহ্্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ট্রাস্ট

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

২০২৪ পর্বে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৬৪৩ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে ৩২ লক্ষ টাকার শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করল শাহানশাহ্্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ট্রাস্ট

বাংলাদেশে প্রবর্তিত একমাত্র ত্বরিকা, বিশ্ব সমাদৃত ত্বরিকা-ই মাইজভাণ্ডারীয়ার প্রবর্তক গাউসুল আযম হযরত মাওলানা শাহ্ সুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর ১১৯তম মহান ১০ মাঘ উরস শরিফ উপলক্ষে ‘এস জেড এইচ এম ট্রাস্ট’-এর ১০ দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.) বৃত্তি তহবিল’ আয়োজিত ২০২৪ পর্বের তৃতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৪২২ জন দরিদ্র, মেধাবী ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীকে ২০ লক্ষ ৬১ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান ০৩ মে ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ শনিবার মাইজভাণ্ডার দরবার শরিফস্থ দরবার কনভেনশন হলে অনুষ্ঠিত হয়। বৃত্তি তহবিলের সদস্য আবু সালেহ সুমনের সঞ্চালনায় ও এসজেডএইচএম বৃত্তি তহবিলের সভাপতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন ও

কেমিকৌশল বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন কর্ণফুলী আবদুল জলিল চৌধুরী কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, এসজেডএইচএম ট্রাস্ট শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে শিক্ষা বিস্তারে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। এ ট্রাস্ট গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে অনেক ইতিবাচক কাজ করছে যা সর্বসাধারণের নিকট সত্যিই প্রশংসিত। ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন টেকনিক্যাল ট্রেডে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে মানব সম্পদে পরিণত করছে। দরবারে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর গাউসিয়া হক মন্্জিল প্রতিষ্ঠিত এসজেডএইচএম ট্রাস্ট মানবতার খেদমতে সবচেয়ে গোছানো কর্মসূচি উপহার দেন। তিনি

শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার জন্য ট্রাস্টকে ধন্যবাদ জানান এবং ম্যানেজিং ট্রাস্টি মহোদয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। অনুষ্ঠানের সভাপতি সমাপনি বক্তব্যে প্রধান অতিথিসহ উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে ট্রাস্টের বিভিন্ন মানবিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আলোকপাত করেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীরা সঠিক পরিচর্যার অভাবে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে যাচ্ছে। তাদের সঠিক গাইডলাইন ও মনিটরিংয়ের মাধ্যমে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে অনুভূতি ব্যক্ত করে বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী শারমিন আক্তার ও

ছিপাতলী আজিজিয়া মইনিয়া কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী মো. রিয়াজ। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাদ্রাসায়ে গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারীর শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নুরুল আবছার, নাতে মোস্তফা(দ.) পরিবেশন করেন মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন ও মাইজভাণ্ডারী কালাম পরিবেশন করেন মোহাম্মদ আরমান উদ্দিন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বৃত্তি তহবিলের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর তাজুল ইসলাম চৌধুরী, ডা. কৌশিক সায়মন শুভ সহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ। উল্লেখ্য প্রথম পর্যায়ে চট্টগ্রাম
বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৭৯ জন প্রতিবন্ধী সহ মোট ১০৩ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে ৬,৮৭,০০০ টাকা, দ্বিতীয় পর্যায়ে লোহাগাড়া উপজেলার ১১৮ জন দরিদ্র মেধাবী সুবিধা বঞ্চিত শিক্ষার্থীকে ৪ লাখ ৫৪ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তিসহ ২০২৪ পর্বে মোট ৬৪৩জন শিক্ষার্থীকে ৩২ লক্ষ ২ হাজার টাকা প্রদান করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালীতে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে নিজ ঘরে মোঃ জমির উদ্দিন (২৮) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে।

জমির কেরানী বাজার শুক্কুর সওদাগরের বাড়ির জহির আহমদের ছেলে। তার ১ ছেলে ও ১ মেয়ে রয়েছে। তিনি পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি ছিলেন। তার ভাইপো রুহুল উল্লাহ জানিয়েছেন, আর্থিক সংকটের কারণে জমির উদ্দিন মানসিক চাপে ছিলেন এবং পরিবারের অগোচরে নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়েছেন।

বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) মাহফুজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় নৌবাহিনী সদস্যের মৃত্যু ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নৌবাহিনীর এক সদস্য নিহত হয়েছেন। চলন্ত মোটরসাইকেলকে পেছন থেকে দ্রুতগামী একটি বাস ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে। শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়া বাইপাসে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত নাজমুস সাকিব (৩৮) নৌবাহিনীর পতেঙ্গা ঈসা খাঁ ঘাঁটিতে এলএস হিসেবে কর্মরত ছিলেন।একই দুর্ঘটনায় নৌবাহিনীর আরও এক সদস্য আহত হয়েছেন। ইকরাম হোসেন নামে ওই ব্যক্তি ঈসা খাঁ ঘাঁটিতে নাবিক পদে কর্মরত আছেন।

হাইওয়ে পুলিশের পটিয়া থানার পরিদর্শক হারুনুর রশিদ বলেণ, নাজমুস সাকিব ও ইকরাম মোটর সাইকেল নিয়ে পটিয়া বাইপাস অতিক্রম করছিলেন। বাইপাসের শেয়ানপাড়া ক্রসিংয়ে কক্সবাজারগামী হানিফ পরিবহনের একটি বাস মোটর সাইকেলের পেছনে ধাক্কা দিলে তারা ছিটকে পড়েন। এ সময় বাসের চাকার নিচে পড়ে নাজমুস সাকিব ঘটনাস্থলে মারা যান ও ইকরাম আহত হন। পুলিশ বাসটি আটক করলেও চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছে বলে জানান তিনি।

আলোচিত খবর

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত কানাডাভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাইকোকে বাংলাদেশ সরকারকে ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিডি/ICSID)-এর ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।


জ্বালানি সচিব বলেন, বাংলাদেশ এই মামলায় প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। প্রাপ্ত অর্থ সেই দাবির তুলনায় অনেক কম। রায়ের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে খনন ও উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পায় কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকো।

পরবর্তীতে নাইকোর পরিচালনাধীন অবস্থায় টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং একই বছরের ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এসব বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ মজুদ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের অবকাঠামো, পরিবেশ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যা দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ