আজঃ রবিবার ১৪ জুন, ২০২৬

রক্তপাতহীন নির্বাচন’ আয়োজনকে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অতীতের শত শত প্রাণহানি ও সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে। এসব ভয়াবহ অভিজ্ঞতার প্রেক্ষাপটে এবার ‘রক্তপাতহীন নির্বাচন’ আয়োজনকে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সময়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা আনফ্রেল বলেছে, ইসি আগের তুলনায় অধিক নিরপেক্ষতা দেখালেও নির্বাচনী অর্থের প্রভাব, পেশিশক্তি, জবাবদিহির ঘাটতি ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণ সংকট এখনো বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থার বড় দুর্বলতা হয়ে রয়েছে। ফলে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে নতুন করে চাপ ও কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে যাচ্ছে কমিশন, এমনটাই আশংকা করা হয়েছে।

রাজধানীর একটি হোটেলে বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন এবং আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংস্থা এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস (আনফ্রেল)-এর প্রতিনিধিরা এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন-অতীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে ব্যাপক সংঘাত, সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে শান্তিপূর্ণ ও রক্তপাতহীন নির্বাচন আয়োজন করাই এখন কমিশনের প্রধান লক্ষ্য। এজন্য রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং ভোটারসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সিইসি জানান, দেশে বর্তমানে ৪ হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৪৯৫টি উপজেলা পরিষদ, ৬১টি জেলা পরিষদ, ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং প্রায় ৩৩০টি পৌরসভার নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। এত বিপুল সংখ্যক নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে কমিশন সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেও জানান তিনি।
ছবি সংগৃহীত –
[email protected]

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হলেন তামিম ইকবাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। এবার নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে পাকাপাকিভাবে ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতির চেয়ারে তামিম ইকবালরোববার (৭ জুন) বিকেলে মিরপুর শেরে-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে পরিচালক পদে বিজয়ী হয়েছেন তামিম ইকবাল খান। পরিচালকদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৩ ভোট পেয়েছেন তিনি। 

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭২ ভোট পেয়েছেন সাইদ ইব্রাহিম আহমেদ এবং ইশরাফিল খসরু। এরপর মাসুদুজ্জামান ৭০ এবং ফয়সাল ইয়াসির পেয়েছেন ৬৮ ভোট।ফাহিম সিনহা এবং শানিয়ান তানিম ৬৬টি করে ভোট পেবিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হলেন তামিম ইকবালয়েছেন। আসিফ রাব্বানী ৬৪, মির্জা ইয়াসির আব্বাস ৬৩টি ভোট পেয়েছেন। রফিকুল ইসলাম বাবু ৫৩ এবং ড. শামীম ৪১ ভোট পেয়েছেন । ক্লাব ক্যাটাগরিতে মোট ভোট ছিল ৭৬টি। এর মধ্যে ৭৪টি ভোট কাস্ট হয়েছে।

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ