আজঃ শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চবির সঙ্গে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের সমঝোতা স্মারক।

চবি রিপোর্টার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস -এর সঙ্গে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) ও বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফআইডিসি)–এর মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে ।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্‌ইয়া আখতার, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

উপাচার্য অতিথিদের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ ক্যাম্পাসে স্বাগত জানান এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এ সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বাঁশ ও অন্যান্য বনজ পণ্যের উন্নয়ন, উৎপাদন, বাণিজ্যিকীকরণ ও ব্যবস্থাপনায় নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি ত্রিপক্ষীয় গবেষণা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথ উন্মোচিত হবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএফআইডিসি চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ, বিএফআরআই-এর মুখ্য গবেষণা কর্মকর্তা ড. মো. মাহবুবুর রহমান, চবি ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আকতার হোসেন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিচালক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর ড. মো. দানেশ মিয়া, বিএফআইডিসি চট্টগ্রাম (সিএমপি) এর ব্যবস্থাপক উজ্জ্বল কুমার হাওলাদার, বিএফআইডিসি এসএমপি অ্যান্ড এফইউ কালুরঘাট-এর ব্যবস্থাপক মো. আতিকুর রহমান,

বিএফআইডিসি চেয়ারম্যানের পিএস মো. নজমুল হক, হিসাব ব্যবস্থাপক মো. আবদুল ওয়াজিদ, ইউনিট প্রধান (ডব্লিউটিপি) সন্দীপ কুমার সরকার, বিএফআরআই-এর বিভাগীয় কর্মকর্তা আনিসুর রহমান ও মো. আনিসুর রহমান, বিএফআইডিসি রাবার বিভাগ চট্টগ্রামের মহাব্যবস্থাপক এ.এ.এম. শাহাজাহান সরকার, বিএফআইডিসি ফিডকো ফার্নিচার কমপ্লেক্স কালুরঘাট-এর উপ-ব্যবস্থাপক মো. আরিফ হোসেন ও এলপিসি কাপ্তাই-এর সহকারী মহাব্যবস্থাপক তীর্থ জিৎ রায়সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।

সমঝোতা স্মারকে চবির পক্ষে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বিএফআইডিসি-এর পক্ষে চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ এবং বিএফআরআই চট্টগ্রাম-এর পক্ষে মুখ্য গবেষণা কর্মকর্তা ড. মো. মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষর করেন।

উল্লেখ্য, এ ত্রিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে গবেষণালব্ধ ফলাফল ব্যবহার করে বাঁশ, বেত ও অন্যান্য বনজ সম্পদজাত পণ্যের টেকসই ব্যবস্থাপনা ও বাণিজ্যিকীকরণ নিশ্চিত করা হবে। বিএফআইডিসি ও বিএফআরআই-এর প্রক্রিয়াজাতকরণ ইউনিট/কারখানার মেশিনারিজ ব্যবহার করে বাঁশজাত নমুনা পণ্য উন্নয়ন ও উৎপাদন করা হবে। প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই (ফিজিবিলিটি স্টাডি) সম্পন্ন হওয়ার পর প্রয়োজনীয় মেশিনারিজ সংগ্রহ করবে বিএফআইডিসি। এছাড়াও কার্যকর লে-আউট ডিজাইন করে কাঁচামাল স্থানান্তরের সময় কমিয়ে উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি হ্রাস করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।

বাঁশজাত পণ্য উৎপাদনের সময় সৃষ্ট বর্জ্য দিয়ে অর্থকরী পণ্য তৈরির সম্ভাবনা যাচাই, গবেষণা ও উন্নয়নে বিএফআরআই ও চবির ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস কাজ করবে এবং বিএফআইডিসি তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেবে। যৌথ গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজনের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে বাজারে কার্যকর সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও নির্বাচনের দায়িত্বে সকল কর্মকর্তা বিভিন্ন কেন্দ্র ও সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


আজ ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা চট্টগ্রামের বাঁশখালী, লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, পটিয়াসহ বিভিন্ন উপজেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণের সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন এবং ভোটারদের সাথে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি ভোটগ্রহণের উৎসবমুখর পরিবেশ ও ব্যাপক ভোটার উপস্থিতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন, পুলিশ সুপার, চট্টগ্রাম; জনাব মো: শরীফ উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক), চট্টগ্রাম; জনাব সাখাওয়াত জামিল সৈকত, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), চট্টগ্রাম জনাব মোস্তাক আহমেদ, জেলা কমান্ড্যান্ট,আনসার ও ভিডিপি চট্টগ্রাম; মোহাম্মদ বশির আহমেদ, সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার ও চট্টগ্রাম জেলা ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিমের সদস্যবৃন্দ।

চট্টগ্রামের চার জেলায় ২০টি সংসদীয় আসনে র‌্যাবের ৫০টি টহল দল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে চট্টগ্রামে নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে র‌্যাব-৭ বিশেষ টহল, চেকপোস্ট স্থাপন এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে র‌্যাব।

বুধবার সকালে নগরের এনায়েত বাজার মহিলা কলেজ কেন্দ্রে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সার্বিক নিরাপত্তা ও টহল কার্যক্রম জোরদারের বিষয়ে র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো.হাফিজুর রহমান ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, র‌্যাব-৭ এর আওতাধীন চার জেলায় ২০টি সংসদীয় আসনে মোট ৫০টি টহল দল মোতায়েন রয়েছে।পাশাপাশি একটি ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট দায়িত্ব পালন করছে। এ কার্যক্রম ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতা বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে শহর ও উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে জানিয়ে মো.হাফিজুর রহমান বলেন, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্যান্য ইউনিটের সঙ্গে সমন্বয় করে যৌথ টহলও পরিচালিত হচ্ছে।

চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর মিলিয়ে ১৬টি সংসদীয় আসন রয়েছে, যেগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় নিয়ে ৪০টি টহল দল কাজ করছে। ভোটাররা যেন ভীতি ছাড়াই কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেজন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো.হাফিজুর রহমান বলেন, যেকোনো ধরনের সহিংসতা বা নাশকতার বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন ও গণভোট সম্পন্ন করতে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছি।

আলোচিত খবর

নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ৮ লাখ। কর্মকর্তা- ইসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিশাল এক কর্মীবাহিনী মাঠে নামিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের কর্মযজ্ঞ সফল করতে সারা দেশে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা সরাসরি নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশাল তালিকায় প্রিজাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার পর্যন্ত সর্বমোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন দক্ষ কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।  

নির্বাচন পরিচালনার ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৫৯৮ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার। মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে প্রায় ৯ লাখ পোস্টাল ব্যালট প্রতিটি কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব সামলাবেন একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, সেই হিসেবে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার এখন কেন্দ্রগুলোতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়াও ভোটকক্ষগুলোতে দায়িত্ব পালনের জন্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং অফিসারকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ