ছোট সাজ্জাদের স্ত্রী তামান্না গ্রেফতার ।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদের স্ত্রী তামান্না শারমিনকে গ্রেফতার করেছে বাকলিয়া থানা পুলিশ। শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নগরের বহদ্দারহাট বাড়ইপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রাত ১১টার দিকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন। বর্তমানে কারাবন্দী ছোট সাজ্জাদ বায়েজিদ বোস্তামী থানার হাটহাজারীর শিকারপুরের মো. জামালের ছেলে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, চাঁদাবাজির ১৫টি মামলা রয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাকলিয়া এলাকায় জোড়া খুনের ঘটনায় হওয়া মামলায় উচ্চ আদালত থেকে গত ১০ এপ্রিল আগাম জামিন পান তামান্না। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করেননি তিনি। তাই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারের সময় তামান্না নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন দাবি করলেও সেই সংক্রান্ত কাগজপত্র দেখাতে পারেননি তিনি।

এর আগে ১৫ মার্চ দিবাগত রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি থেকে সাজ্জাদকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাকে গ্রেফতারের দুই সপ্তাহের মাথায় ২৯ মার্চ দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে বাকলিয়া থানার এক্সেস রোড এলাকায় প্রাইভেটকারে দুর্বৃত্তের গুলিতে দুজন নিহত হন। সেই জোড়া খুনের ঘটনায় ১ এপ্রিল বাকলিয়া থানায় নিহত মোহাম্মদ মানিকের মা ফিরোজা বেগম বাদী হয়ে সাজ্জাদ ও তার স্ত্রী শারমিন তামান্নাসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে মাদক মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের পতেঙ্গা থানা এলাকায় প্রায় ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় দুই মাদক কারবারিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বাঁশখালী উপজেলার পশ্চিম কোকদণ্ডী এলাকার মো. আরিফ (২৯) এবং ইলশা এলাকার মো. মারুফ (২৩)। সোমবার চতুর্থ অতিরিক্ত চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আফরোজা জেসমিন কলির আদালত এ রায় দেন। একই সঙ্গে তাদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ১৯ আগস্ট পতেঙ্গা থানার মুসলিমাবাদ মোড় সংলগ্ন আউটার রিং রোডে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসায়। এ সময় ফৌজদারহাট থেকে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতের দিকে আসা একটি সুপার জিএল মাইক্রোবাস থামানোর সংকেত দিলে গাড়িতে থাকা দুই ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাদের আটক করা হয়। আটকদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাইক্রোবাসের ড্রাইভিং সিটের নিচে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা একটি শপিং ব্যাগ থেকে ৯ হাজার ৬৩৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১৫ গ্রাম ইয়াবার গুঁড়া এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় র‌্যাব-৭-এর পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যান) মো. জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে পতেঙ্গা মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী নাঈম হোসেন বলেন, ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্যপ্রমাণে ইয়াবার মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি মো.আরিফ ও মো. মারুফকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

চট্টগ্রামে শিশু আয়নী হত্যাকান্ডে রুবেলের মৃত্যুদণ্ডাদেশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড়তলীতে নয় বছরের শিশু আয়নীকে ধর্ষণ চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে হত্যা ও লাশ গুমের মামলায় রুবেলকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ ২০ জুলাই চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক মোহাম্মদ সাইফুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। মামলার এজাহারে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২১ মার্চ নিখোঁজ হয় চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী আয়নী। নিখোঁজের নয়দিন পর পাহাড়তলীর মুরগি ফার্ম এলাকার একটি ডোবা থেকে শিশু আয়নীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে এ ঘটনায় শিশুটির মা মামলা করলে মামলার তদন্তে আসামী সবজি বিক্রেতা রুবেলের সম্পৃক্ততা পায় পুলিশ।

গ্রেপ্তারের পর রুবেল ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পূর্ব পরিচয়ের সুবাদে বিড়ালছানা দেওয়ার কথা বলে শিশুটিকে তার ফুফুর খালি বাসায় নিয়ে যান তিনি। সেখানে ধর্ষণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে শিশু আয়নীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ বস্তাবন্দি করে নিজের সবজিবাহী ভ্যানে করে ডোবায় ফেলে দেন। ঘটনার নয়দিন পর সেই ডোবা থেকে শিশু আয়নীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

আলোচিত খবর

নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন ৩১ জুলাই পর্যন্ত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির সুযোগ পাচ্ছেন নিবন্ধিত না হওয়া নাগরিকরা। আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন গ্রহণ করা হবে। ইসি জানিয়েছে, ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী যেকোনো ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করলে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখেই এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৯ আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা এবং উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে তালিকাটি প্রদর্শন করা হবে। তালিকায় নাম বাদ পড়া বা তথ্যগত ভুল থাকলে সংশ্লিষ্টরা ২৪ আগস্ট পর্যন্ত নতুন অন্তর্ভুক্তি বা তথ্য সংশোধনের আবেদন করতে পারবেন। সব আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ১০ আগস্ট খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর আপত্তি গ্রহণ ও যাচাই-বাছাই শেষে ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রশিদ মিয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে আগস্টের মাঝামাঝি বা শেষ সপ্তাহে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।

বর্তমানে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৪৩ জন

আরও পড়ুন

সর্বশেষ