আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

আগের মেয়র, সিডিএর চেয়ারম্যান জলাবদ্ধতার সৃষ্টির জন্য দায়ী : উপদেষ্টা ফাওজুল

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, সেতু, সড়ক ও পরিবহন উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে যা কিছু করা দরকার সবকিছু আমরা করব। যে বা যারা কাজ করতে আগ্রহী সবাইকে আমরা কাজ করার সুযোগ দিয়েছি। এখন নাগরিকদের পালা, খালকে পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব তাদের। একদিকে খাল খনন করার পর আরেক দিকে ময়লা ফেলা হলে কাজের কাজ কিছু হবে না।

উপদেষ্টা নগরবাসীর কাছে জলাবদ্ধতা নিরসনের সহযোগিতা কামনা করেন। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর নিজস্ব অর্থায়নে বির্জাখাল খনন ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, আগে যারা নগর পিতা, সিডিএর চেয়ারম্যান ছিলেন তারাই এই জলাবদ্ধতা সৃষ্টির জন্য দায়ী। আমি চট্টগ্রামে প্রাইমারি, হাই স্কুল ও চট্টগ্রাম কলেজে পড়েছি। কিন্তু আমি কখনো এ রকম জলাবদ্ধতা দেখিনি।
খাল দখল করে বাড়ি, অফিস, মার্কেট করে ফেলা হয়েছিল উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, আমি দায়িত্ব পাওয়ার পর এসব ভেঙে এখন আবার খালে পরিণত করার কাজ করছি। সবাইকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই।

উপদেষ্টা বলেন, খননের পর সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে, খাল পরিষ্কারের পর আবারও ময়লা ফেলা হচ্ছে। সেটা করলে খাল পরিষ্কার করে লাভ নেই। আমরা ১০ হাজারের মতো ডাস্টবিন দিয়েছি। এখন থেকে সেগুলোতে ময়লা ফেলবেন। আমরা বিভাগীয় কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছি ময়লা বিনে না ফেললে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য। বিনগুলোকে নিজেদের যত্ন করতে হবে। বিন হারিয়ে গেলে যার এলাকা থেকে হারিয়ে যাবে তাকে জরিমানা দিতে হবে।

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, সাবেক এমপি শাহজাহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে এতে প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, সবাইকে নিয়ে আমরা নগরকে গ্রিন, হেলদি সিটি করার কাজ করছি। দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে একসাথে নিয়ে কাজ করতে চাই। তাহলেই আমরা শহরকে সুন্দর রাখতে পারব। বির্জাখালের খনন ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ করায় আমি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
চট্টগ্রাম মহানগর আমির শাহজাহান চৌধুরী বলেন, ২৪ দিনের মাথায় উপদেষ্টা মহোদয় আমাদের কার্যক্রম পরিদর্শনে আসায় আমাদের নেতাকর্মীরা উৎসাহিত হয়েছেন। এটা তিন হাজার ফিট, আমরা প্রায় ১৮শ’ ফিট কাজ শেষ করেছি। বাকি অংশটুকু আমরা ঈদুল আজহার আগে শেষ করতে পারব, ইনশাল্লাহ।
এলাকাবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা এখন যেভাবে সহযোগিতা করছেন আগামীদিনেও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে সেভাবে সহযোগিতা করবেন।

জামায়াতে ইসলামীর নগর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিনের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী নুরুল করিম, সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস, সিডিএর বোর্ড সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মানজারে খোরশেদ, প্রকৌশলী মোমিনুল হক, নগর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি খায়রুল বাশার ও মোহাম্মদ উল্লাহ, সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নগর সভাপতি এস এম লুৎফুর রহমান, জামায়াত নেতা ডা. আবু নাছের, নগর কর্মপরিষদ সদস্য ডা. মো. সিদ্দিকুর রহমান, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, হামেদ হাসান ইলাহী, আমির হোছাইন, বাকলিয়া থানা আমির সুলতান আহমদ, পাঁচলাইশ থানা আমির ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুর হাসান রুমী, বাকলিয়া থানা নায়েবে আমির আবুল মনসুর, চকবাজার থানা নায়েবে আমির আবদুল হান্নান, সেক্রেটারি সা’দুর রশিদ চৌধুরী, বাকলিয়া থানা সেক্রেটারি নুর আহমদ প্রমুখ। এর আগে বির্জাখালের খনন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব র‍্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত র‍্যাফেল ড্র–এর বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, পাঠাগার সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আব্দুল্লাহ, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী ও আরিচ আহমেদ শাহসহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বিজয়ী মোট ৩০ জন সদস্যের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় করেছে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সদস্যগণ পেশাগত জীবনে র‍্যাফেল ড্র’তে পুরস্কারপ্রাপ্তি এবং অপ্রাপ্তি নিয়ে তাদের স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়।

সিভাসু’তে ‘দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে শীর্ষক ১০ দিনের প্রশিক্ষণ ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) ‘দ্গ্ধুজাত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক দশ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আজ মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। সিভাসু’র পোল্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিআরটিসি) এবং ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এবং সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্পের অর্থায়নে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় পিআরটিসি’র বোর্ড মিটিং কক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও নিবন্ধক মো. ইসমাইল হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, ঢাকার যুগ্ম সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সুব্রত কুমার সিকদার। এছাড়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ এবং বাংলাদেশ ডেইরি অ্যান্ড ফ্যাটেনিং ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সিভাসু’র সিন্ডিকেট সদস্য মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন। সভাপতিত্ব করেন পিআরটিসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

দশ দিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে দুধ থেকে দই, মিষ্টি, মাখন, ঘি, পনির, ছানা, লাবাং, বোরহানি, মাঠা ইত্যাদি তৈরির বিষয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সিভাসু’র ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রফেসর ড. মো: সাইফুল বারী ও ডা. উম্মে সালমা আমিন,

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ, সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন, জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, চট্টগ্রামের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ ওমর ফারুক, বিএসটিআই চট্টগ্রামের ফিল্ড অফিসার (সার্টিফিকেশন মার্কস উইং) প্রকৌ. মো: মাহফুজুর রহমান এবং ট্রেড গ্লোবাল লিমিটেড, ঢাকার সিনিয়র সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার মো: শরিফ হোসেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ব্রাহ্মনবাড়িয়া, কুতুবদিয়া ও চকরিয়া অঞ্চলের দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ প্রকল্পের ২৫ জন সমবায় সমিতির সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ