আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

সুবিধাবঞ্চিতদের চিকিৎসা সেবায় চট্টগ্রামে চালু হচ্ছে স্বতন্ত্র ‘আই ইনস্টিটিউট’

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

লায়ন্স জেলা ৩১৫-বি৪ এর বর্তমান গভর্নর কোহিনুর কামাল বলেছেন, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের চিকিৎসা সেবায় চট্টগ্রামে চালু হওয়া স্বতন্ত্র ‘আই ইনস্টিটিউট’ পূর্ণাঙ্গ করার কাজ এগিয়ে চলছে। তিনি বলেন, লায়ন্স চট্টগ্রামে মানবকল্যাণ ও মানবসেবায় এরইমধ্যে যেসব কর্মসূচি ও প্রকল্প সাফল্যের সঙ্গে বাস্তবায়ন ও পরিচালনা করছে, এর মধ্যে রয়েছে স্বতন্ত্র আই ইনস্টিটিউট।

এই ইনস্টিটিউটের কার্যক্রম দ্রুততার সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে। এটি পুরোদমে চালু হলে চট্টগ্রামবাসী উপকৃত হবে। রোববার দুপুরে নগরের সিএলএফ কমপ্লেক্সের হালিমা-রোকেয়া মেমোরিয়াল হলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। লায়ন্স জেলা ৩১৫-বি৪ এর ২৮তম বার্ষিক জেলা সম্মেলন উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

গভর্নর কোহিনুর কামাল বলেন, এখানে তৈরি হবে আই স্পেশালিস্ট, নিয়োগ পাবে অনেক লোকবল, সেবা পাবে প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ পুরো চট্টগ্রামের সুবিধাবঞ্চিত মানুষ। এক কথায়, বিশেষায়িত চিকিৎসা সেবায় এগিয়ে যাবে চট্টগ্রাম। এ বছর এই ইনস্টিটিউটে ১০ জন ছাত্র ভর্তি সম্পন্ন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে।তিনি জানান, চট্টগ্রাম লায়ন্স ফাউন্ডেশন ভবনকে ঘিরে একটি ১৫ বছর মেয়াদী মাস্টারপ্ল্যান তৈরির প্রক্রিয়া চলছে। এ কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা করা গেলে এটিই হবে দেশের সর্ববৃহৎ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান। সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য সকল আঙ্গিকে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে এ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা প্রক্রিয়াধীন আছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়েছে, মাল্টিপল জেলা ৩১৫-এর অধীন ৬টি লায়ন্স জেলায় বর্তমানে ৯১৯টি ক্লাবের মাধ্যমে ২৪ হাজার ৪১৮ জন লায়ন সদস্য সেবামূলক কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত। এর মধ্যে চট্টগ্রামভিত্তিক লায়ন্স জেলা ৩১৫-বি৪-ই একমাত্র জেলা যা ঢাকার বাইরে ব্যাপকভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বর্তমানে এই জেলায় ৯৬টি ক্লাবের মাধ্যমে ৩ হাজার ৩৬৮ জন লায়ন সদস্য সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন।এ বছর লায়ন্স জেলা ৩১৫-বি৪ ‘যত্নের ছায়া ছড়ায় মায়া’এই স্লোগান নিয়ে বিভিন্ন মানবকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
এছাড়া লায়ন্স চক্ষু হাসপাতালের আওতায় চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলায় একাধিক আই ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। এসব ক্যাম্প থেকে ৮ হাজার ৬৩৯ জন গরিব রোগীকে বিনামূল্যে ছানি অপারেশন সেবা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ডিটিই ক্যাম্পের মাধ্যমে ওষুধ বিতরণসহ চক্ষু পরীক্ষা ও অন্যান্য চিকিৎসাও করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে রিজিয়ন চেয়ারপারসন ও হেডকোয়ার্টার চেয়ারম্যান (প্রেস কমিটি) মোহাম্মদ শাহেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রথম ভাইস চেয়ারম্যান মুসলেহ উদ্দিন আহমেদ অপু, দ্বিতীয় ভাইস চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান লিটন, ক্যাবিনেট সেক্রেটারি বেলাল উদ্দিন চৌধুরী, ট্রেজারার ইমতিয়াজুল ইসলাম, ২৮তম বার্ষিক জেলা সম্মেলনের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, সেক্রেটারি সাব্বির আহমেদ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব র‍্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত র‍্যাফেল ড্র–এর বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, পাঠাগার সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আব্দুল্লাহ, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী ও আরিচ আহমেদ শাহসহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বিজয়ী মোট ৩০ জন সদস্যের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় করেছে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সদস্যগণ পেশাগত জীবনে র‍্যাফেল ড্র’তে পুরস্কারপ্রাপ্তি এবং অপ্রাপ্তি নিয়ে তাদের স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়।

সিভাসু’তে ‘দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে শীর্ষক ১০ দিনের প্রশিক্ষণ ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) ‘দ্গ্ধুজাত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক দশ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আজ মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। সিভাসু’র পোল্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিআরটিসি) এবং ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এবং সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্পের অর্থায়নে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় পিআরটিসি’র বোর্ড মিটিং কক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও নিবন্ধক মো. ইসমাইল হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, ঢাকার যুগ্ম সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সুব্রত কুমার সিকদার। এছাড়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ এবং বাংলাদেশ ডেইরি অ্যান্ড ফ্যাটেনিং ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সিভাসু’র সিন্ডিকেট সদস্য মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন। সভাপতিত্ব করেন পিআরটিসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

দশ দিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে দুধ থেকে দই, মিষ্টি, মাখন, ঘি, পনির, ছানা, লাবাং, বোরহানি, মাঠা ইত্যাদি তৈরির বিষয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সিভাসু’র ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রফেসর ড. মো: সাইফুল বারী ও ডা. উম্মে সালমা আমিন,

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ, সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন, জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, চট্টগ্রামের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ ওমর ফারুক, বিএসটিআই চট্টগ্রামের ফিল্ড অফিসার (সার্টিফিকেশন মার্কস উইং) প্রকৌ. মো: মাহফুজুর রহমান এবং ট্রেড গ্লোবাল লিমিটেড, ঢাকার সিনিয়র সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার মো: শরিফ হোসেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ব্রাহ্মনবাড়িয়া, কুতুবদিয়া ও চকরিয়া অঞ্চলের দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ প্রকল্পের ২৫ জন সমবায় সমিতির সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ