আজঃ বৃহস্পতিবার ২৫ জুন, ২০২৬

তথ্য প্রযুক্তির যুগে মাল্টিমিডিয়া গুরুত্ব অপরসীম।

বিনোদন প্রতিবেদক:

মাল্টিমিডিয়া ভার্সন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চিত্র নায়িকা রিনা খান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া ভার্সন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রধান অতিথির বক্তব্যে রিনা খান বলেন, বর্তমান সময়ে প্রিন্ট পেপারের পাশাপাশি মাল্টিমিডিয়ার গুরুত্ব অপরসীম। এখন মানুষ কোন ঘটনা ঘটার সাথে সাথে তাৎক্ষণিক জানার আগ্রহ সৃষ্টি হয়। মাল্টিমিডিয়াঢ সারা পৃথিবী ছড়িয়ে দেয়ার পর পরদিন প্রিন্ট পেপারে প্রকাশিত হচ্ছে। মানুষ একদিন অপেক্ষা করার মত সময় নেয় না অনেকে ধর্য্যও ধরে না।

ঘটনার আপডেট জানতে চান। বিগত ১৫ বছর ধরে গণমাধ্যমগুলোকে চাপে রাথা হয়েছিল হবে বলে তিনি বলেন, এখন সাংবাদিকরা যে কোন সংবাদ নির্ভয়ে প্রকাশ করার সাহস করছে। গণমাধ্যমগুলো পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করতেছে।জিসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অভিনেত্রী নাহিদ গুল নাহার ইভা বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, চট্টগ্রাম থেকে সম্পাদিত দৈনিক পত্রিকাগুলো সারা দেশের মানুষের কাছে খুব জনপ্রিয়।

চট্টগ্রাম জেলার আঞ্চলিক পত্রিকাগুলোর মান অনেক জাতীয় পত্রিকার চেয়ে ভালো। যেটা দেশের অন্য বিভাগীয় শহরের পত্রিকাগুলোর প্রকাশিত করার সাহস করে না।আমরা চট্টগ্রামের বসবাস না করলেও চট্টগ্রামের আলোড়ন সৃষ্টিকারী প্রতিবেদনগুলো আমরা নিয়মিত পড়ে থাকি।

জিসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক অভিনেতা খ ম জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ভালোবাসার টানে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে আসা হয়েছে। চট্টগ্রামে প্রতি আমাদের আলাদা একটা টান ও ভালোবাসা রয়েছে। কবির ছিদ্দিকী আমাদের ভালোবাসার ভালো লাগার একজন মানুষ।
দৈনিক সাঙ্গু ও দৈনিক চাম্পান সম্পাদক কবির হোসেন সিদ্দিকী বলেন, সবাই আমাক বলেন আমি কেন এতগুলো পেপার বের করতেছি। এর কারণ হলো আমি কোন ব্যবসা করতে পারি না বুঝি না। সাংবাদিকতা আমার পেশা ও নেশা। সাংবাদিকতার বাইরে কোন কিছু করার বিষয় আমার মাথায় আসে না।

সোমবার বিকাল সাড়ে ৫ টায় দৈনিক সাঙ্গু অফিসে সিনিয়র রিপোর্টার ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্য নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জিসাস কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, দৈনিক সাঙ্গু ব্যাবস্পনা সম্পাদক কামরুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি মোহাম্মদ নুর উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মউন উদ্দিন মিলন,

মার্কেটিং অফিসার এরশাদ হোসেন, স্টাফ রিপোর্টর জাহেদু ইসলাম, ফটো সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম। দৈনিক সাঙ্গু:র পক্ষ থেকে চট্টগ্রামে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বিশেষ অবদান রাখায় কৃতি সংগীত শিল্পীদের সম্মান স্মারক প্রদান করেন তারা হলেন বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারের সংগীত পরিচালক ও গীতিকার এবং সুরকার দীলিপ ভারতী, আঞ্চলিক গানের রানী গীতা আচার্য়্য, বেতার ও টিভি শিল্পী মৌ চৌধুরী, শিল্পী ও সংগীত পরিচালক সুকুমার দে,

সিনিয়র সংগীত শিল্পী ফরিদুল ইসলাম, চন্দনা চক্রবর্ত্তী, জিলাল উদ্দিন, লূপর্ণা মূৎর্সদ্দি লোপা, রুপনা দাশ, বেবী দাশ মজুমদার নুপূর, লক্ষী দত্ত রায়, সালাউদ্দিন কাদের মানিক, সুস্মীতা চৌধুরী, শাহীন রহমান, জুয়েল দ্বীপ, মৌ মনি, যন্ত্র শিল্পী শ্যামল দত্ত রায়, নাট্যকার সজল দাশ, সংস্কৃতি কর্মী মোস্তফা কামাল, মাসুদা রেক্সমা প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পানিতে পড়ে নিখোঁজ মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের লাশ উদ্ধার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তাহিরপুর উপজেলার বড়দল গ্রামের খাল ভাঙনে ঘর ধসে রুবেল মিয়া (৩০) নামে এক মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার প্রায় ৭ ঘণ্টা পর ভেঙে পড়া ঘরের নিচ থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।সোমবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার বড়দল পুরানহাটি এলাকার মাঝের খালে পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতের কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বড়দল পুরানহাটি এলাকার বাসিন্দা বশিরুল হকের ছেলে রুবেল মিয়া(৩০)দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। পরিবারের সদস্যরা তার নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তাকে ঘরের ভেতরে রশি দিয়ে সবসময় বেঁধে রাখতেন। সোমবার সকালে পাহাড়ি ঢলের পানি বড়দল মাঝের খাল দিয়ে প্রবল বেগে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানির প্রবল স্রোতে খালের পাড় ভেঙে গেলে পাশেই থাকা বশিরুল হকের ঘর খালে ধসে পড়ে। এ সময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা দ্রুত ঘর থেকে বের হতে সক্ষম হলেও রুবেল মিয়া বের হতে পারেননি। ঘরের একটি কুটিরের সঙ্গে বাঁধা থাকায় ঘরসহ তিনি পানিতে তলিয়ে যান।

ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। দীর্ঘ সময় অনুসন্ধানের পর বিকাল ৪টার পর দুর্ঘটনাস্থলে ভেঙে পড়া ঘরের কুটিরের নিচ থেকে রুবেল মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নেন। দীর্ঘ সময় অনুসন্ধানের পর নিখোঁজ রুবেল মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

মোঃ ইফতেকারুল আলম সায়েম উত্তর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন বুড়িশ্চর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান মোঃ ইফতেকারুল আলম সায়েম। তাঁর এই অর্জনে এলাকায় আনন্দ ও উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।দীর্ঘদিন ধরে ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসা ইফতেকারুল আলম সায়েম সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিয়ে নেতাকর্মীদের আস্থা অর্জন করেছেন। তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা, নিষ্ঠা ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তাঁকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করেছেন বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা মনে করেন।

তাঁর মূল্যানের খবরে বুড়িশ্চর ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও বেগবান করার পাশাপাশি তরুণ সমাজের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ