আজঃ শনিবার ২ মে, ২০২৬

তথ্য প্রযুক্তির যুগে মাল্টিমিডিয়া গুরুত্ব অপরসীম।

বিনোদন প্রতিবেদক:

মাল্টিমিডিয়া ভার্সন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চিত্র নায়িকা রিনা খান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের একটি দৈনিক পত্রিকার মাল্টিমিডিয়া ভার্সন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রধান অতিথির বক্তব্যে রিনা খান বলেন, বর্তমান সময়ে প্রিন্ট পেপারের পাশাপাশি মাল্টিমিডিয়ার গুরুত্ব অপরসীম। এখন মানুষ কোন ঘটনা ঘটার সাথে সাথে তাৎক্ষণিক জানার আগ্রহ সৃষ্টি হয়। মাল্টিমিডিয়াঢ সারা পৃথিবী ছড়িয়ে দেয়ার পর পরদিন প্রিন্ট পেপারে প্রকাশিত হচ্ছে। মানুষ একদিন অপেক্ষা করার মত সময় নেয় না অনেকে ধর্য্যও ধরে না।

ঘটনার আপডেট জানতে চান। বিগত ১৫ বছর ধরে গণমাধ্যমগুলোকে চাপে রাথা হয়েছিল হবে বলে তিনি বলেন, এখন সাংবাদিকরা যে কোন সংবাদ নির্ভয়ে প্রকাশ করার সাহস করছে। গণমাধ্যমগুলো পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করতেছে।জিসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অভিনেত্রী নাহিদ গুল নাহার ইভা বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, চট্টগ্রাম থেকে সম্পাদিত দৈনিক পত্রিকাগুলো সারা দেশের মানুষের কাছে খুব জনপ্রিয়।

চট্টগ্রাম জেলার আঞ্চলিক পত্রিকাগুলোর মান অনেক জাতীয় পত্রিকার চেয়ে ভালো। যেটা দেশের অন্য বিভাগীয় শহরের পত্রিকাগুলোর প্রকাশিত করার সাহস করে না।আমরা চট্টগ্রামের বসবাস না করলেও চট্টগ্রামের আলোড়ন সৃষ্টিকারী প্রতিবেদনগুলো আমরা নিয়মিত পড়ে থাকি।

জিসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক অভিনেতা খ ম জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ভালোবাসার টানে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে আসা হয়েছে। চট্টগ্রামে প্রতি আমাদের আলাদা একটা টান ও ভালোবাসা রয়েছে। কবির ছিদ্দিকী আমাদের ভালোবাসার ভালো লাগার একজন মানুষ।
দৈনিক সাঙ্গু ও দৈনিক চাম্পান সম্পাদক কবির হোসেন সিদ্দিকী বলেন, সবাই আমাক বলেন আমি কেন এতগুলো পেপার বের করতেছি। এর কারণ হলো আমি কোন ব্যবসা করতে পারি না বুঝি না। সাংবাদিকতা আমার পেশা ও নেশা। সাংবাদিকতার বাইরে কোন কিছু করার বিষয় আমার মাথায় আসে না।

সোমবার বিকাল সাড়ে ৫ টায় দৈনিক সাঙ্গু অফিসে সিনিয়র রিপোর্টার ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্য নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জিসাস কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, দৈনিক সাঙ্গু ব্যাবস্পনা সম্পাদক কামরুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি মোহাম্মদ নুর উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মউন উদ্দিন মিলন,

মার্কেটিং অফিসার এরশাদ হোসেন, স্টাফ রিপোর্টর জাহেদু ইসলাম, ফটো সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম। দৈনিক সাঙ্গু:র পক্ষ থেকে চট্টগ্রামে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বিশেষ অবদান রাখায় কৃতি সংগীত শিল্পীদের সম্মান স্মারক প্রদান করেন তারা হলেন বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারের সংগীত পরিচালক ও গীতিকার এবং সুরকার দীলিপ ভারতী, আঞ্চলিক গানের রানী গীতা আচার্য়্য, বেতার ও টিভি শিল্পী মৌ চৌধুরী, শিল্পী ও সংগীত পরিচালক সুকুমার দে,

সিনিয়র সংগীত শিল্পী ফরিদুল ইসলাম, চন্দনা চক্রবর্ত্তী, জিলাল উদ্দিন, লূপর্ণা মূৎর্সদ্দি লোপা, রুপনা দাশ, বেবী দাশ মজুমদার নুপূর, লক্ষী দত্ত রায়, সালাউদ্দিন কাদের মানিক, সুস্মীতা চৌধুরী, শাহীন রহমান, জুয়েল দ্বীপ, মৌ মনি, যন্ত্র শিল্পী শ্যামল দত্ত রায়, নাট্যকার সজল দাশ, সংস্কৃতি কর্মী মোস্তফা কামাল, মাসুদা রেক্সমা প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা না গেলে উন্নয়ন টেকসই হবে না।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও জীবনমান নিশ্চিত করা না গেলে উন্নয়ন টেকসই হবে না বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
তিনি বলেন, মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং তাদের ন্যায্য দাবি পূরণ না হলে মে দিবসের প্রকৃত তাৎপর্য বিলীন হয়ে যাবে।শিকাগো শহরে শ্রমিকরা তাদের রক্তের বিনিময়ে যে আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন, সেই চেতনা আজও আমাদের সামনে প্রাসঙ্গিক। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এখনো আমরা সব শ্রমিকের ন্যায্য দাবি পূরণ করতে পারিনি।

তিনি শুক্রবার (১ মে) দুপুরে নগরীর টাইগার পাস মোড়ে মহান মে দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম হালকা মোটরযান চালক শ্রমিক ইউনিয়নের শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
মেয়র বলেন, প্রতিটি সেক্টরেই শ্রমিকদের অবদান অনস্বীকার্য। রাস্তা নির্মাণ থেকে শুরু করে ভবন, নালা-নর্দমা পরিষ্কার, নগরকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ রাখার প্রতিটি কাজে শ্রমিকদের নিরলস পরিশ্রম রয়েছে। আজ আমরা যে উন্নত অবকাঠামো ও নগরজীবন উপভোগ করছি, তা শ্রমিকদের ঘাম ও শ্রমের ফল।

তিনি আরও বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবেও জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করেন। নগরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে আমরা দিন-রাত কাজ করছি। কোথাও পানি জমলে বা কোনো সমস্যা হলে দ্রুত সেখানে ছুটে যাই, যাতে মানুষের কষ্ট কমানো যায়।

রুট লেভেলের শ্রমিকদের গুরুত্ব তুলে ধরে মেয়র বলেন, তাদের ন্যায্য মজুরি ও জীবনমান নিশ্চিত করা না গেলে উন্নয়ন টেকসই হবে না। গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন বকেয়া থাকার বিষয়টিও উল্লেখ করে তিনি বলেন, শ্রমিকরা অনেক সময় বাধ্য হয়ে আন্দোলনে নামে, যা আমাদের জন্য দুঃখজনক।


চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে প্রায় ১২০০ অস্থায়ী শ্রমিককে স্থায়ী করার উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, এটি ছিল তাদের দীর্ঘদিনের দাবি। ঝুঁকি নিয়েই আমরা এটি বাস্তবায়ন করেছি, কারণ তারা দীর্ঘদিন অসহায় অবস্থায় ছিলেন।

এ সময় তিনি শ্রমিকবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। মেয়র বলেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য পাঁচটি আবাসন নির্মাণে ৩০৯ কোটি টাকা বরাদ্দ এবং সিটি কর্পোরেশনের জন্য ৬০ কোটি টাকার সরকারি অনুদান শ্রমিকদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া ঈদ উপলক্ষে শ্রমিকদের ৫ হাজার টাকা করে বোনাস প্রদানকেও তিনি প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।

বক্তব্যের শেষে মেয়র একটি হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই তার মজুরি পরিশোধ করতে হবে। তিনি বলেন, এই নীতিকে বাস্তবে প্রয়োগ করা গেলে শ্রমিকদের জীবনমান উন্নত হবে এবং তারা দেশের উন্নয়ন ও একটি সুন্দর চট্টগ্রাম গড়তে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।

চট্টগ্রাম হালকা মোটরযান চালক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হাজী মোহাম্মদ আবু ফয়েজের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আমির হোসেনের পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর চৌধুরী, রাজনীতিবিদ তোফাজ্জল হোসেন, মিল্টন ডেকোরেটারসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাজেদুল ইসলাম চৌধুরী, বাংলাদেশ মানবাধিকার ও পরিবেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এস এম সামশুল হক। বক্তব্য রাখেন মে দিবস উদযাপন কমিটির আহবায়ক শামসুল ইসলাম আরজু, সদস্য সচিব মো. সোলাইমান সুমন, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শাহ আলম ফিরোজী, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সংগঠনের নেতা কে এম শহীদুল্লাহ, কাজল ইসলাম, মাঈন উদ্দিন তাপস, সাইফুল ইসলাম শাহীন, মো. হাসান, মিজানুর রহমান, জসিম উদ্দিন, নজরুল ইসলাম, রাসেল হাওলাদার, ইয়াছিন মিয়াজি, মনির হোসেন, মো. সোহাগ, আবদুস সালাম, মো. শফি, জসিম উদ্দিন, দেলোয়ার হোসেন, কাজী গোলাম মোস্তফা, এম এ হাকিম, এস এম ফজলুল হক, ওয়াজেদ আলী ওমর, ইমাম হোসেন মাসুদ প্রমুখ।

শিক্ষা বিভাগে আগুনের ঘটনার পেছনে কারা জড়িত? দেখা যাক তদন্তে কি বেড়িয়ে আসছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শিক্ষা বিভাগে আগুনের ঘটনার পেছনে কারা জড়িত? দেখা যাক তদন্তে কি বেড়িয়ে আসছে।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ