আজঃ বৃহস্পতিবার ২৫ জুন, ২০২৬

নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে: চসিক মেয়র

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আধুনিক, নিরাপদ ও টেকসই করতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, যানজট নিরসন, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ভিত্তিতে নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে। মঙ্গলবার নগরীর ৩৭ নম্বর উত্তর মধ্য হালিশহর ওয়ার্ডে চৌচালা ও টিজি রোডের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় মেয়র জানান, উন্নয়ন কার্যক্রমের আওতায় ড্রেনসহ রাস্তা নির্মাণ, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং স্থায়ী অবকাঠামো উন্নয়ন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

উল্লেখ্য, চৌচালা রোডে ড্রেনসহ রাস্তা নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ কোটি ২৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। প্রকল্প শুরুর আগে ওয়ার্ডের ড্রেনেজ ব্যবস্থার ডিজিটাল সার্ভে করে উপযুক্ত আউটলেট নির্ধারণ করা হয়, যা জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।মেয়র বলেন, ডিজিটাল সার্ভের মাধ্যমে সঠিক পরিকল্পনা করে আমরা কাজ বাস্তবায়ন করছি। এর ফলে আল্লাহর রহমতে এই বছর এই ওয়ার্ডে কোনো জলাবদ্ধতা হয়নি। ইতোমধ্যে ১৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকার কাজ শেষ হয়েছে এবং ২৪ কোটি ২২ লাখ টাকার কাজ চলমান রয়েছে। অর্থাৎ মোট প্রায় ৪৩ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ এ ওয়ার্ডে সম্পন্ন ও চলমান রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, উন্নয়নকাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। দুর্নীতির কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। ঠিকাদাররা যেন মানসম্মত ইট, বালি ও সিমেন্ট ব্যবহার করেন, তা নিশ্চিতে এলাকাবাসীরও ভূমিকা প্রয়োজন। এই রাস্তা আপনাদের, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও টেকসই করে রাখতে হবে।
মেয়র হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “সিটি কর্পোরেশনের অনুমতি ছাড়া কেউ রাস্তা খুঁড়লে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় এই উন্নয়ন হচ্ছে—এটি যেন অপচয় না হয়, সেজন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মোহাইমিনুল ইসলাম, সাবেক কাউন্সিলর হাসান মুরাদ, হানিফ সওদাগরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পানিতে পড়ে নিখোঁজ মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের লাশ উদ্ধার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তাহিরপুর উপজেলার বড়দল গ্রামের খাল ভাঙনে ঘর ধসে রুবেল মিয়া (৩০) নামে এক মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার প্রায় ৭ ঘণ্টা পর ভেঙে পড়া ঘরের নিচ থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।সোমবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার বড়দল পুরানহাটি এলাকার মাঝের খালে পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতের কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বড়দল পুরানহাটি এলাকার বাসিন্দা বশিরুল হকের ছেলে রুবেল মিয়া(৩০)দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। পরিবারের সদস্যরা তার নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তাকে ঘরের ভেতরে রশি দিয়ে সবসময় বেঁধে রাখতেন। সোমবার সকালে পাহাড়ি ঢলের পানি বড়দল মাঝের খাল দিয়ে প্রবল বেগে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানির প্রবল স্রোতে খালের পাড় ভেঙে গেলে পাশেই থাকা বশিরুল হকের ঘর খালে ধসে পড়ে। এ সময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা দ্রুত ঘর থেকে বের হতে সক্ষম হলেও রুবেল মিয়া বের হতে পারেননি। ঘরের একটি কুটিরের সঙ্গে বাঁধা থাকায় ঘরসহ তিনি পানিতে তলিয়ে যান।

ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। দীর্ঘ সময় অনুসন্ধানের পর বিকাল ৪টার পর দুর্ঘটনাস্থলে ভেঙে পড়া ঘরের কুটিরের নিচ থেকে রুবেল মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নেন। দীর্ঘ সময় অনুসন্ধানের পর নিখোঁজ রুবেল মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

মোঃ ইফতেকারুল আলম সায়েম উত্তর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন বুড়িশ্চর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান মোঃ ইফতেকারুল আলম সায়েম। তাঁর এই অর্জনে এলাকায় আনন্দ ও উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।দীর্ঘদিন ধরে ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসা ইফতেকারুল আলম সায়েম সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিয়ে নেতাকর্মীদের আস্থা অর্জন করেছেন। তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা, নিষ্ঠা ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তাঁকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করেছেন বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা মনে করেন।

তাঁর মূল্যানের খবরে বুড়িশ্চর ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও বেগবান করার পাশাপাশি তরুণ সমাজের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ