আজঃ বুধবার ১৭ জুন, ২০২৬

বিভিন্ন ঝুঁকি মোকাবিলার শাহ আমানতে বিমানে বোমা উদ্ধারের মহড়া।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি এক্সারসাইজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠিত মহড়ায় বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক), বিমানবাহিনী, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, সিএমপি, বাংলাদেশ আনসার, বাংলাদেশ কাস্টমস, বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন পুলিশ, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল, বিমানবাহিনী মেডিকেল টিম, বিমানবন্দরের মেডিকেল টিম, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং অন্যান্য সংশ্লির সংস্থা একযোগে অংশ নেয়।

এ মহড়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল কোনো এয়ারক্রাফটে বোমা বা বোমা সদৃশ বস্তু পাওয়া গেলে যাত্রীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া এবং বোমা উদ্ধার প্রক্রিয়া অনুশীলন করা।আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, হাইজ্যাক, অগ্নি নিরাপত্তা ও বোমা হামলাসহ বিভিন্ন ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা মূল্যায়নে প্রতি দুই বছর অন্তর এমন মহড়ার আয়োজন করা হয়।
মহড়ার দৃশ্যে দেখা যায়, বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে একটি বার্তা আসে যে, একটি উড়োজাহাজে বোমা সদৃশ বস্তু রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট

সংস্থাগুলোকে জানানো হয় এবং দ্রুত প্রতিরোধ প্রক্রিয়া শুরু হয়। সংশ্লিষ্ট ইউনিট অল্পসময়ের মধ্যেই উড়োজাহাজ থেকে সন্দেহভাজন বস্তুটি শনাক্ত করে নিষ্ক্রিয় করে।
বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যের শুরুতেই মহড়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।তিনি উল্লেখ করেন, এভসেক সদস্যরা দীর্ঘদিন যাবৎ আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার নির্দেশনা অনুসরণ করে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিয়মিত মহড়া পরিচালনা করে আসছেন।

তার মতে, যথাযথ প্রস্তুতি ছাড়া কোনো কার্যক্রম কার্যকরভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়, আর তাই প্রশিক্ষণ ও নিয়মিত অনুশীলন অপরিহার্য।তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উচিত সময়োপযোগী মহড়ার মাধ্যমে নিজেদের প্রস্তুতি ও সক্ষমতা যাচাই করা। তারই নির্দেশনা হিসেবে আজকের এই মহড়ার আয়োজন।এ মহড়ায় দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় তিনি বিষয়টিকে অত্যন্ত ইতিবাচক বলে অভিহিত করেন। বিভিন্ন সংস্থার সম্মিলিত ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি সুচারুভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধান অতিথি অংশগ্রহণকারী সংস্থাগুলোর দক্ষতা ও প্রস্তুতির প্রশংসা করে বলেন, প্রত্যেকের পারফরম্যান্স ছিল অত্যন্ত সন্তোষজনক। তিনি জাতীয় স্বার্থে আরও দায়িত্বশীল ও আন্তরিকভাবে কাজ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।মহড়ায় উপস্থিত ছিলেন বেবিচক, বাংলাদেশ বিমানবাহিনী, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, স্থানীয় জেলাপ্রশাসন ও বিভিন্ন এয়ারলাইনস সহ মহড়ায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালীতে চার জনকে কারাদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীতে মদপান করে মাতলামির অভিযোগে ৪ জনকে জরিমানাসহ ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে উপজেলার ফুলতল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতেমা।

অভিযান চালিয়ে পূর্ব গোমদণ্ডী দাসপাড়ার মৃত সুবল বড়ুয়ার ছেলে মৃণাল বড়ুয়া (৪৭), মৃত আবুল কালামের ছেলে মো. ওসমাণ গণি (৪৭), কধুরখীল এলাকার মৃত লাল মিয়ার ছেলে ইনতাজুর রহমান (৩৫) এবং পূর্ব কালুরঘাট এলাকার মৃত আইয়ুব মিয়ার ছেলে মো. ইকবালকে (৩২) আটক করা হয়। অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ‘খ’ সার্কেলের সদস্যরা সহযোগিতা করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কানিজ ফাতেমা জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮–এর ৩৬(৫) ধারা অনুযায়ী চারটি পৃথক মামলায় প্রত্যেককে ৫০ টাকা করে মোট ২০০ টাকা জরিমানা এবং ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে নারীকে পুশ-ইনের চেষ্টা, বিজিবির তৎপরতায় ব্যর্থ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রোকনপুর সীমান্ত দিয়ে এক নারীকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বিরুদ্ধে। তবে বিজিবির তাৎক্ষণিক তৎপরতায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এ ঘটনায় পুশ-ইনে সহায়তার অভিযোগে সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রোকনপুর সীমান্ত এলাকায় এক নারীকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সোমবার রাত পৌনে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, রোকনপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ২২৫/৩-আর-এর বিপরীতে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের সদস্যরা স্থানীয় এক মাঝির সহায়তায় নৌকাযোগে ওই নারীকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করে। খবর পেয়ে বিজিবির টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং পুশ-ইনের প্রচেষ্টা প্রতিহত করে।

বিজিবি জানিয়েছে, ঘটনাকালে ওই নারী সীমান্তের শূন্যরেখা সংলগ্ন ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছিলেন। ফলে তাঁকে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে বিজিবি বলেছে, যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ বা পুশ-ইনের চেষ্টা ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে বাহিনীটি।

এদিকে পুশ-ইন প্রচেষ্টায় সহায়তার অভিযোগে সাতজনকে আটক করা হয়েছে। তাঁরা বর্তমানে গোমস্তাপুর থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে এবং এ বিষয়ে মামলা দায়ের করা হবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ