বিভিন্ন ঝুঁকি মোকাবিলার শাহ আমানতে বিমানে বোমা উদ্ধারের মহড়া।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি এক্সারসাইজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠিত মহড়ায় বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক), বিমানবাহিনী, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, সিএমপি, বাংলাদেশ আনসার, বাংলাদেশ কাস্টমস, বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন পুলিশ, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল, বিমানবাহিনী মেডিকেল টিম, বিমানবন্দরের মেডিকেল টিম, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং অন্যান্য সংশ্লির সংস্থা একযোগে অংশ নেয়।

এ মহড়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল কোনো এয়ারক্রাফটে বোমা বা বোমা সদৃশ বস্তু পাওয়া গেলে যাত্রীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া এবং বোমা উদ্ধার প্রক্রিয়া অনুশীলন করা।আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, হাইজ্যাক, অগ্নি নিরাপত্তা ও বোমা হামলাসহ বিভিন্ন ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা মূল্যায়নে প্রতি দুই বছর অন্তর এমন মহড়ার আয়োজন করা হয়।
মহড়ার দৃশ্যে দেখা যায়, বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে একটি বার্তা আসে যে, একটি উড়োজাহাজে বোমা সদৃশ বস্তু রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট

সংস্থাগুলোকে জানানো হয় এবং দ্রুত প্রতিরোধ প্রক্রিয়া শুরু হয়। সংশ্লিষ্ট ইউনিট অল্পসময়ের মধ্যেই উড়োজাহাজ থেকে সন্দেহভাজন বস্তুটি শনাক্ত করে নিষ্ক্রিয় করে।
বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যের শুরুতেই মহড়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।তিনি উল্লেখ করেন, এভসেক সদস্যরা দীর্ঘদিন যাবৎ আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার নির্দেশনা অনুসরণ করে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিয়মিত মহড়া পরিচালনা করে আসছেন।

তার মতে, যথাযথ প্রস্তুতি ছাড়া কোনো কার্যক্রম কার্যকরভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়, আর তাই প্রশিক্ষণ ও নিয়মিত অনুশীলন অপরিহার্য।তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উচিত সময়োপযোগী মহড়ার মাধ্যমে নিজেদের প্রস্তুতি ও সক্ষমতা যাচাই করা। তারই নির্দেশনা হিসেবে আজকের এই মহড়ার আয়োজন।এ মহড়ায় দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় তিনি বিষয়টিকে অত্যন্ত ইতিবাচক বলে অভিহিত করেন। বিভিন্ন সংস্থার সম্মিলিত ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি সুচারুভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধান অতিথি অংশগ্রহণকারী সংস্থাগুলোর দক্ষতা ও প্রস্তুতির প্রশংসা করে বলেন, প্রত্যেকের পারফরম্যান্স ছিল অত্যন্ত সন্তোষজনক। তিনি জাতীয় স্বার্থে আরও দায়িত্বশীল ও আন্তরিকভাবে কাজ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।মহড়ায় উপস্থিত ছিলেন বেবিচক, বাংলাদেশ বিমানবাহিনী, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, স্থানীয় জেলাপ্রশাসন ও বিভিন্ন এয়ারলাইনস সহ মহড়ায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জ্বালানি তেল মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা কাঁচাবাজার ও গণপরিবহনে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আবার দফায় দফায় বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। সবশেষ সোমবার থেকে কার্যকর হয়েছে ডিজেল- কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের নতুন দাম। লিটারে সব ধরনের তেলের দাম বেড়েছে ২০ টাকা করে। বছরের শুরু থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের প্রধান চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে প্রায় ৩২ থেকে ৩৬ শতাংশ। ফলে জ্বালানি তেলের ছোঁয়াচে চাপে পড়েছে নিন্মআয়ের মানুষ। জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় বর্তমান পরিস্থিতিতে দাম সমন্বয় করা ছাড়া সরকারের সামনে বিকল্প ছিল না। তবে এমূল্যবৃদ্ধির প্রভাব শুধু পরিবহন খাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। উৎপাদন, পরিবহন ও সরবরাহ ব্যয় বাড়ার মাধ্যমে তা ছড়িয়ে পড়তে পারে।

এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়বেন নিম্ন আয়ের মানুষ। তাই জ্বালানির দাম বাড়ানোর পাশাপাশি বাজারে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে বাজার নজরদারি বাড়ানো, সামাজিক সুরক্ষা জোরদার, উৎপাদনশীলতা বাড়ানো ও সরকারি ব্যয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণ জরুরি।বিশ্বব্যাংক ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, আন্তর্জাতিক বাজার থেকে বেশি দামে জ্বালানি কিনে দেশে কম দামে বিক্রি করে যাওয়ার মতো সরকারের আর্থিক সক্ষমতা নেই।

আবার দেশের বাজারে জ্বালানির দাম প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম থাকলে চোরাচালান ও কালোবাজারির মতো সমস্যা তৈরি হতে পারে। বিপিসিকে বড় অঙ্কের ভর্তুকি দেওয়ার সক্ষমতাও সরকারের নেই। ফলে জ্বালানির দাম সমন্বয় করা ছাড়া সরকারের সামনে খুব বেশি বিকল্প ছিল না। তবে জ্বালানির দাম বাড়ার সুযোগ নিয়ে অযৌক্তিকভাবে বেশি দামে পণ্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে কি না, সে বিষয়েও সরকারকে কঠোর নজরদারি করতে হবে।তিনি বলেন, জ্বালানির দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির ওপর কিছুটা প্রভাব পড়বেই। বিশেষ করে ডিজেলের দাম বাড়ার প্রভাব বেশি হতে পারে। কারণ ডিজেল বাস-ট্রাক, সেচ, উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত হয়। ফলে পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বাড়লে বিভিন্ন পণ্যের দামও বাড়তে পারে।

বোয়ালখালী আহলা শ্রীশ্রী জয়কালী বিগ্রহ মন্দির প্রাঙ্গনে খুঁটি পুজোর মধ্য দিয়েই শারদোৎসবের প্রস্তুতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী আহলা গ্রামে অবস্থিত শ্রীশ্রী জয়কালী বিগ্রহ মন্দির প্রাঙ্গনে দুর্গাপুজো ২০২৬-এর প্রস্তুতিতে জমজমাট হয়ে উঠল ধলঘাট-আহলা মিলন সংঘ। মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হল এ বছরের দুর্গাপুজোর খুঁটি পুজো। গত শুক্রবার সকাল ১১টায় শ্রীশ্রী জয়কালী বিগ্রহ মন্দির প্রাঙ্গনে খুঁটি পুজোর মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়ে গেল শারদোৎসবের প্রস্তুতি।

এ বছর ধলঘাট-আহলা মিলন সংঘের দুর্গাপুজো পা দিচ্ছে ৫৮তম বর্ষে। ফলে এবারের পুজোকে ঘিরে শুরু থেকেই রয়েছে বাড়তি উত্তেজনা।৫৮তম বর্ষকে স্মরণীয় করে তুলতে বিশেষ আয়োজনের এবারের ভাবনা-মনের মানুষ। ভাবনা ও সৃজনে- কাল্পনিক ইভেন্টস্, মাতৃরূপায়নে- শ্যামসুন্দর স্টুডিও ও আলোক সজ্জায়: এপেক্স লাইটিং।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ধলঘাট-আহলা মিলন সংঘের সাধারণ সম্পাদক সুমন দে ও শারদীয় দুর্গাপুজোর সাধারণ সম্পাদক নয়ন কান্তি দে, চিত্তরঞ্জন চৌধুরী, অনিমেষ বিশ্বাস (বাসু), সজল দে, তাপস চৌধুরী, স্বপ্নীল দে সৌরভ, উন্মেষ দে, আকাশ দে, শ্রীমন্ত দে, জয় দে, অর্ক দে, আদিত্য দে ও সকলের উপস্থিতিতে খুঁটি পুজোর অনুষ্ঠান ও ব্যানার উম্মোচনের মধ্য দিয়ে পরিণত হয় মিলনোৎসবে।

ধলঘাট-আহলা মিলন সংঘের পুজো কমিটি ২০২৬-এর সাধারণ সম্পাদক বলেন, “এ বছর আমাদের পুজোর ৫৮তম বর্ষ। তাই এবারের উদযাপনকে আমরা স্মরণীয় করে তুলতে চাই। পুজোর থিম প্যান্ডেল এবং দুর্গাপ্রতিমার দুটোই হবে বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। আমরা আশাবাদী, এবারের পুজো সকলের নজর কাড়বে।” শুধু উৎসব উদযাপন নয়, সম্প্রীতির বার্তাকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আনন্দ ও সম্প্রীতির পরিবেশে উৎসব পালনই তাঁদের মূল লক্ষ্য।

খুঁটি পুজোর সঙ্গে সঙ্গেই তাই শুরু হয়ে গেল ধলঘাট-আহলা মিলন সংঘের ৫৮তম বর্ষের দুর্গাপুজোর কাউন্টডাউন। থিম, প্রতিমা এবং সামাজিক উদ্যোগ সব মিলিয়ে এ বছরের পুজোকে ঘিরে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে প্রত্যাশা। এখন অপেক্ষা শরতের, যখন আলো, মন্ডপ আর উৎসবের আবহে আরও একবার সেজে ধলঘাট-আহলা মিলন সংঘের শ্রী শ্রী জয়কালী বিগ্রহ মন্দির।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ