আজঃ সোমবার ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

রাঙ্গুনিয়ায় শহীদ জিয়ার মাজারে বাদশার নেতৃত্বে যুবদলের পুস্পস্তবক অর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের পক্ষে থেকে রাঙ্গুনিয়া শহীদ জিয়ার প্রথম সমাধিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশার নেতৃত্বে এই পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

এতে শহীদ জিয়াউর রহমান ও মরহুম আরাফাত রহমান কোকো এবং ২৪ এর জুলাই আন্দোলনে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পাশাপাশি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শারীরিক সুস্থতা, দীর্ঘায়ু ও রোগমুক্তি কামনা করে দোয়া করা হয়।

এসময় এমদাদুল হক বাদশা বলেন, শহীদ জিয়া ছিলেন একজন ক্ষণজন্মা পুরুষ। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর ঐতিহাসিক স্বাধীনতার ঘোষণা এবং সম্মুখ সমরে তাঁর বীরোচিত অংশগ্রহণ জাতিকে স্বাধীনতা অর্জনে অনুপ্রাণিত করেছিল। পঁচাত্তর পরবর্তী এক ক্রান্তিকালে যখন জাতি দিশেহারা, ঠিক তখনই তিনি দেশের হাল ধরেছিলেন। তিনি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত বিএনপি আজ দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল। তাঁর শাসনামলে দেশে অর্থনৈতিক মুক্তি, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তিনি খাল কাটা কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষি বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। পোশাক শিল্পকে বিকশিত করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করেছিলেন।

এতে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, সাবেক সমবায় সম্পাদক মো. ইদ্রিস সবুজ, কোতোয়ালী থানা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব মো. হাসান, বাকলিয়া থানা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন লেদু, সদস্য সচিব, হাজী মোহাম্মদ মুসা, চকবাজার থানা যুবদলের সাবেক সি. যুগ্ম আহবায়ক মো. সোহেল, যুবদল নেতা জাকির হোসেন, মো. শমসের, সাদ্দামুল হক সাদ্দাম, মো. সাইফুল, মো. রায়হান, আবুল হোসেন, মো. শহীদ, মো. জাহেদ, মো. সাজু, মো. শরীফ, মো. টিপু, মো. আলাউদ্দিন, মো. রাশেদ, মো. হামিদ, মো. সুমন, গোলাম হাক্কানী, মো. আরাফত প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের কারচুরি ও নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সদ্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের কারচুরি ও নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেন চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী-বায়েজিদ) আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা নাছির উদ্দীন মুনির। তবে অভিযোগপত্র পাঠ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তর পর্বে একের পর এক প্রশ্নের জবাব দিতে না পেরে শেষ পর্যন্ত দ্রুত সংবাদ সম্মেলন শেষ করে বেরিয়ে যান তিনি।

১৫ ফেব্রুয়ারি সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ভবনের এস রহমান হলে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এর আগে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৭টায় দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে ভোট গ্রহণ শুরু হয়।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে মাওলানা নাছির উদ্দীন মুনির বলেন, ভোট গ্রহণ সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঠিকঠাক চলছিল। তবে দুপুরের পর কারচুপি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। কিন্তু এবিষয়ে তিনি ওইদিন অভিযোগের প্রমাণপত্র দেখাতে পারেননি তিনি।

ভোটের কারচুরি ও অনিয়ম নিয়ে থানায় বা আদালতে কোনো প্রতিকার চেয়েছেন কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে প্রার্থী বলেন, এখনও পর্যন্ত থানায় কিংবা আদালতে অভিযোগ করা হয়নি। দলীয় সিদ্ধান্তের পর অভিযোগ করা হবে।

১৪৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ক্যান্টনমেন্টের দুটি কেন্দ্র ছাড়া বাকি প্রায় সব কেন্দ্রে তিনি হেরে গেছেন। এমনকি নিজের কেন্দ্র চারিয়াতেও তিনি পরাজিত হয়েছেন। এ অবস্থায় এত ব্যাপক ব্যবধানে পরাজয়ের পর ভোট কারচুপির অভিযোগ কতটা যুক্তিযুক্ত, এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

এছাড়া, ভোটের দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে সরব ছিল। কেন্দ্রে কোথাও অনিয়ম হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা। তাহলে ভোটের দিন আপনি কোনো অভিযোগ না করে তিন দিন পর সংবাদ সম্মেলনে এসে কেন অভিযোগ তুলছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোনো উত্তর দিতে পারেননি।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকরা তার বিরুদ্ধে চার থেকে পাঁচটি চেক প্রতারণা মামলার অভিযোগের বিষয়টি তুলে ধরেন। জবাবে প্রার্থী বলেন, এসব অভিযোগ মিথ্যা। তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, চেক প্রতারণার বিষয়ে কাগজ দেখান আমাকে, কে এই তথ্য দিয়েছে তা জানান। এরপর উপস্থিত সাংবাদিকরা বলেন, সোর্সের নাম প্রকাশ করতে তারা বাধ্য নন।

মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগের দিনই তাকে জমিয়ত উলামায়ে ইসলাম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। এরপর তিনি খেলাফত আন্দোলনের ‘রিকশা’ প্রতীকে প্রচারণা চালান। পাশাপাশি হেফাজতের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার কারণে হেফাজত অধ্যুষিত এলাকায় ওই সংগঠন তার পক্ষে মাঠে নামেনি, এমন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নির্বাচনের একদিন আগে বিএনপি নেতা সালাহ উদ্দিনের নেতৃত্বে তার লোকজনকে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছিল। ফলে তার কর্মীরা মাঠে কাজ করতে পারেনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ ওঠে, তিনি ব্যারিস্টার আনিসের টাকায় নির্বাচন করেছেন। আলোচনায় থাকার উদ্দেশ্যে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত চরিত্র নিয়েও স্থানীয় পর্যায়ে নানা অভিযোগ আছে বলে প্রশ্ন করা হলে এসব প্রশ্নের জবাব না দিয়েই এক পর্যায়ে দ্রুত সংবাদ সম্মেলন শেষ করে সেখান থেকে চলে যান মাওলানা নাছির উদ্দীন মুনির।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতের চট্টগ্রাম উত্তর জেলার শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য রফিকুল ইসলাম, এনসিপির নেতা কে আই সাগর, আনোয়ার হোসাইন রব্বানী, মাওলানা মো. ঈসা ও মুফতি সিহাবুদ্দিন সহ অনেকে।

ঢাকায় বিক্ষোভের ডাক দিলো জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকায় আগামীকাল সোমবার ১৬ ফেব্রুয়ারি বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট।রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করার পর এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন ১১ দলীয় জোটের নেতারা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপি এবং নির্বাচন পরবর্তী বিভিন্ন সহিংসতার অভিযোগ নিয়ে এদিন নির্বাচন কমিশন ভবনে উপস্থিত হয়েছিলেন তারা।

এদিন বেলা ১২টার দিকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ ও এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনে ওই বৈঠক হয়।বৈঠক শেষে হামিদুর রহমান আযাদ সাংবাদিকদের বলেন নির্বাচনের পর জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলের নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে হামলা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে। এসব হামলার প্রতিবাদে সোমবার ঢাকার বায়তুল মোকাররম থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করবে ১১ দলীয় জোট।

৩০ আসনে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ নিয়ে ইসিতে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারানজামায়াতে ইসলামীর এ নেতা অভিযোগ করেন, কালো টাকার ব্যবহারসহ ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে। লক্ষ্য করা গেছে, কোনো কোনো কেন্দ্রে কর্তব্যরত কর্মকর্তারা নিজে সিল মেরেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আবার ভোটগ্রহণে বাধা দেওয়া হয়েছে, ভীতি ছড়ানো হয়েছে। এসব কারণে ভোট কাস্টিং কম হয়েছে। আমরা যারা একসঙ্গে নির্বাচন করেছি, তাদের পক্ষ থেকে বারবার কমিশনকেও বলা হয়েছে, স্থানীয়ভাবেও বলা হয়েছে। কিন্তু এর কোনো পদক্ষেপ আমরা সন্তোষজনকভাবে পাই নাই।

তিনি অভিযোগে আরও বলেন -কিছু কিছু কেন্দ্রে অস্বাভাবিক ভোট কাস্টিং হয়েছে। এখানে অতিরিক্ত ব্যালট ব্যবহার হয়েছে। সবমিলে নির্বাচন প্রক্রিয়া ভালো ছিল না। ভোটগণনার সময় এজেন্টদের ফোর্স করে বের করা হয়েছে। ভোটের রেজাল্ট শিট ঘষামাজা করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে তার বাসায় ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে তার বাসায় যান।এ সময় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।

রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে জামায়াত আমিরের বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসায় পৌঁছান তিনি। এ সময় তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।বাসায় জামায়াতের নায়েবে আমির ড. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের উপস্থিত রয়েছেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ