আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

চামড়ার দরপতনে ম্লান ঈদের বাজার, হতাশ মৌসুমি ব্যবসায়ীরা।

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) —সফিকুল ইসলাম, শিল্পী:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌর শহরের মডেল স্কুলসংলগ্ন পাকা সড়কে ঈদুল আজহার শুভসংকেত হিসেবে গড়ে ওঠা অস্থায়ী চামড়ার বাজারে পরিণত হয়েছে হতাশা ও হামালের আবাসে। খাসির চামড়া চাইতে না পেয়ে অনেক ব্যবসায়ী তা বিক্রি না করে আবার বাসায় নিয়ে ফিরছেন, কেউ কেউ কথা দিচ্ছেন—“ফেলে দেব গর্ত করে।”

স্থানীয় মৌসুমি ব্যবসায়ীদের বরাতে জানা গেছে, খাসির চামড়ার মূল্য দাঁড়িয়েছে মাত্র ১০ টাকা। গরুর চামড়া বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ৩০০–৬০০ টাকা দরে; আবার ছোট গরু চামড়া ১০০ টাকায়, ছাগলের চামড়া ৩০ টাকায়ও বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন। অথচ সরকারের নির্ধারিত খাসির চামড়ার মোলামোটা গত কয়েক বছর ধরে প্রতি বর্গফুট ২২–২৭ টাকা, গরু চামড়া ১১৫০ টাকা, বকরির চামড়া ২০–২২ টাকা রয়েছে। কেন্দ্রীয় বাজারের সঙ্গে মিল পায়নি রাণীশংকৈলের মূল্যমান।

বাজারে ক্রেতার অভাব বুঝিয়ে দিয়েছেন প্রবীণ রফিকুল ইসলাম:
“আগে কোরবানির পর এই চামড়া দিয়েই দুই-তিন দিনের খরচ উঠতো, এখন কেউ নিতে চায় না।”

মৌসুমি ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে মধ্যস্বত্বভোগী সিন্ডিকেট; স্থানীয় সংরক্ষণ ব্যবস্থা নেই; কেন্দ্রীয় বাজারে চাহিদার অভাবেরও প্রভাব পড়েছে। এই নিম্নমূল্যে চামড়া বিক্রি করে বিনিময়ে যেটুকু সাধারণ মানুষ পেয়েছেন, তাও হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে—সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন দরিদ্র ও অসচ্ছল পরিবারগুলো।

চামড়ার অস্বাভাবিক দরপতন ঈদের আনন্দকেই ভাসিয়ে দিয়েছে হতাশার স্রোতে; মৌসুমি ব্যবসায়ীরা বলছেন, “ঈদে হাসি আনবে বলে বসেছিলাম, এখন দেখি মুখেই হাসি নেই।” স্থানীয় প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান তারা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ