আজঃ শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ঢাকার পর চট্টগ্রামেও ৩ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: ঢাকার পর চট্টগ্রামেও নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। গত দুইদিনে মোট তিনজনের শরীরে করোনার জীবাণু পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে দুইজন নারী ও একজন পুরুষ। চলতি বছর চট্টগ্রামে এটি প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের ঘটনা। তবে তারা করোনার কোন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত তা এখনো পর্যন্ত নিশ্চিত করতে পারেনি সিভিল সার্জন কর্তৃপক্ষ।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, সোমবার (৯ জুন) চট্টগ্রামের মা ও শিশু হাসপাতালে ২৩ জনের করোনা পরীক্ষা করে দুইজনের শরীরে এর জীবাণু পাওয়া গেছে। এরমধ্যে একজন পুরুষ ও একজন নারী।
তাদের একজনের বয়স ৭৫ বছর ও অন্যজনের ৫৫ বছর।

মঙ্গলবার চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ৪৪ জনের পরীক্ষা শেষে ৩০ বছর বয়সী এক মহিলার শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত তিনজনই শহরের বাসিন্দা। নতুন করে করোনারোগী শনাক্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

তিনি বলেন, আক্রান্ত তিন জনের মধ্যে গতকাল দুইজনের করোনা শনাক্ত হয় এবং আজ মহিলার করোনা শনাক্ত হয়েছে। তিনজনই মোটামুটি ভালো আছেন। তারা আমাদের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। এরমধ্যে দুইজন বাড়ি ফিরে গেছেন।

তিনি আরও বলেন, নতুন করে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে আমাদের সব রকমের প্রস্তুতি রয়েছে। কিটের ঘাটতি থাকলেও আশা করছি শনিবারের মধ্যে পেয়ে যাবো। এছাড়াও আমাদের ৮০ হাজারের মতো করোনা টিকা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে— বাংলাদেশে কোভিড-১৯ এর নতুন ধরন ছড়াচ্ছে। ভারতের এনবি ১.৮.১ নামের নতুন ধরনটিও ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) গত ২৩ মে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এনবি ১.৮.১ ধরনটির সংক্রমণের হার তুলনামূলক বেশি এবং এটি দ্রুত ছড়াচ্ছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও নির্বাচনের দায়িত্বে সকল কর্মকর্তা বিভিন্ন কেন্দ্র ও সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


আজ ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা চট্টগ্রামের বাঁশখালী, লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, পটিয়াসহ বিভিন্ন উপজেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণের সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন এবং ভোটারদের সাথে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি ভোটগ্রহণের উৎসবমুখর পরিবেশ ও ব্যাপক ভোটার উপস্থিতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন, পুলিশ সুপার, চট্টগ্রাম; জনাব মো: শরীফ উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক), চট্টগ্রাম; জনাব সাখাওয়াত জামিল সৈকত, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), চট্টগ্রাম জনাব মোস্তাক আহমেদ, জেলা কমান্ড্যান্ট,আনসার ও ভিডিপি চট্টগ্রাম; মোহাম্মদ বশির আহমেদ, সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার ও চট্টগ্রাম জেলা ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিমের সদস্যবৃন্দ।

চট্টগ্রামের চার জেলায় ২০টি সংসদীয় আসনে র‌্যাবের ৫০টি টহল দল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে চট্টগ্রামে নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে র‌্যাব-৭ বিশেষ টহল, চেকপোস্ট স্থাপন এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে র‌্যাব।

বুধবার সকালে নগরের এনায়েত বাজার মহিলা কলেজ কেন্দ্রে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সার্বিক নিরাপত্তা ও টহল কার্যক্রম জোরদারের বিষয়ে র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো.হাফিজুর রহমান ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, র‌্যাব-৭ এর আওতাধীন চার জেলায় ২০টি সংসদীয় আসনে মোট ৫০টি টহল দল মোতায়েন রয়েছে।পাশাপাশি একটি ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট দায়িত্ব পালন করছে। এ কার্যক্রম ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতা বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে শহর ও উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে জানিয়ে মো.হাফিজুর রহমান বলেন, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্যান্য ইউনিটের সঙ্গে সমন্বয় করে যৌথ টহলও পরিচালিত হচ্ছে।

চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর মিলিয়ে ১৬টি সংসদীয় আসন রয়েছে, যেগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় নিয়ে ৪০টি টহল দল কাজ করছে। ভোটাররা যেন ভীতি ছাড়াই কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেজন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো.হাফিজুর রহমান বলেন, যেকোনো ধরনের সহিংসতা বা নাশকতার বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন ও গণভোট সম্পন্ন করতে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছি।

আলোচিত খবর

নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ৮ লাখ। কর্মকর্তা- ইসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিশাল এক কর্মীবাহিনী মাঠে নামিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের কর্মযজ্ঞ সফল করতে সারা দেশে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা সরাসরি নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশাল তালিকায় প্রিজাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার পর্যন্ত সর্বমোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন দক্ষ কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।  

নির্বাচন পরিচালনার ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৫৯৮ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার। মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে প্রায় ৯ লাখ পোস্টাল ব্যালট প্রতিটি কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব সামলাবেন একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, সেই হিসেবে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার এখন কেন্দ্রগুলোতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়াও ভোটকক্ষগুলোতে দায়িত্ব পালনের জন্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং অফিসারকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ