আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

মাঠের রাজনীতিবিদরা কখনো নেতাকর্মীদের মন থেকে হারিয়ে যায়না: ডাঃ শাহাদাত।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্যাগী এবং মাঠের রাজনীতিবিদরা কখনো নেতাকর্মীদের মন থেকে হারিয়ে যায়না বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডাক্তার শাহাদাত হোসেন।

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে উত্তর সাতকানিয়া বিএনপি নেতা শফিকুল ইসলাম রাহী’র আয়োজনে এক অনাড়ম্বর পরিবেশে বিএনপির ঈদ পুনর্মিলনী, দোয়া মাহফিল ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠপুত্র, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় ১০জুন (মঙ্গলবার) সকাল ১০টায় সাতকানিয়া উপজেলার খাগরিয়া ইউনিয়নের নুরু মার্কেট সংলগ্ন রাহী ভিলেজে শফিকুল ইসলাম রাহী’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডাঃশাহাদাত হোসেন বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান ,চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এনামুল হক এনাম ,চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব লেয়াকত আলী চেয়ারম্যান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন বিএনপি নেতা নাছির উদ্দীন ও শামসুল ইসলাম বাবলু মেম্বার।

চসিকের মেয়র ডা শাহাদাত হোসেন আরও বলেন,বিএনপিকে নিয়ে সবসময় যে ষড়যন্ত্র হয়েছে তা আর কোনো দলকে নিয়ে হয়নি। এত ষড়যন্ত্র, দমন, নিপিড়ন নির্যাতন চালানোর পরেও নেতাকর্মীদের রেখে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কখনও পালিয়ে যায়নি। কিন্তু আওয়ামীলীগের নেত্রী সবসময় নেতকর্মীদের রেখে দিল্লিতে পালিয়ে গেছে। তিনি আরো বলেন, নির্বাচন যদি সুষ্ঠু, সুন্দর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় হয়, মানুষ যদি ভোট দিতে পারে তাহলে বিএনপি আবারো ক্ষমতায় আসবে। বিএনপি সরকার গঠন করলে দল-মত ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সাথে নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করবে।

তিনি বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য বলেন, বাংলাদেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র থেমে নেই। গত ১৬টি বছর ফ্যাসিস্ট সরকার কর্তৃক নির্মম অত্যাচার, নির্যাতন, জেল জুলুমের পরেও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে যে ঐক্য ছিল ঠিক তেমনি এ দেশকে রক্ষা করতে বিএনপির সমস্ত নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান।

তিনি আরো বলেন, সুবিধাবাদীরা সবসময় ছিল আছে এবং থাকবে। সুবিধাভোগীদের বিরুদ্ধে ত্যাগী নেতাকর্মীদের মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হবে। এই শিক্ষাই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দিয়েছেন। তিনি দুর্নীতি, গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মৌলিক অধিকার মানবাধিকার ও ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ