আজঃ শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

সরকার ১৮ কোটি ভোক্তার স্বার্থ সুরক্ষার প্রচেষ্টায় অব্যাহত রেখেছে।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (গ্রেড-১), আলীম আখতার খান বলেছেন, সরকার সীমিত সামর্থ ও লজিস্টিক দিয়ে দেশের ১৮ কোটি ভোক্তার স্বার্থ সুরক্ষায় প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। তারপরও নানা আইনগত জঠিলতার কারণে দেশের মানুষের আশা আকাংখার প্রতিফলন ঘটানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে ব্যবসায়ীরা যদি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হন, সাধারণ ভোক্তারা যদি আইন জেনে নিজেরা তাদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হন তাহলে ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব।

তবে ভোক্তা সংরক্ষন আইন ২০০৯ সালে প্রণীত হয়েছে। সেসময়ে অনেক বিষয়কে আমলে নিয়ে আইনটি প্রণীত হলেও কালের পরিবর্তনের সাথে খাপখাওয়ানোর জন্য আইনকে যুগোযোগী করা হচ্ছে। আইনটি সংশোধনের জন্য ইতিমধ্যিই কমিটি গঠন করা হয়েছে। দ্রুত সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। প্রশাসনিক জঠিলতায় অধিদপ্তরের লোকবল নিয়োগে বিলম্বের কারণে ২৪টি জেলায় কর্মকর্তার পদ শুণ্য আছে। যার কারনে ঐ জেলায় ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা ব্যাহত হচ্ছে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয় এর উদ্যোগে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় এর সহযোগিতায় সার্কিট হাউজ, চট্টগ্রাম এর সম্মেলন কক্ষে “ভোক্তা স্বার্থ রক্ষায় চ্যালেঞ্জ ও করণীয়” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো: জিয়াউদ্দীনের সভাপতিত্বে সেমিনারে আলোচক ছিলেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম ও ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক ফয়েজউল্যার স্বাগত বক্তব্যে সেমিনারে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের সহকারী অধ্যাপক সাইদ আহসান খালিদ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

আলোচনায় অংশনেন সিএমপি অতিরিক্ত কমিশনার মাহমুদা বেগম, জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আলমগীর, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা ফারহানুল ইসলাম, সিভিল সার্জন অফিসের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা থোয়াইনু মং মার্মা, চট্টগ্রাম উইমেন চেম্বারের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আইভি হাসান, ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, কাজীর দেউরী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবদুর রাজ্জাক, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি সালেহ আহমদ সোলেমান, চট্টগ্রাম রেস্তোরা মালিক

সমিতির সভাপতি ইলিয়াছ আহমদ, বারকোট রেস্টোরেস্ট এর স্বত্ত্বাধিকারী মনজুরুল হক, বনফুলের জেনারেল ম্যানেজার আনামুল হক, ফুলকপির জেনারেল ম্যানেজার আবদুর সবুর, ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ন সম্পাদক মোঃ সেলিম জাহাঙ্গীর, চট্টগ্রাম ড্রিংকিং ওয়াটার ম্যানুফেকচার ওয়ানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফয়সল আবদুল্লাহ আদনান, ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস, যুব ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি আবু হানিফ নোমান, যুব ক্যাব চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি রাব্বি তৌহিদ ও সাধারন সম্পাদক খাইরুল ইসলাম প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো: জিয়াউদ্দীন বলেন, একটি সমাজ পুরোপুরি পুরিশুদ্ধ হতে হলে সকল পর্যায়ের মানুষের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। না হলে সমাজে বৈষম্য প্রকট আকার ধারণ করবে। আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় এখনো মুষ্ঠিমেয় অসাধু লোকের প্রভাব বলয় থেকে সমাজ ও পরিবেশ মুক্ত নয়। তারা সমাজকে কলুষিত করে, সেখানে আইনের শাসন ও প্রথা সেভাবে কার্যকর নয়।

তাই ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা দিতে হলে সকলকে একযোগে কাজ করার বিকল্প নাই। কারণ যিনি একটি পণ্যের ব্যবসায়ী, তিনি আরও দশটি পণ্যের ক্রেতা। সেকারণে সে যদি একটি পণ্য বিক্রি করে মানুষকে প্রতারিত করে থাকেন। তাহলে আরও দশটি পণ্য কিনে ঠকতে হচ্ছে। এটি কোনভাবেই একটি সভ্য সমাজে চলতে দেয়া যায় না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, জেলা প্রশাসন ভোক্তা অধিকার সুরক্ষায় যাবতীয় কর্মকান্ডে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তবে বানিজ্যিক হাব হিসাবে যেভাবে বিষয়টির প্রতিগুরুত্ব প্রদান করা দরকার প্রয়োজনীয় লোকবলের অভাবে সেভাবে করা না গেলেও জেলা প্রশাসনের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।

ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন বলেন, আইনের দুর্বলতার পাশাপাশি সাধারন ভোক্তাদেরকে সচেতন করতে সরকারী-বেসরকারী উদ্যোগের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে সরকারকে ব্যবসায়ী তোষণনীতির পরিবর্তে ব্যবসা বান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার আহবান জানান। ব্যবসায়ীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ টিভি ও পত্রিকায় একতরফা বিজ্ঞাপন দিয়ে পণ্য বিক্রি করলেও ভোক্তারা প্রতারিত হচ্ছেন। যার কারণে দেশে ন্যায্য ব্যবসা বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। অসাধু ব্যবসায়ীদের পৃষ্টপোষকতা প্রদানে রাজনৈতিক দল ও সরকারকে সতর্ক হবার আহবান জানিয়ে দেশের স্বার্থে সাধারণ মানুষের বিষয়গুলোর প্রতি আরও যত্নবানে হবার অনুরোধ করেন।

মুল প্রবন্ধে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের সহকারী অধ্যাপক সাইদ আহসান খালিদ ভোক্তা সংরক্ষন আইন, নিরাপদ খাদ্য আইন ও ওষুধ ও কসমেটিক আইনে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ বিশেষ করে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি সরাসরি আদালতে মামলা করতে বাধার বিষয়টি দূর করা দরকার। এছাড়াও আইন প্রয়োগে অধিকাংশ জায়গায় শিথিলতার কারণে মানুষ আইন না মানার সংস্কৃত বন্ধে জোর দেন। একই সাথে আইন ও অধিকার সম্পর্কে জনগনকে সচেতন করার ওপর গুরুত্বরোপ করেন।

এছাড়াও ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যকার বিরোধ নিস্পত্তিতে শালিসী কার্যক্রম জোরদার, পণ্যের মান পরীক্ষায় সুযোগ সুবিধা ও জনবল বাড়ানোর সুপারিশ করেন। সেমিনারে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন স্তরের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, ছাত্র প্রতিনিধি, ক্যাব চট্টগ্রাম এর প্রতিনিধিসহ সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশনেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গণভোটে সাত আসনে জিতেছে ‘না’ ভোট।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গতকাল সারাদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। গণভোটে সারাদেশের মোট সাতটি আসনে ‘না’ ভোট জয়ী হয়েছে।
সাতটি আসনের মধ্যে তিনটি গোপালগঞ্জ জেলার। বাকি আসনগুলো হলো- বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম-১৩। তবে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের ফলাফল শিট থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসি জানিয়েছে, বান্দরবানে ৩ লাখ ১৫ হাজার ৪২২ জন ভোটারের মধ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৭১ হাজার ৪১৭টি। ‘না’ ভোট পড়েছে ৯০ হাজার ১৫৬টি।
চট্টগ্রাম-১৩ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৯৫ হাজার ২৪৬ জন ভোটারের মধ্যে ৮০ হাজার ৫৮০টি হ্যাঁ ভোটের বিপরীতে ‘না’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২৪ হাজার ৬২৯টি।
রাঙামাটিতে ‘না’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮০৫টি এবং ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৭১ হাজার ৬৯৯টি। সেখানে মোট ভোটার ৫ লাখ ৯ হাজার ২৬৭ জন।
এছাড়া খাগড়াছড়িতে ৫ লাখ ৫৪ হাজার ১১৩ জন ভোটারের মধ্যে ‘হ্যাঁ’-তে ভোট পড়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৫৫টি এবং ‘না’-তে ভোট পড়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৯৪২টি।এদিকে, গোপালগঞ্জ জেলার তিনটি আসনে ‘না’ ভোট জয়ী হয়েছে। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায় গোপালগঞ্জ-১ আসনে ‘না’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ২৯৮টি। পক্ষান্তরে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৫৪ হাজার ৭১৬টি।গোপালগঞ্জ-২ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৩৪ হাজার ৩০১টি, ‘না’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ২৯০টি।
গোপালগঞ্জ-৩ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৩৩ হাজার ৪৯৮টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৯৩ হাজার ৩৬৮টি

চট্টগ্রামে মুসাফিরখানা মসজিদ শপিং কমপ্লেক্স বন্ধ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর নন্দনকাননস্থ মুসাফিরখানা মসজিদ শপিং কমপ্লেক্স সারকারী হিসেবে দুইদিন বন্ধ দেয়ার নিয়ম থাকলেও একদিন বন্ধের নোটিশ দেয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে। চট্টগ্রাম বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবসায়ী গ্রুপের একদিন বন্ধের নোটিশ সাঁটানোর পর থেকে শ্রমিক কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তবে বৈদ্যুতিক দোকান কর্মচারী ইউনিয়ন নোটিশে দুইদিন বন্ধ ঘোষণা করেছে। এদিকে একদিন বন্ধের বিষয়ে চট্টগ্রাম বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবসায়ী গ্রুপের সভাপতি মোঃ আবছার হাসান চৌধুরী (জসিম)’র কাছে জানতে চাইলে তিনি ফোন ধরেননি।
জানা গেছে, গত ৯ ফেব্রুয়ারী মার্কেটটি বন্ধের বিষয়ে চট্টগ্রাম বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবসায়ী গ্রুপের নোটিশ সাাঁটানো হয়।সভাপতি মোঃ আবছার হাসান চৌধুরী (জসিম) ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহ আলম মজুমদার স্বাক্ষরিত

ওই নোটিশে উল্লেখ রয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী রোজ বৃহস্পতিবার “আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬” অনুষ্ঠিত হবে। “আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট- ২০২৬” উপলক্ষ্যে সরকারী গেজেট বন্ধ থাকায় আগামী ১২/০২/২০২৬ বৃহস্পতিবার সকল বৈদ্যুতিক দোকান ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সমুহ বন্ধ থাকবে। অতএব, আপনাদের স্ব স্ব দোকান ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সমুহ বন্ধ রেখে

“আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬” এ সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সকলকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।অন্যদিকে বৈদ্যুতিক দোকান কর্মচারী ইউনিয়ন তাদের নোটিশে দুইদিন বন্ধ ঘোষণা করেছে। বৈদ্যুতিক দোকান কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মফিজ উদ্দিন স্বাক্ষরিত
আজ সোমবার দেয়া নোটিশে উল্লেখ রয়েছে, আগামী ১১ ও ১২ই ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ইং, রোজ- বুধবার ও বৃহস্পতিবার, ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে ।

অতএব আমরা বৈদ্যুতিক দোকান কর্মচারী ইউনিয়নের পক্ষ থেকে উক্ত ২ দিন আপনাদের স্ব স্ব দোকান ও প্রতিষ্ঠান সমূহ বন্ধ রাখার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করিতেছি। এ বিষয়ে সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক বলেন, আমরা মার্কেট দুইদিন বন্ধ রাখার নোটিশ দিয়েছি। তবে মালিক পক্ষের একদিন বন্ধ রাখার বিষয়ে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

আলোচিত খবর

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ গ্রহণ করবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ গ্রহণ করবেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ শপথ অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। শপথ অনুষ্ঠানে প্রায় এক হাজার অতিথিকে দাওয়াত দেওয়া হবে।শেখ আব্দুর রশিদ বলেন- নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই পড়াবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ