আজঃ শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বন্দর নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে সকল স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনা করতে হবে।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় জোনায়েদ সাকি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, বন্দর নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়ার আগে সকল স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনা করা দরকার। চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতি ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। জনগণকে সঠিক তথ্য জানিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে দেশের প্রশ্নে কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নেবার সম্ভাবনা কমে আসবে। জনগণের অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে জাতীয় সংহতি আরও শক্তিশালী হবে।

জোনায়েদ সাকি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে একটি সমন্বিত ও কার্যকর পরিকল্পনা তৈরি করা যেতে পারে, যা বন্দরের উন্নয়ন ও সুরক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বন্দর ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবার আগে আগে সকল অংশীজন যেমন- বন্দর কর্তৃপক্ষ, শ্রমিক ইউনিয়ন, ব্যবসায়ী, স্থানীয় জনগণ সহ সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সাথে আলোচনা করা উচিত। এতে করে, প্রস্তাবিত পদক্ষেপের সম্ভাব্য প্রভাব এবং সুবিধা-অসুবিধাগুলো সবার সামনে উন্মোচিত হবে।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব জাহিদুল করিম কচি’র সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় জুলাই আন্দোলনের সক্রিয় রাজনীতিক জোনায়েদ সাকি আরও বলেন, বন্দরের সমস্ত বিনিয়োগ বাংলাদেশের জনগণের টাকায় হয়েছে। ফলে জনগণের জানার অধিকার আছে কেন, কার স্বার্থে, কি স্বার্থে বন্দরকে বিদেশী কোম্পানির ব্যবস্থাপনায় দেয়া হবে। বন্দরকে আরও আধুনিকায়ন ও প্রতিযোগিতামূলক করতে হবে এটা সত্য। কিন্তু জনগণের মতামত ছাড়া চাপিয়ে দেয়া পূর্বের সংস্কৃতিকে লালন করে কারও মতামতকে তোয়াক্কা না করে বিদেশী অপারেটর নিয়োগ কোনভাবেই জনগণ মেনে নেবে না।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমানের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন বৈশাখী টিভির ব্যুরো চীফ গোলাম মওলা মুরাদ, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) বিশেষ প্রতিনিধি মিয়া মোহাম্মদ আরিফ, দৈনিক আজাদীর সাবেক বার্তা সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, নিউজগার্ডেনের সম্পাদক কামরুল হুদা, চট্টগ্রাম টেলিভিশন রির্পোটার্স নেটওয়ার্কের আহবায়ক কমিটির সদস্য আরিচ আহমেদ শাহ, বিজনেস বাংলাদেশের ব্যুরো চীফ জাহাঙ্গীর আলম, সি-প্লাস টিভির সরোজ আহমেদ, গণসংহতি আন্দোলনের চট্টগ্রামের সমন্বয়কারী হাসান মারুফ রুমি সহ প্রমুখ।

নতুন বাংলাদেশে মিডিয়ার ভূমিকা সম্পর্কে জোনায়েদ সাকি বলেন, সাংবাদিকতা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ পেশা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। সাংবাদিকদের মুখ্য ও পবিত্র দায়িত্ব হচ্ছে চলমান ঘটনা ও বাস্তবতাকে তুলে ধরা। সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে নেশা সম্পৃক্ত না হলে সে সংবাদ গভীরতা পায় না, সত্যনিষ্ঠ সংবাদের গতি হারিয়ে সাধারণ মানুষের আকাঙ্খা পূরণে ব্যর্থ হয়। ৫ আগষ্ট পরবর্তীতে মিডিয়ার সংস্কার কার্যক্রমে ব্যবসায়ী গোষ্ঠীগুলোর মিডিয়ার উপর একক নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে আনতে প্রস্তাব করা হয়েছে। তাছাড়া সাংবাদিকদের পেশাগত উৎকর্ষ, সন্মানজনক বেতনভাতা প্রদান সহ মিডিয়া গ্রুপে একাধিক প্রতিষ্ঠানের অংশীদারিত্ব আনা গেলে মিডিয়া স্বাধীন ভাবে কাজ করে দেশ ও জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে পারবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানেই একটি ফ্যাসিবাদী কাঠামো তৈরির উপাদান রয়েছে। ফলে এটিকে পরিবর্তন, বিচার বিভাগকে স্বাধীন না মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে গণতন্ত্রের মোড়কে একটি ফ্যাসিবাদী কাঠামো গড়ে উঠে। জুলাই অভ্যাুত্থান পরবর্তীতে এসব মৌলিক সংস্কার না করে নিয়মতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতাকাঠামোর পরিবর্তন হলে আবারও একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। এজন্য একজন ব্যক্তির জীবৎদশায় প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় নির্ধারণ সহ বেশ কয়েকটি মৌলিক বিষয়ে দেশের প্রায় সকল দল ঐক্যমত পোষণ করেছে। এটা আগামীর বাংলাদেশের জন্য নতুন সম্ভাবনা নিয়ে আসবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে বোধনের বসন্ত বন্দনা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শীতকে আনুষ্ঠানিক বিদায় দিয়ে ভালোবাসার দিনে ফাল্গুনী সমীরণ, পাতাঝরা পলাশ আর শিমুলের ডালে ডালে যে রঙ লেগেছে, তাকে বরণ করতে দেশের পুরোধা সংগঠন বোধন আবৃত্তি পরিষদ, চট্টগ্রাম আয়োজন করেছে বসন্ত উৎসব- ১৪৩২। শনিবার পহেলা ফাল্গুন নগরের পাহাড়তলীর শহীদ ওয়াসিম পার্কে উৎসবের আঙিনায় ছিল সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি, ঢোলবাদন, কথামালা, শোভাযাত্রা, যন্ত্রসংগীতসহ নানা আয়োজন।

সকাল ৯টায় ভায়োলিনিস্ট চিটাগাং এর যন্ত্রসংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বসন্ত উৎসবের আয়োজন। বসন্তের হাওয়ায় দলীয় নৃত্যে অংশ নেন নৃত্যরূপ, সুরাঙ্গন বিদ্যাপীঠ, দ্যা স্কুল অব ক্লাসিক্যাল অ্যান্ড ফোক ডান্স, নৃত্য নিকেতন, মাধুরী ডান্স একাডেমির শিল্পীরা।গানে গানে দলীয় সংগীতে বসন্তকে স্বাগত জানান সুর পঞ্চম, আর কে মিউজিক, বাগেশ্বরী। একক গান পরিবেশন করেন কেশব জীপসী, ঋষু তালুকদার, চন্দ্রিমা ভৌমিক রাত্রি, কান্তা দে, সুমিতা সরকার, রিনা দাশ, মনি আচার্য্য। তবলা লহড়ায় ছিলেন উঠান সংগীত বিদ্যালয়। একক আবৃত্তি করেন কংকন দাশ, মিশফাক রাসেল, দেবাশীষ রুদ্র।ঢোলবাদনে ছিলেন দীপক ও তার দল।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যভাগে হয় বসন্তকথন পর্ব। এতে অংশ নেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, বোধনের সহ-সভাপতি সুবর্ণা চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল সোহেল, অর্থ সম্পাদক অনুপম শীল।

মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও শোষণহীন সমাজ গঠনের জন্য বাঙালির এসব উৎসব-পার্বণগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, সারা বছরের নানান বঞ্চনা, নানান টানাপোড়েনের গ্লানি মুছে যায় এই বসন্তে।এই ফাগুনেই রক্তে রঞ্জিত হয়েছে বাংলার রাজপথ। বুকের রক্তে বাঙালি রক্ষা করেছে মাতৃভাষার মর্যাদা। পরে একক ও দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করেন বোধন আবৃত্তি পরিষদের আবৃত্তিশিল্পীরা। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন গৌতম চৌধুরী, পলি ঘোষ, শ্রেয়সী স্রোতস্বীনি, ঋত্বিকা নন্দী, পল্লব গুপ্ত। অনুষ্ঠান শেষে বসন্ত বরণে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামফলক উপড়ে ফেলে চিরসত্য ইতিহাসকে মুছে দেয়ার অপচেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

স্বৈরাচার ও তার দোসরদের নির্দেশে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের নিজ হাতে স্থাপিত নামফলকটি উপড়ে ফেলে চিরসত্য ইতিহাসকে মুছে দেয়ার অপচেষ্টা চালিয়েছেন আওয়ামী দলকানা নামধারী সাংবাদিকরা। এর ফলে নতুন প্রজন্ম আর জানতে পারেনি চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা। এসব সাংবাদিকরা পেশাকে জলাঞ্জলি দিয়ে অনৈতিক সুবিধা আদায় ও স্বৈরাচারের মন জয় করতে দলবাজিতে ব্যস্ত ছিল এবং গণমানুষের আশা ভরসার বিপরীতে অবস্থান নিয়েছিল। তারা চতুর্থ স্তম্ভ সাংবাদিকতাকে কলংকিত করেছে।

শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ভিআইপ লাউঞ্জে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটি এসব তথ্য জানান। এসময় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি নামফলকটি আগের স্থানে যথাযতভাবে স্থাপন করা হবে বলে উল্লেখ করেন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ।লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, প্রেসক্লাবের বর্তমান কমিটি গত ১০ ডিসেম্বর’২০২৬ ইং ২০২৬-২০২৭ সেশনের জন্য প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। বর্তমান কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর জানতে পারে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারী চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের অডিটরিয়াম ও ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মানকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সে সময় দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেকসহ সাংবাদিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ওই অনুষ্ঠানের ছবি তোলেন তৎকালীন নামকরা সাংবাদিক ও পরবর্তীতে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ওসমান গনি মনসুর। তখন থেকেই সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উদ্বোধনের ভিত্তিপ্রস্তর ফলকটি ক্লাবের সামনের দেয়ালে খোদাই করে লাগানো ছিল। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আগমনের সময় উক্ত ভিত্তিপ্রস্তরটি খুলে ফেলা হয় বলে জানা যায়। এরপর থেকে ভিত্তিপ্রস্তরটি কোথায় ছিল কেউ বলতে পারছিলেন না। বিগত কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ কমিটির নেতাদের কাছে এ সব বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তারা আমাদেরকে আওয়ামী সরকার বিরোধী আখ্যায়িত করে হুমকি ধামকি দেন।

এতে আরও বলা হয়, সাংবাদিকতার প্রতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গভীর শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। তিনি মুক্ত গণমাধ্যমে বিশ্বাসী ছিলেন এবং সাংবাদিকদের কল্যাণে বিপুল অবদান রাখেন। প্রেসিডেন্ট জিয়া সাংবাদিকদের সার্বিক কল্যাণ চাইতেন। বিদেশে রাষ্ট্রীয় সফরে গেলে তিনি চট্টগ্রামের সংবাদপত্র, সম্পাদক ও সাংবাদিকদের দু-তিনজন প্রতিনিধি সব সময় সঙ্গে নিয়ে যেতেন। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উন্নয়নে শহীদ জিয়া আর্থিক সমর্থন দিয়েছেন। শেরশাহ কলোনীতে সাংবাদিকদের জন্য জমি প্রদান করেন। তারই ধারাবাহিকতায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উন্নয়নে ১৫ লক্ষ টাকা অনুদান দিয়েছেন।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক কমিটির কর্মকর্তারা মহান স্বাধীনতার ঘোষক সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ফলকটি ফেলে দেয়। এর মাধ্যমে তারা চিরসত্য ইতিহাসকে মুছে দিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রী-এমপিদের নির্দেশে এই ইতিহাস মুছে দেয়ার এই অপচেষ্টা চালিয়েছিলেন। তাদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা আদায় ও তাদের মন জয় করতে ওইসব নামধারী সাংবাদিকরা পেশাকে জলাঞ্জলি দিয়ে দলবাজিতে ব্যস্ত ছিল এবং গণমানুষের আশা ভরসার বিপরীতে অবস্থান নেয়। তারা চতুর্থ স্তম্ভ সাংবাদিকতাকে কলংকিত করেছে। তারা প্রকৃত ইতিহাস মুছে দিতে চেয়েছিল।

আমরা অনুসন্ধানে জানতে পেরেছি, ১৯৭৮ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অডিটরিয়ামের যে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে তার হাত ধরে এই প্রতিষ্ঠান তিলে তিলে গড়ে ওঠে। কালক্রমে আওয়ামী দলকানারা সেটি মুছে দেয়। নতুন প্রজন্ম আর জানতে পারেনি চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা।

নেতৃবৃন্দরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ থাকা প্রেসক্লাবের বিভিন্ন সময়ে ক্লাবের দেয়ালে সাটানো ভিত্তিপ্রস্তরগুলোর উদ্ধারের জন্য বর্তমান কমিটি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল। তারই ধারাবাহিকতায় বিগত ০৫/০২/২০২৬ ইং প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ ও অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাতসহ কমিটির কর্মকর্তারা প্রেসক্লাবের আন্ডারগ্রাইন্ডে গোডাউন পরিদর্শনে গিয়ে নোংরা ও ময়লাযুক্ত পরিবেশে জিয়াউর রহমানের ভিত্তিপ্রস্তরটি খুজে পেয়ে উদ্ধার করে। ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করে নামফলকটিতে সযত্নে ক্লাবের অফিসে রাখা হয়েছে।

প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্যদের সাথে আলাপকালে জানা যায়, সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বাংলা ১১ ফাল্গুন ১৩৮৪ (শুক্রবার) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার পর থেকে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ইতিহাসের অংশ এই নামফলকটি এক সময় প্রেসক্লাবের সামনেই ওয়ালে সাটানো ছিল। কারা এটি সরালো? কোন উদ্দেশ্যে? ঐতিহাসিক এই নিদর্শন সরিয়ে ফেলার হোতাদের বিরুদ্ধে কি করা যায়?

তবে আইনেও এ ধরনের অপরাধের জন্য শাস্তির বিধানের কথা উল্লেখ আছে। ভিত্তিপ্রস্তর বা এ ধরনের স্থাপনার ফলক সরিয়ে ফেলা, ভাঙা বা বিকৃত করা আইনত গুরুতর অপরাধ, যা সাধারণত সম্পত্তি বিনষ্ট (Criminal Trespass/Mischief) হিসেবে গণ্য হয়। এর শাস্তি হিসেবে দণ্ডবিধি অনুযায়ী কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান রয়েছে। এই ভিত্তিপ্রস্তরটি কারা ক্লাবের দেয়াল থেকে সরিয়ে নিল এবং কারা এই ঘটনায় জড়িত তা নির্নয় করা প্রয়োজন বলে জানান নেতৃবৃন্দ।

সংবাদ সম্মেলনের এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত ও ওসমান গণি মনসুর, সিনিয়র সহ সভাপতি মুস্তফা নঈম, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, গ্রন্থগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী ও রফিকুল ইসলাম সেলিম, সমাজসেবা ও অ্যাপায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল ও প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ।

আলোচিত খবর

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ গ্রহণ করবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ গ্রহণ করবেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ শপথ অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। শপথ অনুষ্ঠানে প্রায় এক হাজার অতিথিকে দাওয়াত দেওয়া হবে।শেখ আব্দুর রশিদ বলেন- নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই পড়াবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ