আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে ৬ মাসে আবেদনকৃত সাড়ে ৪৫ হাজার এনআইডি সংশোধন।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ৬ মাসে সাড়ে ৪৫ হাজার আবেদন সংশোধন করেছে চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন কার্যালয়।সারাদেশে জাতীয় পরিচয়পত্রে সংশোধনের ক্রাশ প্রোগ্রামের আওতায় এগুলো সংশোধনকরা হয়। সোমবার দুপুরে আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বশির আহমেদ।

তিনি বলেন, অনেক নাগরিকের ভিন্ন ভিন্ন দলিলাদিতে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য বিদ্যমান আছে। ফলে যখন যে সেবা প্রয়োজন তখন সে অনুযায়ী জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করছেন। কিন্তু শুধুমাত্র ঢালাওভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করে উক্ত ব্যক্তির সকল সেবা নিশ্চিত সম্ভব নয়। বরং অনেকক্ষেত্রে নতুন করে জটিলতা তৈরি করছে। এক্ষেত্রে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানসমূহকেও জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তাদের দলিলাদি যৌক্তিক সংশোধনের উদ্যোগ নিতে হবে।

সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বশির আহমেদ জানান, গত ২২ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ক্রাশ প্রোগ্রাম ছিল। এ সময়ের মধ্যে সংশোধনের কাজ শেষ করা হয়েছে।এছাড়া গত ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ৬ মাসে এনআইডি সংশোধন হয়েছে ৪৫ হাজার ৬৯৭টি। এর মধ্যে ‘খ’ ক্যাটাগরিতে ৩৬ হাজার ৪৫৯, খ (১) ক্যাটাগরিতে ৪ হাজার ৯৫০টি এবং সিনিয়র জেলা নির্বাচান কর্মকর্তার অধীনে ‘গ’ ক্যাটাগরিতে সংশোধন হয়েছে ৪ হাজার ২৮৮টি। নিষ্পত্তিকৃত এসব আবেদনের

মধ্যে ২৬ হাজার ৭৯৩টি আবেদন মঞ্জুর, ৬ হাজার ১৮৩টি আবেদন আংশিক মঞ্জুর এবং ৮ হাজার ৪৩২টি আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬০-৭০টি নতুন আবেদন দাখিল করা হয়। এছাড়া আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার অধীন নিষ্পত্তিকৃত ‘গ’ ক্যাটাগরিতে সংশোধন হয়েছে ২০ হাজার ৭৪৭টি।

বশির আহমেদ আরো বলেন, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সেবা প্রাপ্তিতে বর্তমানে জাতীয় পরিচয়পত্র উপস্থাপন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক নাগরিকের জাতীয় পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও তা আমলে না নিয়ে চাকরিতে নিয়োগ বা বয়স কমিয়ে পাসপোর্ট প্রদান করা হচ্ছে। পরবর্তীতে সে অনুযায়ী তারা জাতীয় পরচিয়পত্র সংশোধন করতে চাচ্ছেন, যা অযৌক্তিক।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে বিআরটিএ’র সতর্ক সংকেত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে সতর্ক সংকেত হিসেবে লাল পতাকা স্থাপন করেছে। ঈদুল ফিতর সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ৯টি বাঁকে উভয় পাশে সারিবদ্ধভাবে এসব পতাকা বসানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছরে এসব বাঁকে একাধিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে গত বছরের ঈদুল ফিতরের দিন সকালে লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়া এলাকায় একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কয়েকজন নিহত হন। এরপর থেকেই বাঁকগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি ওঠে।

মহাসড়কে চলাচলকারী কয়েকজন বাস চালক জানান, রাতে বা কুয়াশার সময় হঠাৎ বাঁক সামনে চলে আসায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। নতুন করে লাল পতাকা বসানোয় আগেভাগেই সতর্ক হওয়া সহজ হবে।তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু অস্থায়ী পতাকা নয়-স্থায়ী সাইনবোর্ড, গতিসীমা নির্দেশনা, রিফ্লেক্টর ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও জরুরি। পাশাপাশি অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

বিআরটিএর তালিকা অনুযায়ী, যেসব স্থানে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেশি, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে লোহাগাড়ার চুনতির শেষ সীমানায় বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য সংলগ্ন বাঁক, লোহাগাড়া–চুনতির জাঙ্গালিয়া বাঁক, চুনতির ডেপুটি বাজারের আগে ও পরের বাঁক, চুনতি ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকা, লোহাগাড়া রাজাঘাটা, সাতকানিয়ার মিঠা দীঘি, চন্দনাইশের খানহাট পুকুর এবং পটিয়ার পাইরুল মাজারসংলগ্ন বাঁক।

বিআরটিএ চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) উথুয়াইনু চৌধুরী বলেন, ঈদের সময় এই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তাই ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলোতে আগাম সতর্কতা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বিআরটিএর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রতিটি বাঁকের উভয় পাশে পাঁচটি করে মোট ১০টি লাল পতাকা বসানো হয়েছে। ফলে দূর থেকেই চালকেরা বিপজ্জনক বাঁক সম্পর্কে সতর্ক হতে পারবেন।

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ