ওয়েস্টার্ন মেরিনে নির্মিত দুটি উচ্চক্ষমতার টাগবোট বিশ্বে বাংলাদেশকে ব্র্যান্ডিং করবে

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: বাংলাদেশের স্বনামধন্য জাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেড তৈরি করছে দুটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাগবোট, যা রপ্তানি হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই)। এই টাগবোটগুলো নির্মিত হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান মারওয়ান শিপিং লিমিটেডের জন্য।
এ উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বোট ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী লে. জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ বলেন, ওয়েস্টর্ন মেরিন গতবছর রায়ান নামের একটি জাহাজ রপ্তানি করেছে। এবার নতুন দুটি টাগবোট রপ্তানি করছে প্রতিষ্ঠানটি। এই দুটি জাহাজ বিশ্বে মেইড ইন বাংলাদেশকে ব্র্যান্ডিং করবে। বিশ্বে ৪০০ বিলিয়ন ডলারের মার্কেট হলো শিপ বিল্ডিং। এই বাজারে আমাদের যদি ১% জাহাজ পাঠানো যায় তাহলে অন্তত ২’শ বিলিয়ন ডলার বাংলাদেশ আয় করতে পাবে।
এ সময় কক্সবাজার সীমান্তে মাদকের রুট বন্ধে সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাদকের সাপ্লাই রুট কক্সবাজার সীমান্ত এলাকা। ওপারের মানুষ মাদকের অর্থ দিয়ে অনেক কিছু করছে।সেটা আমাদের বন্ধ করতে হবে। আমরা মাদকের উৎস বন্ধ করতে পারব না। কিন্তু মাদকের রুট বন্ধ করতে হবে। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি মাদক রোধ, নির্মূল ও দমনে কাজ করছে। তিন দিন আগে কক্সবাজারে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সেই সভায় সভাপতিত্ব করেছেন। সব সংস্থার প্রধানরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সর্বোতো শক্তি নিয়োগ করা হবে মাদকের চোরাচালান বন্ধ করার জন্য। সরকারের নীতি জিরো টলারেন্স। আমাদের রিসোর্সের ঘাটতি আছে। কিন্তু যা রিসোর্স আছে তা দিয়ে সরকার মাদকের চোরাচালান বন্ধের চেষ্টা করছে। সরকারের উদ্যোগ, পদক্ষেপ আমি বলব খুবই দৃঢ়। খুবই শক্ত অবস্থান নিয়েছে মাদকবিরোধী অভিযানে। জনগণকে সচেতন হতে হবে। মাদক সেবনের ক্ষতিকর দিক সাংবাদিকদের তুলে ধরতে হবে। অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। মানুষকে সচেতন করতে হবে।
এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী কক্সবাজার-উখিয়া সীমান্তবর্তী এলাকায় আশ্রয় নিয়েছে। প্রথম কথা হলো, তাদের ফেরত পাঠাতে হবে। সরকার সর্বোতোভাবে চেষ্টা করছে যাতে তাদের ফেরত পাঠানো যায়। দ্বিতীয় কথা হচ্ছে, রোহিঙ্গা আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে যাতে কোনো অনৈতিক, অসাধু কাজ না হয়। আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখা। এর জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী কাজ করছে। সেনাবাহিনী আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তা দিচ্ছে। সীমান্ত রক্ষায় বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের চারটি ব্যাটালিয়ন কক্সবাজার এলাকায় নিয়োজিত আছে। বিশেষ ফোকাস আছে আমাদের। চোরাচালান রোধে বিশেষ নজর দিচ্ছে সরকার। নতুন করে রোহিঙ্গা আসা বন্ধ করতে চাই। এ লক্ষ্যে আমাদের এজেন্সিগুলো কাজ করে যাচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা শহিদুল বাসারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য মো. আশফাক হোসেন, আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জুলকারনাইন, ইউএই টু দ্য অ্যাফেয়ার্সের প্রতিনিধি এবং মারওয়ান শিপিং লিমিটেডের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।বক্তব্য রাখেন মারওয়ান শিপিং লিমিটেডের পরিচালক আহমেদ আল মারজুকি। ২০০৮ সালে আধুনিক জাহাজ নির্মাণ প্রথা চালু হয়েছে। বর্তমানে আমরা অসংখ্য জাহাজ রপ্তানি করেছি। ২০০ মিলিয়ন ডলার আয় হয়েছে। মাঝখানে এই শিল্পে বিপর্যয় নেমে এসেছিল। সেটি আবার ঘুরে দাড়িয়েছে। নতুন এই জাহাজ দুটি রপ্তানি মেইড ইন বাংলাদেশকে ব্র্যান্ডিং করবে।
জাহাজ দুটি সম্পর্কে ওয়েস্টার্ন মেরিনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্যাপ্টেন সোহেল হোসেন জানান, ২০২৩ সালে ওয়েস্টার্ন মেরিন সংযুক্ত আরব আমিরাত ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান মারওয়ান শিপিং লিমিটেডের সঙ্গে আটটি জাহাজ নির্মাণের চুক্তি করে। এর মধ্যে দুটি টাগবোট, দুটি লজিস্টিক ক্রাফট এবং চারটি ট্যাংকার রয়েছে। এই চুক্তির আওতায় ৬৫ টন বোলার পুল ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি টাগবোট— ‘খালিদ’ ও ‘ঘাযা’ বর্তমানে নির্মাণাধীন এবং চলতি জুলাই মাসেই ইউএইতে রপ্তানি করা হবে। বাকি ৬টি জাহাজ ২০২৫-২৬ সালের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে।
বাংলাদেশের জন্য নির্মিত দুটি যাত্রীবাহী জাহাজ সম্পর্কে ক্যাপ্টেন হোসেন জানান, বাংলাদেশ ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট করপোরেশন (ইওডঞঈ)-এর অধীনে ‘এমভি সুরমা’ ও ‘এমভি সাপলা’ নামে এই দুটি আধুনিক যাত্রীবাহী জাহাজও নির্মাণাধীন।
প্রসঙ্গত, ২০১৭ সাল থেকে ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড বিদেশে জাহাজ রপ্তানি করে আসছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের ১১টি দেশে মোট ৩৪টি জাহাজ রপ্তানি করেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জলাবদ্ধতামুক্ত নগরীতে রূপান্তরে খালগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা জরুরি : মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামকে পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও জলাবদ্ধতামুক্ত নগরীতে রূপান্তর করতে খালগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

মঙ্গলবার সকাল ১১টায় নগরীর চকবাজার ফুলতলা এলাকার রসুলবাগ (চাক্তাই) খাল পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় চলমান খনন, পরিচ্ছন্নতা ও উন্নয়ন কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যালোচনা করেন মেয়র। খালের পানিপ্রবাহ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি। এছাড়া চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং টেকসই নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে খাল পুনরুদ্ধার ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন মেয়র।

পরিদর্শন শেষে মেয়র বললেন, চট্টগ্রামকে পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও জলাবদ্ধতামুক্ত নগরীতে রূপান্তর করতে খালগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। খাল শুধু পানি নিষ্কাশনের মাধ্যম নয়, বরং নগরীর পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষারও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই খাল পুনরুদ্ধার, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।

ডা. শাহাদাত জানান, রসুলবাগ খালে চলমান খনন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অগ্রগতি সন্তোষজনক। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করায় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের প্রশংসা করেন তিনি। একই সঙ্গে এ ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে আরও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মেয়র বলেছেন, উন্নয়ন কাজের পাশাপাশি ভবিষ্যতে খালের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের অর্থে পরিচালিত প্রতিটি প্রকল্পে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গুণগত মান বজায় রাখার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এবং মহানগর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা।

বিভ্রান্তি ও মিথ্যা কনটেন্ট ঠেকাতে মেটা, গুগলসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঙ্গে বৈঠক করবে সরকার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা কনটেন্টের বিস্তার ঠেকাতে মেটা, গুগলসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে শিগগিরই বৈঠক করবে সরকার। একই সঙ্গে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নামে ব্যক্তিগত হয়রানি, বুলিং ও চরিত্রহননমূলক কনটেন্ট কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

আজ ৪ আগস্ট মঙ্গলবার রাজধানীতে সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে দেশের সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কার্যকর করতে সাইবার ইনসিডেন্ট রিপোর্টিং সিস্টেম এবং ন্যাশনাল আইসিটি অ্যান্ড সাইবার সিকিউরিটি রেটিং সিস্টেম উদ্বোধন করা হয়। একই সঙ্গে জাতীয় সাইবার সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজি ২০২৬-২০৩০-এর প্রাথমিক খসড়াও উপস্থাপন করা হয়।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ