আজঃ সোমবার ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

প্রেসক্লাবের উদ্যোগে জুলাই যোদ্ধা ও শহিদ পরিবারকে সম্মাননা।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


চট্টগ্রামে ২০২৪ আন্দোলনে শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সম্মাননা দিয়েছে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব। এছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে আয়োজন করেছে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ অনুষ্ঠানমালার। অনুষ্ঠানমালার মধ্যে রয়েছে তারুণ্যের ভূমিকা, বর্তমান প্রজন্মের ভাবনা, ফটো প্রদর্শনী, জুলাই যোদ্ধাদের সম্মাননা, অভিজ্ঞতা বিনিময়, সাংবাদিকদের ভূমিকা, আইনী বিশ্লেষণ প্রভৃতি।

সমাপনী দিনে রয়েছে ‘জুলাই থেকে যাত্রা-সংগ্রামের একতা’ শীর্ষক উম্মুক্ত সমাবেশ। ‘জুলাই জাগরণ : সম্মিলিত দীপ্ত প্রতিরোধ’ শীর্ষক সেমিনার ও আলোচনা সভার মাধ্যমে সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠানমালার বর্ণাঢ্য সূচনা হয়। প্রেসক্লাবের জুলাই বিপ্লব স্মৃতি হলে আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী এ অনুষ্ঠানমালা ভিডিও বার্তায় উদ্বোধন করেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম।

উদ্বোধনী বার্তায় প্রেস সচিব বলেন, চট্টগ্রাম আন্দোলন সংগ্রামের সূতিকাগার। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, আমাদের মহান স্বাধীনতা ঘোষণা থেকে বিগত বছর ফ্যাসিস্ট হাসিনা বিরোধী জুলাই আন্দোলন-সবক্ষেত্রে চট্টগ্রাম অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। জাতিকে নেতৃত্ব দিয়েছে, সঠিক পথ দেখিয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন বলেন, প্রেসক্লাব আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠানমালা দেশের সব গণমাধ্যমে প্রকাশ ও প্রচারিত হবে এবং দেশ ও বিদেশের মানুষ জুলাই আন্দোলন সম্পর্কে নতুন অনেক কিছু জানতে পারবে। পরে তিনি অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

আজকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও প্রেসক্লাবের অন্তবর্তী কমিটির আহ্বায়ক ফরিদা খানম। উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব সাংবাদিক মিয়া মোহাম্মদ আরিফ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যানের মধ্যে বক্তৃতা করেন প্রিমিয়ার বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর নসরুল কবীর, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল,

মহানগর জামায়াতের সাবেক আমীর মো. শাহজাহান চৌধুরী, সাংবাদিক ওসমান গণি মনসুর, প্রেসক্লাব অন্তবর্তী কমিটির সদস্য সচিব সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি, ডা. খুরশিদ জামিল, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি নেতা অধ্যাপক শেখ মো. মহিউদ্দিন, সাংবাদিক সালেহ নোমান, সমন্বয়ক রাসেল আহমদ, দিল আফরোজ, ওমর ফারুক সাগর, রেজোয়ান সিদ্দিকী, চট্টগ্রামের প্রথম শহিদ ওয়াসিম এর পিতা শফি আলম, শহিদ ওমর ফারুক এর স্ত্রী সিমা আকতার, শহিদ ফয়সাল আহমদ শান্ত এর মা কোহিনুর আক্তার প্রমূখ।

সভাপতির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক বলেন, জুলাই যোদ্ধারা আমাদের জন্য স্ফুলিঙ্গ। তারা সারা জীবন সম্মানিত হবেন, পরবর্তী প্রজন্ম দ্বারা চর্চিত হবেন। তিনি সমন্বয়কদের হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে দেশ পরিচালিত হবে, জুলাই ঘোষণা বাস্তবায়িত হবে এবং ফাসিস্টদের বিচার হবে। আমরা সকলের সহযোগিতায় সংকট কাটিয়ে উঠতে চাই।অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের শহিদ পরিবার ও সমন্বয়কদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। জেলা প্রশাসক এসব ক্রেস্ট বিতরণ করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের কারচুরি ও নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সদ্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের কারচুরি ও নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেন চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী-বায়েজিদ) আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা নাছির উদ্দীন মুনির। তবে অভিযোগপত্র পাঠ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তর পর্বে একের পর এক প্রশ্নের জবাব দিতে না পেরে শেষ পর্যন্ত দ্রুত সংবাদ সম্মেলন শেষ করে বেরিয়ে যান তিনি।

১৫ ফেব্রুয়ারি সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ভবনের এস রহমান হলে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এর আগে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৭টায় দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে ভোট গ্রহণ শুরু হয়।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে মাওলানা নাছির উদ্দীন মুনির বলেন, ভোট গ্রহণ সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঠিকঠাক চলছিল। তবে দুপুরের পর কারচুপি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। কিন্তু এবিষয়ে তিনি ওইদিন অভিযোগের প্রমাণপত্র দেখাতে পারেননি তিনি।

ভোটের কারচুরি ও অনিয়ম নিয়ে থানায় বা আদালতে কোনো প্রতিকার চেয়েছেন কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে প্রার্থী বলেন, এখনও পর্যন্ত থানায় কিংবা আদালতে অভিযোগ করা হয়নি। দলীয় সিদ্ধান্তের পর অভিযোগ করা হবে।

১৪৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ক্যান্টনমেন্টের দুটি কেন্দ্র ছাড়া বাকি প্রায় সব কেন্দ্রে তিনি হেরে গেছেন। এমনকি নিজের কেন্দ্র চারিয়াতেও তিনি পরাজিত হয়েছেন। এ অবস্থায় এত ব্যাপক ব্যবধানে পরাজয়ের পর ভোট কারচুপির অভিযোগ কতটা যুক্তিযুক্ত, এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

এছাড়া, ভোটের দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে সরব ছিল। কেন্দ্রে কোথাও অনিয়ম হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা। তাহলে ভোটের দিন আপনি কোনো অভিযোগ না করে তিন দিন পর সংবাদ সম্মেলনে এসে কেন অভিযোগ তুলছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোনো উত্তর দিতে পারেননি।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকরা তার বিরুদ্ধে চার থেকে পাঁচটি চেক প্রতারণা মামলার অভিযোগের বিষয়টি তুলে ধরেন। জবাবে প্রার্থী বলেন, এসব অভিযোগ মিথ্যা। তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, চেক প্রতারণার বিষয়ে কাগজ দেখান আমাকে, কে এই তথ্য দিয়েছে তা জানান। এরপর উপস্থিত সাংবাদিকরা বলেন, সোর্সের নাম প্রকাশ করতে তারা বাধ্য নন।

মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগের দিনই তাকে জমিয়ত উলামায়ে ইসলাম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। এরপর তিনি খেলাফত আন্দোলনের ‘রিকশা’ প্রতীকে প্রচারণা চালান। পাশাপাশি হেফাজতের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার কারণে হেফাজত অধ্যুষিত এলাকায় ওই সংগঠন তার পক্ষে মাঠে নামেনি, এমন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নির্বাচনের একদিন আগে বিএনপি নেতা সালাহ উদ্দিনের নেতৃত্বে তার লোকজনকে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছিল। ফলে তার কর্মীরা মাঠে কাজ করতে পারেনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ ওঠে, তিনি ব্যারিস্টার আনিসের টাকায় নির্বাচন করেছেন। আলোচনায় থাকার উদ্দেশ্যে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত চরিত্র নিয়েও স্থানীয় পর্যায়ে নানা অভিযোগ আছে বলে প্রশ্ন করা হলে এসব প্রশ্নের জবাব না দিয়েই এক পর্যায়ে দ্রুত সংবাদ সম্মেলন শেষ করে সেখান থেকে চলে যান মাওলানা নাছির উদ্দীন মুনির।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতের চট্টগ্রাম উত্তর জেলার শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য রফিকুল ইসলাম, এনসিপির নেতা কে আই সাগর, আনোয়ার হোসাইন রব্বানী, মাওলানা মো. ঈসা ও মুফতি সিহাবুদ্দিন সহ অনেকে।

চরফ্যাশনে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় রসুলপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম ভুট্টোকে (৪৫) এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১০টার দিকে উপজেলার নজরুলনগর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কলেরহাট সড়কের মাথায় এ ঘটনা ঘটে।

আলোচিত খবর

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে তার বাসায় ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে তার বাসায় যান।এ সময় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।

রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে জামায়াত আমিরের বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসায় পৌঁছান তিনি। এ সময় তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।বাসায় জামায়াতের নায়েবে আমির ড. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের উপস্থিত রয়েছেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ