চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন খাতে ট্যারিফ বাড়ানো মানে ‘মরার ওপর খাড়ার ঘা

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

  1. চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন সেবা খাতের মাশুল বা ট্যারিফ দীর্ঘদিন পর উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হচ্ছে। যা সরকারি গেজেট জারির অপেক্ষায় রয়েছে। নৌপরিবহন উপদেষ্টা চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিদর্শনে এসে বন্দরের ট্যারিফ বাড়ানোর কথা বলেন। তবে কত শতাংশ বাড়ানো হচ্ছে সে বিষয়ে পরিষ্কার করে কিছু বলেননি তিনি। তবে বন্দর ব্যবহারকারীদের মতে ‘মরার ওপর খাড়ার ঘা‘।
  2. বন্দর ব্যবহারকারীরা বলছেন, তাদের প্রস্তাবের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি মাশুল নির্ধারণ করা হচ্ছে। এটি তাদের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়াবে। বন্দর ব্যবহারকারীরা ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত মাশুল বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিলেন। একবার আলোচনার পর আর এ বিষয়ে তাদের সাথে বসা হয়নি।এক লাফে অনেক বেশি হারে মাশুল বাড়ানোর খবর শুনে বন্দর ব্যবহারকারীরা আশঙ্কা করছেন এর প্রভাব দেশের সামগ্রিক ব্যবসা খাতে পড়বে। সবশেষে মোটাদাগে এর প্রভাব ভোক্তা পর্যায়েই পড়বে বলে মত তাদের।
  3. শিপিং এজেন্টস অ্যাসেসিয়েশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ বলেন, বন্দরে বিভিন্ন লাইনে (খাতে) মাশুল বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে সেসবের সঙ্গে একমত নই। এখন মাশুল বাড়ানোর সময়ও নয় বলে মনে করি। সবমিলিয়ে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। মাশুল নতুন করে বিবেচনা করা উচিত বলে আমি মনে করি। মূলত দেশের সামুদ্রিক জলসীমায় পণ্য বা কন্টেইনারবাহী জাহাজ আসার পর থেকে সেগুলোকে দেওয়া সেবার বিপরীতে ট্যারিফ বা মাশুল নিয়ে থাকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।
  4. মূলত জাহাজ পরিচালনাকারী কোম্পানি, কন্টেইনার পরিচালনাকারী কোম্পানি এবং আমদানি ও রপ্তানিকারকরা এসব মাশুল দিয়ে থাকে। জাহাজ মালিকদের পক্ষ থেকে শিপিং এজেন্ট এবং আমদানিকারকদের পক্ষ হয়ে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা এসব মাশুল পরিশোধ করে থাকেন।
    চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক বলেন, ট্যারিফ বা মাশুল বাড়ানোর বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তির পর সেটি আইন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। অনুমোদনের পর গেজেট হবে এবং কখন থেকে সেটি কার্যকর হবে তা গেজেটে বলা থাকবে। ১৯৮৬ সালে সর্বশেষ চট্টগ্রাম বন্দরে বিভিন্ন সেবার মাশুল বাড়ানো হয়েছিল দাবি করে তিনি বলেন, এরপর আর বাড়েনি। সবমিলিয়ে গড়ে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশের মত বাড়ছে। এর মধ্যে কোনটির কমছে বা কোনটির বাড়ছে।তার দাবি, দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানকে হিসাবে নিলে মাশুল ‘খুব বেশি’ বাড়ছে না।
  5. বন্দর সচিব ওমর ফারুক আরো বলেন, বন্দরের সেবার মান বাড়ানোর জন্য মাশুল বাড়ানো হচ্ছে। বন্দরের সক্ষমতা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। আধুনিক যন্ত্রপাতিসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধাও বেড়েছে। এটি একটি সরকারি সংস্থা। সুযোগ-সুবিধা ও সেবার মান বাড়ানোর জন্য মাশুল বাড়ছে।
  6. বন্দর ব্যবহারকারী সংগঠনের এক নেতা বলেন, গত ২ জুন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ে বন্দরের মাশুল (ট্যারিফ) হালনাগাদ করার জন্য সভা হয়েছিল। সেখানে বন্দর ব্যবহারকারীরা তাদের মত দিয়েছেন। কিন্তু আর কোনো আলোচনা না করেই চট্টগ্রাম বন্দরের ট্যারিফ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে, এটা দু:খজনক। বর্তমান পরিস্থিতিতে মাশুল বাড়ানো মানে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এবং এর প্রভাব গিয়ে ভোক্তা পর্যায়ে পড়বে।
    চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বন্দরের আদায় করা সবধরণের মাশুল ১৯৮৬ সালে নির্ধারণ করা। এরপর ৪০ বছরে নতুন করে মাশুল বাড়ানো হয়নি। শুধু ২০০৭-০৮ অর্থবছরে অত্যাবশ্যকীয় বিবেচনায় পাঁচটি মূল ট্যারিফ আইটেম বাড়ানো হয়। এর আগে ১৯৯৬ এবং পরে ২০১২ সালে দুই দফা তা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হলেও কার্যকর হয়নি। ২০২০ সালে বন্দর কর্তৃপক্ষ নতুন করে মাশুল বাড়ানোর কাজ শুরু করে এবং স্পেনভিত্তিক একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ট্যারিফ হালনাগাদ করে বন্দরের কাছে ২০২২ সালে জমা দেয়। বিভিন্ন পর্যায়ে আলাপ আলোচনার পর মাশুল বাড়ানোর প্রস্তাব চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।
  7. চট্টগ্রাম বন্দরের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, বন্দরে ৫২টি খাতে মাশুল আদায় করা হয়ে থাকে। আদায়ের সামঞ্জস্য এনে সেটি ২৩ টিতে আনা হয়েছে।
    বন্দর ব্যবহারকারীদের হিসাবে, ২০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি কন্টেইনার হ্যান্ডলিং চার্জ বর্তমানে ৪৩ ডলারের মত। প্রস্তাবিত নতুন মাশুলে তা হবে ৭০ ডলারের কিছু বেশি। এছাড়া আমদানি করা পণ্যভর্তি কন্টেইনার বন্দরের ইয়ার্ডে প্রথম চার দিন বিনা মাশুলে রাখা যায়। পরের একদিনে কন্টেইনার প্রতি মাশুল দিতে হয় ৬ ডলার, নতুন হারে তা পড়বে ৬ দশমিক ৯ ডলার।
  8. শিপিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক খায়রুল আলম সুজন বলেন, বন্দরের ট্যারিফ বাড়ানোর ফলে দেশের শিল্পায়ন, বাণিজ্য ও সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে। উন্নয়ন অবশ্যই কাম্য, কিন্তু সেই উন্নয়ন হতে হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই এবং দেশের সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিতকারী।চট্টগ্রাম বন্দর এমনিতেই লাভজনক প্রতিষ্ঠান। এটির আয়ের অর্থ ব্যয় করে বন্দরের আধুনিকায়ন থেকে শুরু করে সকল ব্যয়ের পরও বিপুল অর্থ সঞ্চিত থাকে। ট্যরিফ বাড়ানোর সিদ্ধান্তে বাণিজ্যে ও শিল্পে মন্দা এবং সামস্টিক অর্থনীতিতে ভারসাম্যহীনতা দেখা দিতে পারে।
  9. তিনি বলেন, ট্যারিফ বাড়ানোর অর্থ হল আমদানি-রপ্তানির খরচ বাড়বে, যা সরাসরি প্রভাব পড়বে পণ্যের বাজারমূল্যে এবং পরোক্ষভাবে এই চাপ গিয়ে পড়বে সাধারণ মানুষের ওপর। বিশেষত যেসব কাঁচামাল ও ভোগ্যপণ্য আমদানিনির্ভর সেগুলোর মূল্যবৃদ্ধি দেশের সাধারণ জনগণের ওপর চাপ তৈরি করবে।
    বিজিএমইএর সাবেক প্রথম সহ-সভাপতি এস এম আবু তৈয়ব বলেন, এমনিতেই ব্যবসায়ীরা আগে থেকেই নানামুখী চাপে রয়েছে এবং ব্যবসা আগের চেয়ে অনেক প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন কারণে পণ্যের উৎপাদন খরচ আগের চেয়ে অনেক বেশি হচ্ছে। এর মধ্যে বন্দরের বিভিন্ন খাতে ট্যারিফ বাড়ানো হবে ‘মরার ওপর খাড়ার ঘা‘।
  10. অপর এক ব্যবসায়ী বলেন, তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য, হালকা প্রকৌশল খাত ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকতে লড়াই করছে। এই অবস্থায় ট্যারিফ বাড়ালে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে এবং রপ্তানিপণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে।মাশুল বাড়লে ব্যবসার খরচ বাড়বে এবং এর প্রভাব ভোক্তা পর্যায়ে পড়বে এমন অভিযোগ ব্যবসায়ীদের।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নিধারিত ভাড়া না মানলে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যবস্থা: ইউএনও

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট না থাকলে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উপজেলার সব সিএনজি অটোরিকশায় দৃশ্যমান স্থানে ভাড়ার চার্ট টাঙানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বোয়ালখালী উপজেলা অডিটোরিয়ামে সিএনজির ভাড়া, যাত্রীসেবা ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক।

সভায় যাত্রীদের স্বার্থ, চালক ও মালিকদের ন্যায্যতা এবং সিএনজি পরিবহনে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে সিএনজিতে যাত্রী উঠানামার ভাড়া ৫ টাকা এবং ইউএনও কার্যালয় থেকে ফুলতল পর্যন্ত ভাড়া ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এ ছাড়া স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা চলাকালীন সময়ে ইউনিফর্ম পরিহিত কিংবা বৈধ পরিচয়পত্রধারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্ধেক ভাড়া নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রতিটি সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব গাড়িতে ভাড়ার চার্ট লাগানো নিশ্চিত করতে হবে। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ভাড়ার চার্ট না থাকা গাড়ির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায় না করা এবং যাত্রীদের সঙ্গে শালীন, ভদ্র ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে চালকদের নির্দেশ দেওয়া হয়। যাত্রী হয়রানি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় কিংবা সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অমান্যের অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, বোয়ালখালীর পাঁচটি স্টেশনে পূর্বের নির্ধারিত ভাড়ার সঙ্গে ৫ টাকা করে বৃদ্ধি করা হবে। অন্য স্টেশনগুলোর ভাড়া আগের মতোই বহাল থাকবে।

সভায় বোয়ালখালী সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কানিজ ফাতেমা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইসহাক চৌধুরী, বিএনপি নেতা শহিদুল্লাহ চৌধুরী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা মুজাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির বোয়ালখালী উপজেলা শাখার সভাপতি অধীর বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন দুলালসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, এস এম মোদাচ্ছের, বোয়ালখালী সিএনজি অটোরিকশা টেম্পু শ্রমিক ও মালিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মো. ইদ্রিস, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাবিবুর রহমান, শ্রমিকনেতা আবদুল সাত্তার এবং কালুরঘাট-ফুলতল, শাকপুরা, সিও অফিস, জোটপুকুর, কানুনগোপাড়া, দাশেরদীঘি, বেংগুরাসহ বিভিন্ন এলাকার সিএনজি চালক ও সমিতির প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।সভায় উপস্থিত বিভিন্ন পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে যাত্রীবান্ধব, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ সিএনজি পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

ইঞ্জিন দ্রুত মেরামতে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের নির্দেশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ), লোকোসেড, সিজিপিওয়াই, কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ (সিসিবিএল) ও পদ্মা অয়েল সাইডিং লাইন পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মামুনুল ইসলাম। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) এসব স্থাপনা পরিদর্শন করেন তিনি। পরিদর্শনকালে রেলওয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী (সিই), চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (সিওপিএস), চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার (সিসিএম), চট্টগ্রামের বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম) এবং পাহাড়তলীর ডিএসডব্লিউসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমে রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ) পরিদর্শন করেন মহাব্যবস্থাপক। এ সময় তিনি একাডেমির একাডেমিক ভবন, প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ কক্ষ, ডরমেটরি ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে বিভাগীয় প্রধানদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।এরপর তিনি সিজিপিওয়াই, টার্ন টেবিল, ট্রায়াঙ্গেল লাইন, ইয়ার্ড লাইন ও লোকোসেড পরিদর্শন করেন। লোকোসেড পরিদর্শনকালে ইঞ্জিন দ্রুত মেরামত ও সচল রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন পরামর্শ ও নির্দেশনা দেন।

পরে সিজিপিওয়াই এলাকায় কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ (সিসিবিএল) পরিদর্শন করেন মহাব্যবস্থাপক। এ সময় সিসিবিএলের সঙ্গে রেলওয়ের বিভিন্ন চুক্তি, নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং সীমানা নির্ধারণসংক্রান্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া দ্মা অয়েল সাইডিং লাইন পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধানদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন তিনি।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ