আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

পাউবোর উদ্ধার করা ১১৭০ কোটি টাকার জমিতে হবে বনায়ন ও পরিবেশবান্ধব পার্ক।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের কাট্টলী ও হালিশহর এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে ১১৭ একর জমি অবৈধ দখলমুক্ত করেছিল পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবো)।৩৯ প্রভাবশালী দীর্ঘদিন ধরে এসব জমি দখল করে রেখেছিলেন। অবৈধ দখলদারের মধ্যে সাবেক সিটি মেয়র, সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ-বিএনপির প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও ছিলেন। এই ১১৭ একর জায়গা অবৈধ দখলমুক্ত করা জমির মূল্য দাঁড়ায় ১১৭০ কোটি টাকা। এসব জমিতে বনায়ন ও পরিবেশবান্ধব পার্ক করার পরিকল্পনা রয়েছে পাউবোর।

পাউবো সূত্র জানায়, গত সাপ্তাহে অভিযান চালিয়ে ১১৭ একর জায়গা অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়েছে। ওই মৌজায় প্রতি শতক জমি ১০-১১ লাখ টাকায় বেচাকেনা হয়। গড়ে ১০ লাখ টাকা করে হলেও উদ্ধার করা জমির মূল্য দাঁড়ায় ১১৭০ কোটি টাকা।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী (পওর-১) শওকত ইবনে সাহীদ বলেন, উদ্ধার করা জমিতে বনায়ন ও পরিবেশবান্ধব পার্ক করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, এই এলাকায় তিনটি খাল দখল ও ভরাট হয়ে অস্তিত্বহীন হয়ে গেছে। এসব খাল পুনরুদ্ধার করে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে সৌন্দর্যবৃদ্ধি, নগরবাসীর পর্যটনকেন্দ্র ও জলাবদ্ধতা নিরসনে বড় ভূমিকা রাখবে।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে ১৯৭০ সালে ২ হাজার ৬৪২ একর জমি অধিগ্রহণ করেছিল পাউবো। বাঁধ-কাম সড়ক নির্মাণের পর বিপুল পরিমাণ জায়গা অব্যবহৃত রয়ে যায়। পরবর্তীসময়ে তা দখল করে নেয় প্রভাবশালীরা।
যার ফলে পানি উন্নয়ন বোর্ড অবৈধ ৩৯ দখলদার চিহ্নিত করেছিল। এসব প্রভাবশালীর কাছে হালিশহর ও পাহাড়তলী এলাকার প্রায় ৩২ একর জায়গা দখলে ছিল। ১৬ বছর ধরে এসব জায়গা দখল করে কাভার্ডভ্যান ইয়ার্ড, ডিপো, ডেইরি ফার্ম, গাড়ির গ্যারেজ, হোটেল, ভাড়া ঘরসহ নানা স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল। পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা ভাড়া দিয়ে কোটি কোটি টাকা আদায় করছিলেন প্রভাবশালীরা। এরমধ্যে রয়েছেন আ.লীগের সাবেক সংসদ সদস্য দিদারুল আলম, সাবেক মেয়র মনজুর আলম, চসিকের সাবেক কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা নিছার উদ্দিন আহমদ নেছার, যমুনা গ্রুপ অব ইন্ড্রাস্ট্রিজ, সাবেক কাউন্সিলর আবুল হাসেমসহ আরও অনেকে। শুধু আওয়ামী লীগ নয়, দখলদারের তালিকায় বিএনপি নেতাও রয়েছেন। তবে স্থানীয়রা জানান, দখলদারদের অনেকেই দখলস্বত্ব বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দখলদারমুক্ত করা জমি ইজারা পেতে আবেদন করেছেন অনেকেই। এরমধ্যে সম্প্রতি উচ্ছেদ করা ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান ইয়ার্ড, গাড়ির গ্যারেজ, সাবেক মন্ত্রী, প্রভাবশালী নেতা ও পাকা স্থাপনার মালিকেরাও আছেন। এসব আবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান ইয়ার্ড, গাড়ির গ্যারেজসহ ভারী স্থাপনা নয়, ইজারা পেলে গবাদি পশুর ও হাঁস-মুরগির খামার এবং মাছ চাষ করতে চান তারা।
ইজারার আবেদন করেছেন মো. মঈন উদ্দিন চৌধুরী ও সাদ্দাম হোসেন নামে দুই ব্যক্তি। দুই দশমিক ৩৬ একর ও দশমিক ৬০ একর জায়গা ইজারা নিয়ে গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগির খামার করতে ইচ্ছুক তারা। মঈন উদ্দিন চৌধুরী বলেন, গরু ও হাঁস-মুরগির খামার করার ইচ্ছে রয়েছে। ইয়ার্ড ও গ্যারেজের জায়গায় কীভাবে খামার করবেন-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হাঁস-মুরগি না হলেও গরুর খামার করা যাবে।

রাজনৈতিক এক প্রভাবশালী পরিবারের ৫ ভাই ইজারা পেতে আবেদন করেছেন। দেশের আমিষের চাহিদা পূরণে প্রাণিসম্পদের উন্নয়ন ১৭ দাগে চার দশমিক ৫০ একর জমি লিজ পেতে চান তারা। আবেদনে বলা হয়, দীর্ঘমেয়াদি লিজ পেলে মৎস্য চাষ, পশু ও হাঁস-মুরগি পালন করতে আগ্রহী এ বড় ব্যবসায়ী পরিবার। প্রায় ২১ গন্ডা জমি ইজারা পেতে আবেদন করেছেন মো. আবু সাইদ মুক্তা। তিনিও বনায়ন ও শাক-সবজির চাষাবাদ এবং অন্যান্যভাবে ব্যবহার করতে চান। মো. আরফাত হোসেন নামে এক ব্যক্তি ২২ দিয়ারা দাগের ২ দশমিক ৩০ একর জায়গা ইজারার জন্য আবেদন করেছেন। তিনিও আমিষের ঘাটতি পূরণে পশু ও হাঁস-মুরগি পালন করতে চান।

কৃষি লিজের আড়ালে শুভঙ্করের ফাঁকি বলে জানিয়েছেন পাউবোর কর্মকর্তা ও স্থানীয়রা। তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে দখল করা জমিতে ভারী ব্যবসা-বাণিজ্য চলে আসছিল। অনেকেই দখল করা জায়গায় কোটি কোটি টাকার ভাড়া দিয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের রাজস্ব শাখা সূত্র জানায়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্থাবর সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা নির্দেশনা-২০১৭ মতে, কৃষি লিজের ক্ষেত্রে প্রতি শতকের বিপরীতে ৫০ হাজার টাকার জামানত ও ৪ হাজার টাকার ভাড়া নির্ধারণ রয়েছে। আর বাণিজ্যিক লিজের ক্ষেত্রে শতকপ্রতি ৯০ হাজার টাকার জামানত ও ৯ হাজার টাকার ভাড়া গুনতে হবে। বড় অঙ্কের রাজস্ব ফাঁকি দিতে আবেদনকারীরা কৃষি লিজের আবেদন করেছেন।

অথচ আবেদন করা জায়গায় আগের দখলকারীরা ট্রাক-কাভার্ডভ্যান ইয়ার্ড, গাড়ির গ্যারেজ, পাকা স্থাপনাসহ বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ করেছিল।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শওকত ইবনে সাহীদ আরো বলেন, উদ্ধার করা জমি নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। নিজেদের ব্যবহারের পর অবশিষ্ট জমি ইজারা দিলে সরকার বড় অঙ্কের রাজস্ব পাবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সিরাজুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজে বসন্তবরণ ও পিঠা উৎসব

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঋতুরাজ বসন্তকে বরণ করে নিতে এবং বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী সিরাজুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজে দিনব্যাপী বসন্তবরণ ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) কলেজ প্রাঙ্গণে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই আয়োজন সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক। এসময় কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের পদচারণায় পুরো ক্যাম্পাস এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। উদ্বোধনী বক্তব্যে এবং আলোচনা সভায় বক্তারা বাঙালি সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, আকাশ সংস্কৃতির যুগে আমাদের শিকড়কে ভুলে গেলে চলবে না। নতুন প্রজন্মের মাঝে দেশীয় ঐতিহ্যচর্চা, সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে এ ধরনের উৎসবের ভূমিকা অপরিসীম।

বসন্তের উজ্জ্বল রঙে সেজে ওঠা ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। হরেক রকম পিঠাপুলির স্টল এবং শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পুরো আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে। গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা পিঠার সঙ্গে পরিচিত হতে পেরে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
আয়োজকরা জানান, পাঠ্যপুস্তকের শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশ এবং আমাদের গ্রামীণ লোকজ ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতেই এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

সংরক্ষিত এমপির মনোনয়ন পেতে চট্টগ্রামের নারী প্রার্থীদের অতীতের কর্মকান্ড হাইকমান্ডে তুলে ধরার চেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। যার ফলে চট্টগ্রাম থেকে বিএনপির একাধিক নেত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হওয়ার প্রত্যাশায় রয়েছেন। সংসদ ও সরকার গঠনের পর এবার দলীয় মনোনয়ন পেতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ চলমান রয়েছে। বিশেষ করে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেতে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের একাধিকজন নেত্রী সক্রিয় যোগাযোগ রাখছেন।সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বলেন, সংরক্ষিত আসনে চট্টগ্রামের যোগ্য ও ত্যাগীদের মূল্যায়ন চাই।

চট্টগ্রাম থেকে আলোচনায় থাকা সম্ভাব্যদের মধ্যে রয়েছেন, বিএনপির সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় নেত্রী ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা। আইন অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা এবং দলীয় কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার কারণে তাঁর নাম আলোচনায় এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

অনদিকে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা বাদশা, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মনি, সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মহিলা দলের সভাপতি মেহেরুন নেছা নার্গিস, দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সভাপতি জান্নাতুল নাঈম রিকু, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদা খানম এবং মহিলা দলের নেত্রী মেহেরুন্নসা নার্গিসের নামও মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকায় রয়েছেন। এছাড়াও জাসাসের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক নাজমা সাঈদ ও ফটিকছড়ির গুম হওয়া বিএনপি নেতা শহিদুল আলম সিরাজ চেয়ারম্যানের সহধর্মিনী সুলতানা পারভীনের নামও আলোচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে।

বিএনপির দলীয় একাধিক সূত্র বলছে, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, দলীয় আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, পেশাগত দক্ষতা ও তৃণমূলের গ্রহণযোগ্যতাকে গুরুত্ব দিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয় এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতিও মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবে। তবে সংরক্ষিত নারী আসনে তফসিলের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।দলীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রত্যাশীরা।

সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় নেত্রী ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা বলেন, আমি সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে চেয়েছিলাম। কিন্তু দল আমাকে মনোনয়ন দেয়নি। এখনো দলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে মেনে নেব। সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, আমি গত ১৭ বছর ধরে আন্দোলন-সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত আছি।

ছাত্র জীবন থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এই দীর্ঘ পথচলায় একাধিক মামলা ও পাঁচ-ছয় বার গ্রেপ্তারও হয়েছি। অনেক সময় বাসায় থাকতে পারিনি, পরিবার-পরিজনের সঙ্গ থেকেও বঞ্চিত হয়েছি। আমি চাই, চট্টগ্রামে আমার এই দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মূল্যায়ন করা হোক। ব্যক্তিগত জীবনে আমি কোনো প্রাপ্তির কথা ভাবিনি; শুধু আদর্শ ও দলের জন্য কাজ করে গেছি। আমার মতো ত্যাগী নেত্রীদের যথাযথ সম্মান ও মূল্যায়ন করা সময়ের দাবি। ২০০১ সালেও আমি মনোনয়ন নিয়েছিলাম, তখনও মূল্যায়ন করা হয়নি। ম্যাডাম ভবিষ্যতে মূল্যায়নের আশ্বাস দিয়েছিল।

সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে জাসাসের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক নাজমা সাঈদ বলেন, আন্দোলন-সংগ্রাম ও দলীয় কর্মসূচিতে ঝুঁকি নিয়েও দীর্ঘদিন সক্রিয়ভাবে কাজ করে গেছি। চট্টগ্রামের পাশাপাশি ঢাকার বিভিন্ন কর্মসূচিতেও ছিলাম সরব, পাশাপাশি অনলাইন ও অফলাইন—দুই মাধ্যমেই দলের পক্ষে ভূমিকা রেখেছি।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তিনি মন্ত্রিপরিষদের নতুন সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে এই শ্রদ্ধা জানান।

জানা যায়, এরপর প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার কথা রয়েছে। এ সময় তারা উভয় নেতার মাজার জিয়ারতও করবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ