আজঃ বুধবার ৬ মে, ২০২৬

পাউবোর উদ্ধার করা ১১৭০ কোটি টাকার জমিতে হবে বনায়ন ও পরিবেশবান্ধব পার্ক।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের কাট্টলী ও হালিশহর এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে ১১৭ একর জমি অবৈধ দখলমুক্ত করেছিল পানি উন্নয়ন বোর্ড(পাউবো)।৩৯ প্রভাবশালী দীর্ঘদিন ধরে এসব জমি দখল করে রেখেছিলেন। অবৈধ দখলদারের মধ্যে সাবেক সিটি মেয়র, সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ-বিএনপির প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও ছিলেন। এই ১১৭ একর জায়গা অবৈধ দখলমুক্ত করা জমির মূল্য দাঁড়ায় ১১৭০ কোটি টাকা। এসব জমিতে বনায়ন ও পরিবেশবান্ধব পার্ক করার পরিকল্পনা রয়েছে পাউবোর।

পাউবো সূত্র জানায়, গত সাপ্তাহে অভিযান চালিয়ে ১১৭ একর জায়গা অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়েছে। ওই মৌজায় প্রতি শতক জমি ১০-১১ লাখ টাকায় বেচাকেনা হয়। গড়ে ১০ লাখ টাকা করে হলেও উদ্ধার করা জমির মূল্য দাঁড়ায় ১১৭০ কোটি টাকা।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী (পওর-১) শওকত ইবনে সাহীদ বলেন, উদ্ধার করা জমিতে বনায়ন ও পরিবেশবান্ধব পার্ক করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, এই এলাকায় তিনটি খাল দখল ও ভরাট হয়ে অস্তিত্বহীন হয়ে গেছে। এসব খাল পুনরুদ্ধার করে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে সৌন্দর্যবৃদ্ধি, নগরবাসীর পর্যটনকেন্দ্র ও জলাবদ্ধতা নিরসনে বড় ভূমিকা রাখবে।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে ১৯৭০ সালে ২ হাজার ৬৪২ একর জমি অধিগ্রহণ করেছিল পাউবো। বাঁধ-কাম সড়ক নির্মাণের পর বিপুল পরিমাণ জায়গা অব্যবহৃত রয়ে যায়। পরবর্তীসময়ে তা দখল করে নেয় প্রভাবশালীরা।
যার ফলে পানি উন্নয়ন বোর্ড অবৈধ ৩৯ দখলদার চিহ্নিত করেছিল। এসব প্রভাবশালীর কাছে হালিশহর ও পাহাড়তলী এলাকার প্রায় ৩২ একর জায়গা দখলে ছিল। ১৬ বছর ধরে এসব জায়গা দখল করে কাভার্ডভ্যান ইয়ার্ড, ডিপো, ডেইরি ফার্ম, গাড়ির গ্যারেজ, হোটেল, ভাড়া ঘরসহ নানা স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল। পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা ভাড়া দিয়ে কোটি কোটি টাকা আদায় করছিলেন প্রভাবশালীরা। এরমধ্যে রয়েছেন আ.লীগের সাবেক সংসদ সদস্য দিদারুল আলম, সাবেক মেয়র মনজুর আলম, চসিকের সাবেক কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা নিছার উদ্দিন আহমদ নেছার, যমুনা গ্রুপ অব ইন্ড্রাস্ট্রিজ, সাবেক কাউন্সিলর আবুল হাসেমসহ আরও অনেকে। শুধু আওয়ামী লীগ নয়, দখলদারের তালিকায় বিএনপি নেতাও রয়েছেন। তবে স্থানীয়রা জানান, দখলদারদের অনেকেই দখলস্বত্ব বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দখলদারমুক্ত করা জমি ইজারা পেতে আবেদন করেছেন অনেকেই। এরমধ্যে সম্প্রতি উচ্ছেদ করা ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান ইয়ার্ড, গাড়ির গ্যারেজ, সাবেক মন্ত্রী, প্রভাবশালী নেতা ও পাকা স্থাপনার মালিকেরাও আছেন। এসব আবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান ইয়ার্ড, গাড়ির গ্যারেজসহ ভারী স্থাপনা নয়, ইজারা পেলে গবাদি পশুর ও হাঁস-মুরগির খামার এবং মাছ চাষ করতে চান তারা।
ইজারার আবেদন করেছেন মো. মঈন উদ্দিন চৌধুরী ও সাদ্দাম হোসেন নামে দুই ব্যক্তি। দুই দশমিক ৩৬ একর ও দশমিক ৬০ একর জায়গা ইজারা নিয়ে গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগির খামার করতে ইচ্ছুক তারা। মঈন উদ্দিন চৌধুরী বলেন, গরু ও হাঁস-মুরগির খামার করার ইচ্ছে রয়েছে। ইয়ার্ড ও গ্যারেজের জায়গায় কীভাবে খামার করবেন-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হাঁস-মুরগি না হলেও গরুর খামার করা যাবে।

রাজনৈতিক এক প্রভাবশালী পরিবারের ৫ ভাই ইজারা পেতে আবেদন করেছেন। দেশের আমিষের চাহিদা পূরণে প্রাণিসম্পদের উন্নয়ন ১৭ দাগে চার দশমিক ৫০ একর জমি লিজ পেতে চান তারা। আবেদনে বলা হয়, দীর্ঘমেয়াদি লিজ পেলে মৎস্য চাষ, পশু ও হাঁস-মুরগি পালন করতে আগ্রহী এ বড় ব্যবসায়ী পরিবার। প্রায় ২১ গন্ডা জমি ইজারা পেতে আবেদন করেছেন মো. আবু সাইদ মুক্তা। তিনিও বনায়ন ও শাক-সবজির চাষাবাদ এবং অন্যান্যভাবে ব্যবহার করতে চান। মো. আরফাত হোসেন নামে এক ব্যক্তি ২২ দিয়ারা দাগের ২ দশমিক ৩০ একর জায়গা ইজারার জন্য আবেদন করেছেন। তিনিও আমিষের ঘাটতি পূরণে পশু ও হাঁস-মুরগি পালন করতে চান।

কৃষি লিজের আড়ালে শুভঙ্করের ফাঁকি বলে জানিয়েছেন পাউবোর কর্মকর্তা ও স্থানীয়রা। তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে দখল করা জমিতে ভারী ব্যবসা-বাণিজ্য চলে আসছিল। অনেকেই দখল করা জায়গায় কোটি কোটি টাকার ভাড়া দিয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের রাজস্ব শাখা সূত্র জানায়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্থাবর সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা নির্দেশনা-২০১৭ মতে, কৃষি লিজের ক্ষেত্রে প্রতি শতকের বিপরীতে ৫০ হাজার টাকার জামানত ও ৪ হাজার টাকার ভাড়া নির্ধারণ রয়েছে। আর বাণিজ্যিক লিজের ক্ষেত্রে শতকপ্রতি ৯০ হাজার টাকার জামানত ও ৯ হাজার টাকার ভাড়া গুনতে হবে। বড় অঙ্কের রাজস্ব ফাঁকি দিতে আবেদনকারীরা কৃষি লিজের আবেদন করেছেন।

অথচ আবেদন করা জায়গায় আগের দখলকারীরা ট্রাক-কাভার্ডভ্যান ইয়ার্ড, গাড়ির গ্যারেজ, পাকা স্থাপনাসহ বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ করেছিল।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শওকত ইবনে সাহীদ আরো বলেন, উদ্ধার করা জমি নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। নিজেদের ব্যবহারের পর অবশিষ্ট জমি ইজারা দিলে সরকার বড় অঙ্কের রাজস্ব পাবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ব্লাড ব্যাংকের যাত্রা শুরু ৪৬ বছরে পা রাখলো মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালের ৪৬ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান ও ব্লাড ব্যাংকের উদ্বোধন একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো মনিরুজ্জামান। এতে ডেঙ্গু রোগীদের ক্ষেত্রে রক্তের যথাযথ ব্যবহার বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের ডিভিশনাল ডিরেক্টর ডা. শেখ ফজলে রাব্বি। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যাপক ডা. মাসুদ আহমেদ, অধ্যাপক ডা. এ.এম. রায়হান উদ্দিন, অধ্যাপক ডা. হাফিজুল ইসলাম। হাসপাতালের জেনারেল ম্যানেজার মো.ইয়াছিন আরাফাতের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, সহযোগী অধ্যাপক ডা. জেবুন নেসা, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান (মিজান) এবং সহকারী অধ্যাপক ডা. আশরাফুল হক।

সেমিনারে বক্তারা ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় রক্ত ও রক্তজাত উপাদানের সঠিক ও প্রয়োজনীয় ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব প্রদান করেন। তারা বলেন, সঠিক সময়ে সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে ডেঙ্গুজনিত জটিলতা অনেকাংশে কমানো সম্ভব। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়ন ও আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রসারে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. তাহমিদ জুনায়েদ মাহমুদ, ডা. সাফওয়ান মাহমুদ, মার্কেটিং ম্যানেজার রতন কুমার নাথ, বিডিএম ম্যানেজার গোলাম রব্বানী, সার্ভিস ম্যানেজার লুৎফুর রহমান, আই টি ম্যানেজার মোঃ উছা, সহকারী ম্যানেজার মো. মিজানুর রহমানসহ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকবৃন্দ এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে জব্দ ২৭ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে বিপুল সংখ্যক সিগারেটের চালান জব্দ করা হয়েছে। মাস্কাট থেকে আগত সালাম এয়ারের একটি ফ্লাইটের যাত্রী মো. শামসুদ্দিনের ব্যাগেজ তল্লাশি করে ২৮০ কার্টন সিগারেট উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে আন্তর্জাতিক আগমন হলের ১ নম্বর লাগেজ বেল্টে যাত্রীবিহীন অবস্থায় আরও ১ হাজার ৬৫ কার্টন সিগারেট ও একটি ল্যাপটপ পাওয়া যায়। রোববার দিবাগত রাতে বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক আগমন হলে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল বলেন, জব্দ করা সিগারেট থেকে সম্ভাব্য রাজস্বের পরিমাণ প্রায় ২৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা। উদ্ধারকৃত সিগারেট ও ল্যাপটপ ডিপার্টমেন্টাল মেমোরেন্ডাম মূল্যে জব্দ করে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের হেফাজতে রাখা হয়েছে। আটক যাত্রীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মৌখিকভাবে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ