আজঃ সোমবার ৯ মার্চ, ২০২৬

বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল দুবাই-এ ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধা দিবস-২০২৫’ পালন

মোহাম্মদ আরমান চৌধুরী ইউ এ ই প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রেমিট্যান্স যোদ্ধা দিবস-২০২৫’ উদযাপন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, দুবাই-এ ০২ আগষ্ট ২০২৫ তারিখে ‘জুলাই চিত্র প্রদর্শনী’ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। দুবাই ও উত্তর আমিরাতে বসবাসরত প্রবাসী কর্মী ও রেমিট্যান্স যোদ্ধা, বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, পেশাজীবি, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি এবং কনস্যুলেট-এর কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে দুবাই ও উত্তর আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মোঃ রাশেদুজ্জামান ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে জুলাই চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন।

‘রেমিট্যান্স যোদ্ধা দিবস-২০২৫’ উপলক্ষ্যে কনসাল জেনারেল-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার শুরুতে জুলাই শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।অনুষ্ঠানে ২০২৪-এর জুলাই-আগষ্ট আন্দোলনে রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের অসামান্য ভূমিকার উপর নির্মিত একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শিত হয় যেখানে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের বিশাল অবদান ও প্রবাসীদের জন্য সরকার কর্তৃক গৃহীত নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরা হয়।

আলোচনা সভায় অংশ নেয়া প্রবাসী কর্মী, বাংলাদেশ কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ এবং অন্যান্য শ্রেণী ও পেশার প্রতিনিধিবৃন্দ ২০২৪ সালের জুলাই-আগষ্ট অভ্যূত্থানকালীন সময়ে তাদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন এবং দেশ ও কমিউনিটির কল্যাণে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হবার আহ্বান জানান। এছাড়া, তারা বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রেরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে কনসাল জেনারেল জুলাই আন্দোলনে প্রবাসীদের অসামান্য অবদানের কথা আরও একবার স্মরণ করেন। তিনি এই আন্দোলনে আমিরাতে সাজাপ্রাপ্ত বাংলাদেশীদের মুক্তির বিষয়ে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার ঐকান্তিক প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এ বিষয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। পাশাপাশি তিনি আমিরাতে বসবাসরত সকল প্রবাসীদের এ দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে বাংলাদেশ কমিউনিটির ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করার লক্ষ্যে একসাথে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান। কনসাল জেনারেল তাঁর বক্তব্যে কনস্যুলেট-এর সেবার মান উন্নয়নে অব্যাহত প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরেন এবং প্রবাসীদের সার্বিক কল্যাণে কনস্যুলেট সবসময় তাদের পাশে থাকার কথা পূনর্ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানের শেষে চব্বিশের জুলাই-আগষ্ট মাসে নিহত শহিদদের রুহের মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং দেশের উত্তোরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয় । কাউন্সেলর (শ্রম) ও দূতালয় প্রধান মোঃ আব্দুস সালাম অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা ও সার্বিক পরিচালনা করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শ্রীলঙ্কায় প্রবেশের অনুমতি চেয়েছে তিনটি ইরানি জাহাজ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শ্রীলঙ্কা সফরের অনুমতি চেয়ে তিনটি ইরানি জাহাজ ৯ ও ১৩ মার্চ  দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে আবেদন করেছে বলে জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কান প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে।   বিশেষ সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি জানান- ইরানি সরকার ২৬ ফেব্রুয়ারি সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এই সফরের জন্য শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুমতি চেয়েছিল।

তিনি আরও উল্লেখ করেন- জাহাজগুলো ইতোমধ্যে শ্রীলঙ্কার জলসীমার কাছে অবস্থান করছিল এবং মানবিক অনুরোধে জাহাজের দু’জন কর্মকর্তাকে দেশে আনা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট দিসানায়েকে বলেন-চলমান বা ভবিষ্যতের কোনো আন্তর্জাতিক সংঘাতে শ্রীলঙ্কার ভূখণ্ড, সমুদ্রসীমা কিংবা আকাশসীমা কোনোভাবেই ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।

এছাড়াও ‘আইআরআইএস বুশেহর’ নামের একটি ইরানি জাহাজ শ্রীলঙ্কার কলম্বো বন্দরের কাছে এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন এলাকায় নোঙর করা রয়েছে। জাহাজটি শ্রীলঙ্কার জলসীমায় প্রবেশের অনুমতি চেয়েছে এবং ইতোমধ্যেই জাহাজের ক্রুদের উদ্ধার করে তীরে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কান প্রেসিডেন্ট।শ্রীলঙ্কায় ইরানি দূতাবাস ও শ্রীলঙ্কা সরকারের মধ্যে আলোচনার পর ক্রুদের উদ্ধারের সিদ্ধান্ত নেন সংশ্লিষ্ট জাহাজের অধিনায়ক। সেই অনুযায়ী আমাদের নৌবাহিনীর জাহাজগুলো ওই জাহাজের কাছে পৌঁছেছে এবং ক্রুদের উদ্ধারকাজে নিয়োজিত রয়েছে।

সানায়েকে বলেন, আমাদের কাছে যে তথ্য রয়েছে, তাতে ২০৮ জন ক্রুকে তীরে আনার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৩ জন কর্মকর্তা, ৮৪ জন ক্যাডেট, ৪৮ জন সিনিয়র নাবিক এবং ২৩ জন নাবিক রয়েছেন।  আমরা এখন ওই ২০৮ জনকে জাহাজ থেকে আমাদের নৌযানে নিয়ে এসে কলম্বো বন্দরে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছি। এরপর ওই জাহাজের ক্রু ও আমাদের নাবিকদের ত্রিনকমালি বন্দরের এলাকায় নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

এর আগে গত বুধবার পূর্ব ভারতের একটি বন্দর থেকে ইরানের দিকে যাত্রা করা ফ্রিগেট ‘আইআরআইএস ডেনা’ হামলা চালায় একটি মার্কিন সাবমেরিন। এতে কমপক্ষে ৮৭ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও ৩২ জনকে জীবিত  উদ্ধার করে লঙ্কান নৌবাহিনী।

সংগৃহীত –

banglakhaborpatrika/বাংলা খবর পত্রিকা

ইরানি যুদ্ধজাহাজ ও ১৮৩ নাবিককেকে আশ্রয় দিল ভারত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইরানি যুদ্ধজাহাজ আইআরআইএস লাভান এবং তার ১৮৩ নাবিককে আশ্রয় দিয়েছে ভারত। জাহাজটি ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রযুক্তিগত সমস্যায় বিপদ সংকেত পাঠায়, যেদিন মার্কিন ও ইসরাইলি সামরিক অভিযান শুরু হয়েছিল।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকার জানিয়েছে-কচিতে জাহাজটির নোঙরের জন্য আবেদন এসেছে ২৮ ফেব্রুয়ারি। ডকিং অনুমোদন করা হয় ১ মার্চ এবং ৪ মার্চ থেকে জাহাজটি কচিতে অবস্থান করছে। সরকারি একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন-জাহাজের নাবিকদের জন্য কচিতে থাকা এবং খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ঘটনাটি এমন সময় আসে, যখন ভারত এ সপ্তাহেই সমালোচনার মুখে পড়েছে। ভারত সরকার জানায়-আইআরআইএস লাভানকে আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্তে মানবিক দৃষ্টিকোণ এবং নাবিকদের নিরাপত্তাকে প্রধান ভিত্তি হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
সংগৃহীত –

নিউজ পাঠাতে মেইল করুন- [email protected]

আলোচিত খবর

চরম বিপাকে হাজার হাজার যাত্রী শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ৮ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা মোট ৮০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির যুদ্ধাবস্থায় দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ডগুলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে। শনিবার নতুন করে বাতিল হয়েছে আরো ১২টি ফ্লাইট। এই টানা ৮ দিন ধরে ফ্লাইট বাতিলে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী, যাদের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী শ্রমিক। অনেক যাত্রী দূর-দূরান্ত থেকে বিমানবন্দরে এসে ফ্লাইট বাতিলের খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধাবস্থার কারণে দুবাই, আবুধাবি ও দোহার মতো গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডগুলো বন্ধ থাকায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এয়ারফিল্ডগুলো খুলে দিলেই পুনরায় নিয়মিত ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক প্রবাসী তাদের ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন। যথাসময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে চাকরি হারানোর ভয় কাজ করছে তাদের মনে।অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যারা দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তারা সেখানের এয়ারফিল্ডে আটকা পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া বা রি-শিডিউল করা নিয়ে এয়ারলাইনস অফিসগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, শনিবার সারাদিনে ১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার।এয়ার আরাবিয়ারের ২টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। সালাম এয়ারের ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার।
পুরো সূচি বিপর্যস্ত হলেও শনিবার সীমিত কিছু ফ্লাইট সচল রয়েছে। এর মধ্যে সালাম এয়ারের মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে দুটি (ওভি-৪০১ ও ওভি-৪০২) এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মদিনা (বিজি-১৩৮) ও মাস্কাট (বিজি-১২২) থেকে আসা দুটি ফ্লাইট অবতরণ করেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ