মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছি : আমীর খসরু

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নির্বাচনের ঘোষণা আসায় দেশবাসী স্বস্তিতে আছে। তবে, আমাদের সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। যাতে নির্বাচনে কোনো বাধা না আসে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে নিউমার্কেট চত্ত্বরে বুধবার চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।

আমীর খসরু বলেন, আমরা গণতন্ত্রের পথে চলেছি। বাংলাদেশের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া আমরা শুরু করেছি। জনগণের মালিকানা ফিরে দেওয়ার জন্য গত ১৬ বছর আমরা জেল খেটেছি, গুম হয়েছি। নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মালিকানা জনগণকে ফিরিয়ে দেব।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ সহনশীল রাজনীতি চায়, পরস্পরের প্রতি সম্মান দেখিয়ে রাজনীতি করতে চায়। রাজনীতিতে মতপার্থক্য থাকার পরও বিএনপি নতুন রাজনীতি শুরু করেছে। দেশের অন্য রাজনৈতিক দল ও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা গণতন্ত্রের হাইওয়েতে পথ চলতে শুরু করেছি। গণতন্ত্রের এই অগ্রযাত্রা যাতে কেউ বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, তার জন্য সজাগ থাকতে হবে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, কিছু কিছু শক্তি গণতন্ত্র ও নির্বাচনের বিপক্ষে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তাদের কোনো জায়গা দেওয়া হবে না। গণতন্ত্রের বিজয়ের পথে আমরা চলছি। এই পথ যারা বাধাগ্রস্ত করবে, দেশের মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে। তারা রাজনীতি করবে, কিন্তু ভোটে আসবে না।শেখ হাসিনার মতো নিজের মতকে জনগণের মত বলে চালিয়ে দেবে।

গণতন্ত্রের পথে অগ্রযাত্রার সব কৃতিত্ব নেতাকর্মীদের উল্লেখ করে আমীর খসরু বলেন, ১৮ বছরের ত্যাগ-তিতিক্ষায় আমাদের আজকের এই সফলতা। আমাদের সফলতার কৃতিত্ব আপনাদের ত্যাগের কারণে। এই ত্যাগের বিনিময়ে আমরা সফলতা পেয়েছি। নির্বাচন পর্যন্ত ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। গণতন্ত্রবিরোধী শক্তিকে মোকাবেলা করে ধানের শীষকে আগামীতে বিজয়ী করে তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ আরো বলেন, দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করায় পাঁচ থেকে ছয় হাজার নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিএনপি করতে হলে সুশৃঙ্খল থাকতে হবে। বেয়াদবের জায়গা বিএনপিতে হবে না। কোনো ভাইয়ের রাজনীতি বিএনপিতে চলবে না।

অনুষ্ঠানে বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এএম নাজিম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ভিপি হারুনুর রশিদসহ বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

৮০০ কোটি মানুষের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে ২০ লাখ মেরিনারদের পারফর্ম্যান্সের ওপর : নৌপরিবহন মন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ৮০০ কোটি মানুষের অর্থনীতি, বাণিজ্য, পণ্য এবং ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে ১৮ থেকে ২০ লাখ মেরিনারদের পারফর্ম্যান্সের ওপর। নিশ্চয়ই তাদের যোগ্যতা, সাহস, বিশেষ জ্ঞান আছে বলেই আলাদাভাবে আমি তাদের সম্পদ মনে করি। যথেষ্ট সম্ভাবনা আমাদের ছিল, আমরা সেটাকে কাজে লাগাতে পারিনি। পারিনি বিধায় পারব না সেটা তো নয়। কিন্তু মেরিটাইম সেক্টরের সম্ভাবনাকে অযত্নে, অবহেলায়, বিনা পদক্ষেপে ব্যর্থ হতে দিতে চান না নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। এই সেক্টর দেশের অর্থনীতিতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটি বুঝেছি।

প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করেছি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেগুলো সমাধানে বিশেষ পদক্ষেপের অঙ্গীকার করছি।
চট্টগ্রামে বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির ‘বিশ্ব মেরিটাইম দিবস’ এবং ‘মেরিন একাডেমির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী’ উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই অঙ্গীকারের কথা জানালেন। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড়ে আনোয়ারায় একাডেমি ক্যাম্পাসে ছিল এ অনুষ্ঠান। এর আগে অনুষ্ঠানে নৌমন্ত্রী, মন্ত্রণালয়ের সচিবের সামনে মেরিন একাডেমি অ্যালামনাই, মেরিন পেশাজীবী, মেরিটাইম সেক্টরের কর্মরত প্রশাসনের কর্মকর্তারা এ সেক্টরের সম্ভাবনা তুলে ধরে প্রবন্ধ উত্থাপন করেন। এরপর বক্তব্যে সমস্যা, চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়। পরে উত্তরণের উপায় জানান মন্ত্রী।

নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বললেন, ক্যাডেটদের ১ বছর জাহাজে প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে জটিলতা দূর করা, ভিসা জটিলতা নিরসনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছি। এ সেক্টরে মনোযোগ বাড়িয়েছি। সরকার অনেক ক্ষেত্রে প্রচুর অর্থ ব্যয় করছে, প্রচুর বাজেট দিচ্ছে। অর্থনীতি পাল্টে দেওয়ার সক্ষমতা রাখা এ সেক্টরে কীভাবে দেশি বিনিয়োগ নিশ্চিত করা যায় সেটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের কথা দিচ্ছি।
একাডেমির ক্যাডেটদের দারুণ প্রশংসা করে মন্ত্রী জানালেন, ক্যাডেটরা সাহসী ও পরিশ্রমী। তাদেরকে আমি সম্পদ মনে করি। আপনারা ভালো সবকিছু করতে পারেন। আমরা এ ফোর্সটাকে আলাদা গুরুত্ব, আলাদা মর্যাদা দিতে চাই। তাদের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারলেই আজকের অনুষ্ঠান সফল।

নৌপরিবহন সচিব জাকারিয়া বললেন, বাংলাদেশ বিশ্বের অষ্টম জনবহুল দেশ। জনশক্তি রপ্তানিতে প্রথম পাঁচটি দেশের মধ্যে আছে বাংলাদেশ। আর সিফেয়ারার বা মেরিনারস সরবরাহকারী দেশ হিসেবে যখন দেখি, তখন অবস্থান ৫০ দেখে মনটা খারাপ হয়ে যায়। কই আট, কই পাঁচ, আর সিফেয়ারারের ক্ষেত্রে আমরা ৫০ নম্বর!সেই অবস্থা থেকে আমাদের বের হয়ে আসা দরকার। আমাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জগুলো আমরা মোকাবিলা করে মেরিনারস সরবরাহকারী হিসেবে আমরা প্রথম ১০ নম্বরে যেতে চাই।স্থানীয় সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম বাংলাদেশ মেরিন একাডেমিকে এগিয়ে নিতে সরকারি সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

মূল প্রবন্ধে সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমোডর শফিউল বারি ২৯টি আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুমোদন, পুরনো রেগুলেশন সংশোধন এবং ‘গ্রিন ভয়েজ ২০৫০’-এর অংশ হিসেবে জীবাশ্মজ্বালানি থেকে বিকল্প জ্বালানিতে রূপান্তরের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে মহাসাগরকে শুধু সম্পদের উৎস নয়, বরং দায়িত্ব¡ ও যৌথ নেতৃত্বের সুযোগ হিসেবে দেখার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ক্যাপ্টেন আনাম চৌধুরী জানালেন, যে খাতে হাজার হাজার মার্চেন্ট মেরিন কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করছেন, সেই খাতের নীতিনির্ধারণী ও অ্যাকাডেমিক নেতৃত্বে অংশগ্রহণ বেশ সীমিত। আমাদের প্রশাসনে বিশেষায়িত মেরিন ক্যাডারের ঘাটতি রয়েছে। দ্রুত ও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে শিপিং প্রশাসনে মেরিন ক্যাডার ও দক্ষ মেরিটাইম পেশাজীবী অর্ন্তভূক্তি জরুরি।
বঙ্গোপসাগরের বিশাল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে শুধু সমুদ্রগামী নাবিক তৈরিই যথেষ্ট নয়; শিপ ম্যানেজমেন্ট, পোর্ট অপারেশন, জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত, শিপ রিসাইক্লিং, মেরিন ইনস্যুরেন্স এবং অন্যান্য শোর-বেজড মেরিটাইম সেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে সমন্বিত সামুদ্রিক অর্থনীতি গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন মেরিন একাডেমির কমান্ড্যান্ট ক্যাপ্টেন কাজী এ বি এম শামীম।

দিবসটি উপলক্ষে ক্যাডেট কর্তৃক প্রধান অতিথিকে গার্ড অব অনার, প্যারেড পরিদর্শন, র‌্যালি, বেলুন উড্ডয়ন, বৃক্ষরোপণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা, মেরিটাইম খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সরকারি কর্মকর্তা, প্রশিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, ক্যাডেট ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘ ৬৪ বছরের পথচলায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির মাধ্যমে বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি দেশের মেরিটাইম শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। ভবিষ্যতে দেশের ব্লু ইকোনমি, আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্য, কর্মসংস্থান ও সামুদ্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে একাডেমি আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।একাডেমির প্রশিক্ষিত ৫ হাজারের বেশি মেরিনার বর্তমানে দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজ ও বিশ্বের বিভিন্ন মেরিটাইম প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ ও ঊর্ধ্বতন পদে কর্মরত রয়েছেন। তাদের মাধ্যমে অর্জিত বৈদেশিক আয় ও রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। একই সঙ্গে নারী ক্যাডেটদের অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতায় ১২৫ জনেরও বেশি নারী মেরিনার প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।

১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি গত ৬৪ বছর ধরে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন মেরিটাইম শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করে আসছে। কর্ণফুলীর মোহনায় জুলদিয়ায় অবস্থিত এ প্রতিষ্ঠান ওগঙ ঝঞঈড মানদণ্ড অনুসরণ করে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

আগামী ৫ অক্টোবর দিনব্যাপী বন্দর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা দিলে দেশের কী লাভ হবে, তা সরকারকে জনগণের কাছে স্পষ্ট করতে হবে। একইভাবে এনসিটি ইজারা দেওয়া হলে দেশের কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে, সে বিষয়েও সরকারের সঙ্গে জাতীয় পর্যায়ে সংলাপের প্রয়োজন রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা কমিটি আহূত আগামী ৫ অক্টোবর দিনব্যাপী বন্দর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে জাতীয় ফেডারেশন ও বেসিক ইউনিয়নগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। তাঁরা এ বিষয়ে প্রয়োজনে সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় সংলাপ আয়োজনের আহ্বান জানান।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সুলতান আহমদ হলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রামের আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার।সঞ্চালনা করেন কমিটির সদস্যসচিব ফজলুল কবির মিন্টু।সভা থেকে আগামী ৫ অক্টোবর বন্দর ভবনের সামনে দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচিতে সর্বস্তরের শ্রমিক, জাতীয় ফেডারেশন, বেসিক ইউনিয়ন ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র। বন্দরের সঙ্গে জাতীয় অর্থনীতি ও বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের স্বার্থ জড়িত। তাই বন্দরের ব্যবস্থাপনা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনায় জাতীয় স্বার্থের পাশাপাশি শ্রমিকদের অধিকার ও স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বক্তারা ৫ অক্টোবরের অবস্থান কর্মসূচি সফল করতে বিভিন্ন জাতীয় ফেডারেশন, বেসিক ইউনিয়ন ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে তারা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান। তবে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি ও আন্দোলনকে সরকার দুর্বলতা হিসেবে বিবেচনা করলে তা ভুল হবে। সে ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে দাবি আদায়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে। প্রয়োজনে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে অবরোধ ও হরতালের মতো কর্মসূচিও ঘোষণার কথা জানান তারা।
সভায় আলোচনায় অংশ নেন টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি তপন দত্ত, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও বন্দর সিবিএর সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার, বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এসকে খোদা তোতন, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শ ম জামাল উদ্দিন, টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার কামাল খান, জাতীয়তাবাদী ডক শ্রমিক দলের সভাপতি মো. হারুন ও

সাধারণ সম্পাদক তসলিম হোসেন সেলিম, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল বাতেন, সহ-সম্পাদক ইব্রাহীম ফরাজি, বিএফটিইউসির সভাপতি আনোয়ারুল হক হুনি, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ মিয়া, বন্দর উইঞ্চ ক্রেন অপারেটর সমিতির নেতা ইমাম হোসেন স্বপন, বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুর রহিম, কমিউনিটি সেন্টার শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. পারভেজ, চট্টগ্রাম যুব ট্রেড ইউনিয়ন নেটওয়ার্কের সদস্যসচিব হাসিবুর রহমান বিপ্লব, লুৎফুন্নাহার সোনিয়া, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের নেতা হেলাল উদ্দিন কবির, ইমান আলী জানুসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ