আজঃ রবিবার ২২ মার্চ, ২০২৬

মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছি : আমীর খসরু

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নির্বাচনের ঘোষণা আসায় দেশবাসী স্বস্তিতে আছে। তবে, আমাদের সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। যাতে নির্বাচনে কোনো বাধা না আসে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে নিউমার্কেট চত্ত্বরে বুধবার চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।

আমীর খসরু বলেন, আমরা গণতন্ত্রের পথে চলেছি। বাংলাদেশের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া আমরা শুরু করেছি। জনগণের মালিকানা ফিরে দেওয়ার জন্য গত ১৬ বছর আমরা জেল খেটেছি, গুম হয়েছি। নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মালিকানা জনগণকে ফিরিয়ে দেব।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ সহনশীল রাজনীতি চায়, পরস্পরের প্রতি সম্মান দেখিয়ে রাজনীতি করতে চায়। রাজনীতিতে মতপার্থক্য থাকার পরও বিএনপি নতুন রাজনীতি শুরু করেছে। দেশের অন্য রাজনৈতিক দল ও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা গণতন্ত্রের হাইওয়েতে পথ চলতে শুরু করেছি। গণতন্ত্রের এই অগ্রযাত্রা যাতে কেউ বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, তার জন্য সজাগ থাকতে হবে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, কিছু কিছু শক্তি গণতন্ত্র ও নির্বাচনের বিপক্ষে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তাদের কোনো জায়গা দেওয়া হবে না। গণতন্ত্রের বিজয়ের পথে আমরা চলছি। এই পথ যারা বাধাগ্রস্ত করবে, দেশের মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে। তারা রাজনীতি করবে, কিন্তু ভোটে আসবে না।শেখ হাসিনার মতো নিজের মতকে জনগণের মত বলে চালিয়ে দেবে।

গণতন্ত্রের পথে অগ্রযাত্রার সব কৃতিত্ব নেতাকর্মীদের উল্লেখ করে আমীর খসরু বলেন, ১৮ বছরের ত্যাগ-তিতিক্ষায় আমাদের আজকের এই সফলতা। আমাদের সফলতার কৃতিত্ব আপনাদের ত্যাগের কারণে। এই ত্যাগের বিনিময়ে আমরা সফলতা পেয়েছি। নির্বাচন পর্যন্ত ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। গণতন্ত্রবিরোধী শক্তিকে মোকাবেলা করে ধানের শীষকে আগামীতে বিজয়ী করে তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ আরো বলেন, দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করায় পাঁচ থেকে ছয় হাজার নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিএনপি করতে হলে সুশৃঙ্খল থাকতে হবে। বেয়াদবের জায়গা বিএনপিতে হবে না। কোনো ভাইয়ের রাজনীতি বিএনপিতে চলবে না।

অনুষ্ঠানে বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এএম নাজিম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ভিপি হারুনুর রশিদসহ বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ