আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

নতুন অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী এক হাজার ১১৯টি পদের বাইরে আরো ৪০০ থেকে সাড়ে ৪০০ লোকবলের প্রয়োজন হবে।

আউটসোর্সিংয়ে লোক নিয়ে সামালের চেষ্টা।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

চট্টগ্রাম ওয়াসা : নিয়োগের উদ্যোগ আলোর মুখ দেখেনি আট বছরেও

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সেবা সংস্থা চট্টগ্রাম ওয়াসায় সর্বশেষ নিয়োগ হয়েছিল ২০১৭ সালে। গত আট বছরে ওয়াসা একাধিকবার লোক নিয়োগের উদ্যোগ নিলেও শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি। একই সময়ে ওয়াসার গ্রাহকের সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি হলেও লোকবল বাড়েনি একজনও, বরং অবসরজনিত কারণে কমেছে ব্যাপক জনবলও। অথচ একই সময়ে ওয়াসার পানি উৎপাদনের সক্ষমতাও বেড়েছে আগের চেয়ে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি। ফলে প্রয়োজনীয় লোকবল না থাকায় পদে পদে ভুগছে সংস্থাটি।

ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম ওয়াসার সর্বশেষ অনুমোদিত অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী বর্তমানে কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদের সংখ্যা এক হাজার ১১৯টি। কিন্তু বর্তমানে এসব পদের বিপরীতে লোকবল রয়েছে মাত্র ৫০২ জন। অর্থাৎ পদ শূন্য অর্ধেকের চেয়েও বেশি ৬১৭টি। বর্তমানে আউটসোর্সিংয়ে লোক নিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে ওয়াসা।

চট্টগ্রাম ওয়াসার ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের পরিচালক (স্থানীয় সরকার) মনোয়ারা বেগম বলেন, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে খুব সহসা ওয়াসার লোক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
এদিকে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে মেডিকেল অফিসার, রাজস্ব তত্ত্বাবধায়ক, কম্পিউটার অপারেটরসহ ১৮ পদে লোক নিয়োগের জন্য দরখাস্ত আহ্বান করে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়েছিল চট্টগ্রাম ওয়াসা। এর দুমাসের ব্যবধানে এপ্রিলে সংস্থাটি সহকারী প্রকৌশলী ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে লোক নিয়োগের জন্য আবারও বিজ্ঞাপন দেয়। যথারীতি এসব পদে লিখিত পরীক্ষাও হয়েছিল। এর মধ্যে সহকারী প্রকৌশলীর পদের রেজাল্ট প্রকাশ করা হয়েছিল। কিন্তু এটির মৌখিক পরীক্ষা আজ পর্যন্ত আর হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওয়াসার কয়েকজন কর্মকর্তা অভিযোগ করে বলেন, লোকবল সংকটে হিমশিম খাচ্ছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। অধিকাংশ কর্মকর্তাকে নিজের কাজের পাশাপাশি অতিরিক্ত দুই থেকে তিনটি দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। অতিরিক্ত কাজের চাপের কারণে কোন কোন কর্মকর্তাকে সাপ্তাহিক ছুটির দিনও দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম বলেন, গত ১০ বছরে ওয়াসা চারটি পানি সরবরাহ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। তাতে পানি উৎপাদনের সক্ষমতা দৈনিক ১৮ কোটি লিটার থেকে বেড়ে ৫০ কোটি লিটার হয়েছে। এসব প্রকল্প চালু রাখতে প্রচুর লোকবল দরকার। বিশেষ করে জনবলের অভাবে প্রকৌশল শাখায় কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে। তাতে প্রভাব পড়ছে পানি সরবরাহে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত এক দশকে ওয়াসার চারটি প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে। এ কারণে অনুমোদিত নতুন অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী এক হাজার ১১৯টি পদের বাইরে আরো ৪০০ থেকে সাড়ে ৪০০ লোকবলের প্রয়োজন হবে। নতুনভাবে লোকবল দরকার ওয়াসার এমন প্রকল্পগুলো হচ্ছে- কর্ণফুলী পানি সরবরাহ প্রকল্প-১ ও ২, মদুনাঘাট পানি সরবরাহ প্রকল্প, ভান্ডালজুড়ি পানি সরবরাহ প্রকল্প এবং স্যুয়ারেজ প্রকল্প।
ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রথম অর্গানোগ্রাম তৈরি হয় ২০১৩ সালের ২৫ আগস্ট। ওই সময়ে ওয়াসার লোকবলের পদ ছিল ৭২১ জন। এর ৫ মাসের ব্যবধানে ২০১৪ সালের ১৮ জানুয়ারি দ্বিতীয় অর্গানোগ্রামে কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ ছিল ৯৫৯টি। সেবা সংস্থাটির ২০১০ সালে পানি উৎপাদন হতো দৈনিক প্রায় ১৮ কোটি লিটার। ওই সময়ে ওয়াসার গ্রাহক সংযোগ ছিল ৪৯ হাজার ৪৭৩টি। লোকবলের পদ ছিল ৭২১টি।

এরপর ২০১৪ সালের ১৮ জানুয়ারি চট্টগ্রাম ওয়াসা বোর্ডের ১৪তম সাধারণ সভায় অনুমোদিত প্রথম সংশোধিত সেটআপ (অর্গানোগ্রাম) কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৯৫৯টি। এর দুবছর পর ২০১৬ সালের ৩১ জানুয়ারি চট্টগ্রাম ওয়াসা বোর্ডের ৩২তম সাধারণ সভায় অনুমোদিত দ্বিতীয় সংশোধিত সেটআপ (অর্গানোগ্রাম) অনুযায়ী পদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ১০৪৮টি। সর্বশেষ ২০২১ সালে এক হাজার ১১৯ জনের নতুন একটি অর্গানোগ্রাম ওয়াসা বোর্ডের ৫৮তম সাধারণ সভায় তৃতীয় সংশোধিত সেটআপ (অর্গানোগ্রাম) অনুমোদিত হয়। কিন্তু এ অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী এখন পর্যন্ত আর কোনো জনবল নিয়োগ হয়নি। অথচ সংস্থাটির এখন গ্রাহক বেড়ে হয়েছে ৯৭ হাজার।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

কিউলেক্স মশার প্রকোপ বেড়েছে: মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নালা-নর্দমা ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে স্থির পানিতে মশার বংশবিস্তার ঘটছে। তাই নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’শনিবারের অঙ্গীকার, বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’—এই স্লোগান সামনে রেখে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও এর আশপাশের এলাকায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা দেশে পরিচালিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামেও শুরু হয়েছে।মেয়র বলেন, নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, কারণ প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন।তাই মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে টব, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবনের সামগ্রী বা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নেয়, যা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার জন্য দায়ী। তবে বর্তমানে কিউলেক্স মশার বিস্তার বেশি দেখা যাচ্ছে, যার প্রধান উৎস নোংরা ড্রেন ও জমে থাকা বর্জ্য। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।তিনি জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে এই পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে এবং ওয়ার্ডভিত্তিক তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও অতিরিক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রায় ১৬০ জনের একটি বিশেষ দল কাজ করছে।মেয়র বলেন, চকবাজার, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, ফিরিঙ্গিবাজার, হালিশহর, পাহাড়তলীসহ কয়েকটি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বিশেষভাবে মশক নিধন ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

কার্যকর ওষুধ ব্যবহারের কারণে বর্তমানে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। আমেরিকা থেকে আনা কার্যকর লার্ভিসাইড ব্যবহার করায় ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।

মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহর শুধু সিটি করপোরেশনের নয়—এটি সবার শহর। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসা-বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখলে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তোলা সম্ভব।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সব সময় উন্নয়ন ও উদ্যোগে পথ দেখিয়েছে। পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

উদ্বোধনের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেইন গেট, কেবি ফজলুল কাদের সড়ক এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার করা হয় এবং মশক নিধনে লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ