সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আবহমান কাল থেকে চলে এসেছে: রুমিন ফারহানা।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

  1.  সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এদেশের আবহমান কাল থেকে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। রোববার শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ঐতিহাসিক জেএম সেন হলে শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির আয়োজনে মাতৃসম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।রুমিন ফারহানা বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এদেশের আবহমান কাল থেকে চলে এসেছে। এ ধরনের সম্প্রীতি বিশ্বে বিরল।এদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, মুসলিম সব জাতি, বর্ণ ও ধর্মের। কিন্তু একটি গোষ্ঠী সব সময় ধর্মকে ব্যবহার করে সাম্প্রদায়িকতা সৃষ্টির চেষ্টা করেছে, বিভাজনের চেষ্টা করেছে। এ বিভাজন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ চায় না।
  2. কারণ একজন হিন্দুর উৎসবে যেমন মুসলিমরা অংশগ্রহণ করে ঠিক তেমনি একজন মুসলিমের উৎসবেও হিন্দুরা অংশগ্রহণ করে। এদেশে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে বারবার মানুষ প্রত্যাহান করেছে, রুখে দিয়েছে। তাই ধর্ম ব্যবসায়ীদের জায়গা এদেশে হবে না।
    শ্রীকৃষ্ণ মানবপ্রেম শিখিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শ্রীকৃষ্ণের যখন জন্ম হয়েছিল তখন এ সমাজে অন্যায় অবিচারে পূর্ণ ছিল। সেই অবিচার অন্যায়কে দূরীভূত করতে কত অসুরকে নিধন । শিশুকাল থেকে শেষ পর্যন্ত শুধু সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করার জন্য কাজ করেছেন। সত্য ও অসত্যের মধ্যে সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে মহাভারতের যুদ্ধে ধর্মের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। দ্রোপদীর পক্ষে অবস্থান নিয়ে নারীদের মর্যাদাকে সমুন্নত করেছেন। নারীর প্রতি সম্মান জানানো, তাদের মর্যাদা রক্ষা করা শ্রীকৃষ্ণের অন্যতম একটি শিক্ষা।
  3. শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উৎসবের দ্বিতীয় দিনের ৩য় অধিবেশনে মাতৃসম্মেলন ও মহাধর্মসম্মেল শ্রীমতি ঊষা আচার্য্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে উদ্বোধক ছিলেন কানন বালা দেবী (সন্তোষী মা), প্রধান ধর্মীয় আলোচক অধ্যাপক স্বদেশ চক্রবর্ত্তী। উপস্থিত থেকে মাতৃ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন শিক্ষিকা মৌসুমি চৌধুরী, বৃষ্টি বৈদ্য, অশ্রু চৌধুরী, সোমা দাশ, অধ্যাপিকা অপর্না বিশ্বাস, ধর্মীয় আলোচক হিসাবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক রুপন ধর, শিক্ষক উত্তম কুমার চক্রবর্ত্তী, মাস্টার অজিত কুমার শীল, শ্রীমৎ স্বামী দীপানন্দ পুরী মহারাজ, শ্রীমৎ স্বামী ছত্ত্বেশরানন্দ স্বরসতী মহারাজ, শ্রীমৎ স্বামী শ্রদ্ধানন্দ ব্রহ্মচারী, রননাথ ব্রহ্মচারী, শ্রীমৎ স্বামী চিন্ময়ানন্দ ব্রহ্মচারী মহারাজ, শ্রীমৎ স্বামী কৃষ্ণানন্দ পুরী মহারাজ, শ্রীমৎ স্বামী নির্বানানন্দ পুরী মহারাজ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ, চিকিৎসাধীন অবস্থায় তরুণীর মৃত্যু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়ন ফকিরাবাদে বকশিপাড়ায় স্বামীর পরিকল্পনায় ঠান্ডা মাথায় খুন করে তমা খাতুনকে। তমা খাতুনের স্বামী বক্কর হোসেন এখন ভেড়ামারা থানা পুলিশ হেফাজতে। তমা খাতুন (১৮) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে মারা যান। নিহত তমা খাতুন ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের ফকিরাবাদ বকশীপাড়া এলাকার তোফাজ্জল হোসেনের মেয়ে।

নিহতের পরিবারের দাবি, গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ির পাশে ফেলে রেখে যায়। স্বজন ও প্রতিবেশীরা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নিহতের মামাতো ভাই হাবিবুর রহমান জানান, এ ঘটনায় ৪-৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে ভেড়ামারা থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তমার মৃত্যুর পর এলাকায় শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে অভিযুক্তদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং আইনানুগ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্বামীর পরিকল্পনায় ঠান্ডা মাথায় খুন করে তমা খাতুনকে।

ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মাদ জাহেদুর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ওই তরুণী মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন বলে জানা গেছে। ধর্ষণের কোনো আলামত বা প্রমাণ পুলিশ পায়নি। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান বলেন, ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে ওই তরুণীকে হাসপাতালে আনা হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। তবে হাসপাতালে ভর্তির সময় পরিবারের পক্ষ থেকে ধর্ষণের বিষয়ে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

চট্টগ্রামে এবার ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৫ বছরের শিশুর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এক যুবকের মৃত্যুর দুইদিন পর এবার সিরাজুল মনিরা (৫) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

সিরাজুল মনিরা সীতাকুণ্ড পৌরসভার আমিরাবাদ এলাকার নুরুন্নবীর মেয়ে। অন্যদিকে হাসপাতালে ভর্তির একদিন না পেরোতেই ডেঙ্গু আক্রান্ত রাফসান মোহাম্মদ নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য তাদের কাছে ২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা বিল করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর দুইটার দিকে নগরীর ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত রাফসান মোহাম্মদ প্রাচুর্য সীতাকুণ্ড উপজেলার ফৌজদারহাট তুলাতলি এলাকার সাত নম্বর ওয়ার্ডের মৃত নুরুল আলমের ছেলে। পরিবারের তিন ভাই ও চার বোনের মধ্যে রাফসান বড় ছেলে ছিলেন। রাফসান একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন।

মনিরার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বেশ কয়েকদিন ধরে তীব্র জ্বরসহ নানান শারীরিক অসুস্থতায় খুব দুর্বল হয়ে পড়ে সে। অবস্থার অবনতি হতে দেখে অভিভাবকরা তাকে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সীতাকুণ্ড পৌরসদরের মেডিকেয়ার ল্যাবে নিয়ে আসলে চিকিৎসক এনএসওয়ান পরীক্ষা করেন। পরীক্ষায় ডেঙ্গু ধরা পড়লে তাকে দ্রুত চমেক হাসপাতালে ভর্তি করাতে বলেন চিকিৎসক। সেখানে বুধবার তাকে আইসিইউতে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে তার মৃত্যু হয়।

অন্যদিকে রাফসানের ভগ্নিপতি মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিন জানান, রাফসান গত পাঁচদিন আগ থেকে জ্বরে ভুগছিলেন। পরে ১০ সেপ্টেম্বর তাকে চট্টগ্রাম নগরীর মেরনসিটি নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তার স্বজনরা তাকে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে নগরীর ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান। পরে রাফসানকে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর দুইটার সময় তার মৃত্যু হয়।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার সময় ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করালাম দুই দুইটার সময় রাফসান মারা যান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দুই লাখ ৭৬ হাজার টাকা বিল করেছে। যা অতিরিক্ত।
পরিবারের অভিযোগ, অল্প সময়ের চিকিৎসার বিপরীতে এত বেশি বিল হওয়ায় তারা আর্থিকভাবে চাপে পড়েছেন। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা যায়নি।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ