আজঃ বৃহস্পতিবার ৫ মার্চ, ২০২৬

ভাঙ্গুড়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে সোনালী ব্যাংকের একাউন্ট হোল্ডসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার পাবনা প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এক গ্রাহকের ব্যাংক একাউন্ট হোল্ডসহ গোপনীয় তথ্য ফাঁস, অর্থ আত্মসাৎ ও মানহানিকর কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা তানিয়া হক এর বিরুদ্ধে।

তানিয়া হক চাটমোহর সোনালী ব্যাংক বাজার শাখার সিনিয়র অফিসার(ক্যাশ) হিসাবে কর্মরত আছেন।সোনালী ব্যাংকের ভাঙ্গুড়া বাজার শাখার দীর্ঘদিনের গ্রাহক ও স্থানীয় এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইফফাত মোকাররমা ১০ আগস্ট ম্যানেজিং ডিরেক্টর এন্ড চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, সোনালী ব্যাংক পিএলসি প্রধান কার্যালয় ঢাকা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগে বলা হয়,সোনালী ব্যাংকের চাটমোহর শাখার সিনিয়র অফিসার (ক্যাশ) তানিয়া হক তাঁর একাউন্টের গোপন তথ্য সংরক্ষণ করে বিভিন্ন সময় অনৈতিকভাবে ব্যবহার করেছেন। ইফফাতের দাবি, ওই কর্মকর্তা তাঁর অগোচরে ই-ওয়ালেট খুলে অর্থ উত্তোলনসহ একাউন্টের ব্যালেন্স ও ব্যাংক স্টেটমেন্ট তৃতীয় পক্ষের কাছে ফাঁস করেছেন। এর ফলে তিনি ও তাঁর পরিবার একাধিকবার হুমকি ও অর্থ আদায়ের চাপে পড়েন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ৯ জুলাই ২০২৫ তারিখে তানিয়া হক রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় ইফফাতের নামে মিথ্যা মামলা করেন। পরবর্তীতে ৪ আগস্ট ইফফাত তাঁর একাউন্ট থেকে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করলে দেখতে পান সেটি হোল্ড করা হয়েছে। শাখা ব্যবস্থাপকের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, চাটমোহর শাখা থেকে তাঁর একাউন্ট হোল্ড করা হয়, তবে সংশ্লিষ্ট শাখা কর্তৃপক্ষের অনুমোদন বা কারণ স্পষ্ট নয়।

৬ আগস্ট চাটমোহর শাখার কম্পিউটার ইনচার্জ ও শাখা ব্যবস্থাপক মৌখিকভাবে স্বীকার করেন, তাঁদের অজান্তে কম্পিউটার ইনচার্জের আইডি ব্যবহার করে তানিয়া হক এই কার্যক্রম চালান। ভুক্তভোগীর দাবি, পূর্ব শত্রুতা ও অসৎ উদ্দেশ্যেই এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।ইফফাত মোকাররমা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

কম্পিউটার ইনচার্জ গোলাম সরোয়ার বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছু জানিনা তবে তানিয়া হক আমার একাউন্টে ঢুকে এই কাজটি করেছে বলে ধারণা করছি।এ বিষয়ে চাটমোহর শাখা ব্যবস্থাপক বলেন,আমাদের শাখা থেকে ব্যাংক একাউন্ট হোল্ড করা হয়েছিল। কে করেছে বা কেন করেছে এ বিষয়ে আমি কোন মন্তব্য করতে ইচ্ছুক নয়।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সীতাকুণ্ডের ঘটনায় অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনা হবে : মীর হেলাল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সীতাকুণ্ড উপজেলায় সম্প্রতি সংগঠিত পৈশাচিক ঘটনায় অপরাধীদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনার কথা জানালেন চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী-বায়েজিদ বোস্তামী আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি বলেছেন, সাম্প্রতিক মর্মান্তিক ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। এ ধরনের ঘটনা আমাদের সবার জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি অবগত আছেন এবং তিনি গভীরভাবে ব্যথিত। বিচার নিশ্চিত করতে যা যা করা প্রয়োজন, তা করা হবে।সীতাকুণ্ড উপজেলায় সম্প্রতি সংগঠিত পৈশাচিক ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শিশু কন্যার পরিবারের খোঁজ খবর ও সমবেদনা জানাতে বুধবার কুমিরা বাজার এলাকায় গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

অপরাধীদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে জানিয়ে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি করার সাহস না পায়, সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনা আমাদের সবাইকে মানসিকভাবে আঘাত করেছে। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে আছি এবং থাকবো।
শিশু-কিশোরদের নিরাপদ ও স্বাধীন পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, তারা যেন নিরাপদে খেলাধুলা করতে পারে এবং স্বাভাবিক শৈশব-কৈশোর কাটাতে পারে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এর আগে গত সোমবার সীতাকুণ্ড পৌর সদরের ইকোপার্কে গলা কাটা অবস্থায় জান্নাতুল নাইমা ইরা (৭) নামের এক শিশুকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ১ মার্চ রাতে শিশুটির মা বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় মামলা দায়ের করেন। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ভোরে হাসপাতালের আইসিইউতে শিশুটির মৃত্যু হয়। এদিন বাবু শেখ ওরফে মাহবুব আলম (৪৫) নামের এক ব্যাক্তিকে গ্রেফতারের পর পুলিশ জানায়, পারিবারিক বিরোধের জেরে শিশুকে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করা হয়। পরে ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে তাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা করা হয়।

পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১০ কর্মকর্তাকে বদলি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১০ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে বগুড়া, সিলেট, বরিশাল, জামালপুর, ময়মনসিংহ ও খাগড়াছড়ি— এই ৬ জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে নতুন কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে সরকার।বুধবার (৪ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখার উপ-সচিব তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলির কথা জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বগুড়ার পুলিশ সুপার মো. শাহাদাত হোসেনকেপাশাপাশি ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানকে নোয়াখালীর পিটিসিতে, ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ কামরুল হাসানকে ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

পহেলা বৈশাখের আগেই চালু হচ্ছে ‘কৃষক কার্ড’ 
সেইসঙ্গে সিলেটের পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলমকে এপিবিএনে বদলি করা হয়েছে, জামালপুরের পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেককে সিলেট জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

এছাড়া, ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিনকে জামালপুর জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বরিশালের পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলামকে নৌ পুলিশে বদলি করা হয়েছে, এবং পুলিশ সদর দপ্তরের এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমানকে বরিশালের পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ডেপুটি স্পিকার বিরোধী দল থেকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজনৈতিক সমঝোতার অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার পদে বিরোধী দল থেকে প্রতিনিধি নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন- জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সোমবার ২ মার্চ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি জানান, রাজনৈতিক ঐকমত্যকে গুরুত্ব দিয়ে প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ডেপুটি স্পিকারের জন্য একটি নাম প্রস্তাব করতে অনুরোধ করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে মৌখিক ও সরাসরি যোগাযোগও করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

স্পিকার নির্বাচনের দিনই ডেপুটি স্পিকার পদেও নির্বাচন সম্পন্ন করা যেতে পারে। এতে সংসদ পরিচালনায় ভারসাম্য ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়- জাতীয় সনদের আলোকে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে সমঝোতা হয়েছে, সেটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ