কুষ্টিয়া-২ ভেড়ামারা-মিরপুর তৃণমূলের আস্থার বাতিঘর সাবেক সাংসদ অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম

হৃদয় রায়হান কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু কিছু নাম সময়ের সীমানা পেরিয়ে মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী আসন গড়ে নেয়। কুষ্টিয়া-২ (ভেড়ামারা-মিরপুর) আসনের মানুষের কাছে বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম ঠিক তেমনই এক নাম। তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন,  তিনি একদিকে সংগ্রামের প্রতীক অন্যদিকে উন্নয়নের কারিগর ও রূপকার।

তিনবারের সংসদ সদস্য এবং কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাবেক সফল সভাপতি হিসেবে তার রাজনৈতিক যাত্রা ছিলো মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলার এক অনন্য উদাহরণ। এই অঞ্চলের মানুষ আজও মনে রেখেছে কীভাবে তার হাত ধরে শিক্ষা, গ্রামীন অবকাঠামো,  গ্রামীণ সড়কগুলো পাকা সহ অসংখ্য উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে, কীভাবে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় এসেছে পরিবর্তন, কীভাবে তিনি তৃণমূল মানুষের দুঃখ-দুর্দশার সঙ্গী হয়েছিলেন।

আজ যখন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে এসেছে, তখন কুষ্টিয়া-২ আসনের রাজনীতিতে আবারও উচ্চারিত হচ্ছে বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব অধ্যাপক শহিদুল ইসলামের নাম। দলের ভেতরে যেমন, তেমনি সাধারণ ভোটার তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝেও তার প্রতি আস্থা অনেক উচ্চতায় পৌঁছেছে। বিএনপির নেতা-কর্মীরা ও সাধারণ ভোটাররা মনে করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম ছাড়া এ আসনে বিএনপির বিজয়ের অন্য কোনো বিকল্প নেই।

তবে দল থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক শহিদুল ইসলামকে নমিনেশন না দিলে এই আসনটি হারাতে পারে বলে মনে করেন বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটাররা। তাই প্রবীণ ও দক্ষ  এই নেতাকে দল থেকে নমিনেশন দিয়ে পুনরায় তাকে এমপি বানিয়ে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখাতে চান সাধারণ ভোটার ও তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

তৃণমূলে তার জনপ্রিয়তার রহস্য

অধ্যাপক শহিদুল ইসলামের জনপ্রিয়তা কেবল রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তার সহজ-সরল জীবনযাপন, মানুষের সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতৃত্ব তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। তিনি রাজনীতিকে কখনো ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করেননি বরং এটিকে ব্যবহার করেছেন মানুষের উন্নয়নের হাতিয়ার হিসেবে। এ কারণেই আজও মানুষ তাকে স্মরণ করে আন্তরিক ভালোবাসা নিয়ে।

জনগণের কণ্ঠে শহিদুল ইসলাম ভেড়ামারা-মিরপুরের তৃণমূল মানুষ প্রায়ই বলে থাকেন “শহিদুল স্যার শুধু এমপি নন, তিনি আমাদের আশ্রয়স্থল। আমরা বিপদে পড়লে তার কাছে ছুটে যেতাম, আর তিনি আমাদের নিরাশ করতেন না।”

এমন মন্তব্যগুলো প্রমাণ করে যে, তিনি শুধু রাজনীতির নেতা নন; তিনি এক ধরনের অভিভাবক হয়ে উঠেছিলেন এ অঞ্চলের খেটে খাওয়া কৃষক ও দিনমজুর মানুষের কাছে।

গামী নির্বাচনে সম্ভাবনার দিগন্ত

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপির জন্য কুষ্টিয়া-২ আসনটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসন। দলের ভেতরে শক্তি পুনর্গঠন এবং মাঠে জনআন্দোলনের প্রস্তুতির সময়ে শহিদুল ইসলামের মতো নেতৃত্বই তৃণমূলে নতুন উদ্দীপনা জাগাতে পারে। এজন্যই অনেক নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটাররা বিশ্বাস করেন আসন্ন  জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে বিএনপি আবারও এ আসনে বিজয়ের ইতিহাস রচনা করতে সক্ষম হবে।

শেষ কথার

জনীতি শুধু ক্ষমতার খেলা নয়; এটি মানুষের আস্থা, ভালোবাসা এবং বিশ্বাস অর্জনের সংগ্রাম। অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম সেই সংগ্রামে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তৃণমূলের আস্থার বাতিঘর হিসেবে। তার হাত ধরে কুষ্টিয়া-২ আসনের মানুষ একসময় যেমন উন্নয়নের স্বাদ পেয়েছিল, তেমনি আজও তারা স্বপ্ন দেখে আগামী দিনেও তিনি তাদের পাশে থাকবেন। তৃণমূলের এই স্বপ্ন, বিশ্বাস এবং আস্থা যদি বাস্তব রূপ নেয়, তবে নিঃসন্দেহে কুষ্টিয়া-২ আসনে বিএনপির বিজয়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে আগুনে ৭ দোকান ভস্মীভূত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের বাকলিয়ার তুলাতুলিতে একটি মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডে ৭টি দোকান পুড়ে গেছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তুলাতলীর জামাই বাজার এলাকার আলী মার্কেটে আগুনের এ ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, দুপুর ১টা ৫ মিনিটে তারা আগুন লাগার খবর পায়। আগুন নির্বাপণে চারটি ইউনিট অংশ নেয়।

বেলা পৌনে ৩টার দিকে আগুন নির্বাপণ সম্ভব হয়। আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক শাহ ইমরান জানায়, আগুনে মার্কেটটির ৫ থেকে ৭ টি দোকান পুড়ে গেছে। আগুন নেভানোর পর ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণের কাজ চলছে।

ছেলেকে হত্যার অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার, স্ত্রী অন্যত্র বিয়ে করায় ক্ষুদ্ধ স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাবা ছেলেকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে, এমন অভিযোগে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।নাঈম (১৪)লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরজঙ্গালিয়া গ্রামের ইব্রাহীম খলিলের ছেলে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে এ ঘটনায় নিহতের মা ফাতেমা আক্তার সুমি বাদী হয়ে নিহতের বাবাকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর আগে, গত মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্য বাগ্যা গ্রামের একটি ধানখেতের পাশ থেকে নাঈমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নাঈমের নানা এবায়েদ উল্যাহ বলেন, সোমবার রাতে নাঈম আমার বসতঘরে ঘুমিয়ে ছিল। ভোরে ফজরের নামাজের সময় আমি ঘুম থেকে উঠে দেখি, ঘরের দরজা খোলা এবং নাঈম শয়নকক্ষে নেই। পরে সকাল ৭টার দিকে সার আনতে যাওয়ার পথে বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে ধানখেতের পাশে রাস্তার ওপর নাঈমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখতে পাই।

পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় তিন বছর আগে তার মা-বাবার বিচ্ছেদ হয়। এরপর নাঈম নানার বাড়িতে থেকে চরজব্বর ইউনিয়নের দারুল উলুম মাদানী নগর মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগে পড়াশোনা করত। সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর রাতের খাবার খেয়ে নানার বসত ঘরেই ঘুমিয়ে ছিল নাঈম। সকালে। মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে ধানক্ষেতের পাশে পাওয়া যায় তার মরদেহ। গত ২০-২৫ দিন আগে নাঈমের মা সুমি আক্তার দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকে নাঈমের বাবা ইব্রাহীম খলিল সাবেক স্ত্রী সুমির ওপর ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে।

পরবর্তীতে বিভিন্নভাবে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছিলেন। ছেলের আয়-রোজগার খেয়ে কীভাবে মা খায়, তা দেখে নেওয়ার হুমকিও দিয়েছিলেন তিনি। ঘটনার পরপরই নাঈমের মা সুমি তার সাবেক স্বামী খলিলকে সন্দেহ করেন। সকালে নাঈমের মৃত্যুর খবর জানাতে খলিলকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল ধরেননি। পরে তিনি নিজে ফোন করলে ছেলের মৃত্যুর খবর তাকে জানানো হয়। সুমি দ্বিতীয় বিয়ে করায় খলিল তার ছেলেকে শ্বশুরের ঘর থেকে ডেকে নিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমেদ পেয়ার বলেন, বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত বাবাকে আটক করা হয়। থানায় জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ছেলের হত্যাকান্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। শুক্রবার বিকেলে তাকে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ