আজঃ মঙ্গলবার ১০ মার্চ, ২০২৬

জলাশয় বন্দোবস্ত দেওয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে রেল কতৃপক্ষে তদন্ত শুরু  

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার সরদার,  পাবনা প্রতিনিধি

যুগের পর যুগ আওয়ামী সংসদের নামে রেল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 বাংলাদেশ সরকারের রেল আইন ভঙ্গ করে যুগের পর যুগ আওয়ামী সংসদের নামে রেলের জলাশয় বন্দোবস্ত দেওয়ায় অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে পাকশী রেলওয়ে কতৃপক্ষ। মঙ্গলবার দুপুরে পাকশী রেল অঞ্চলের সহকারী ভু সম্পত্তি কর্মকর্তা মোঃ মামুন অর রশীদের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি লাহিড়ী মোহনপুর টু দিলপাশার স্টেশনের মধ্যবর্তী পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়া উপজেলার দিলপাশার মৌজার  রেলসেতুর নিচের বিবাদমান  জলাশয় পরিদর্শন করেন । এ সময় তদন্ত কমিটির অপর দুই সদস্য উল্লাপাড়া রেলস্টেশনের কর্মরত কানুনগো মোঃ শরিফুল ইসলাম এবং পাকশী হেড কোয়াটারের অফিস সহকারী মোঃ আহসান হাবীব উপস্থিত ছিলেন।

 জানা গেছে, কয়েক যুগ ধরে দিলপাশার রেলসেতুর নিচে সি এস-২৫ (টিপি নং-১৫৪/৫ থেকে ১৫৪/৬) দাগে ১ দশমিক ৫২ (১.৫২) শতাংশ জলাশয় যাহার আরএস দাগ নং ১১০৬ মৎস্য আহরণের জন্য রেল আইন ভঙ্গ করে আওয়ামী সংসদ সদস্য মির্জা আব্দুল লতিফ বরাদ্দ নিয়ে আসছিল ।  তার অবর্তমানে তার ভাতিজা সুচতুর, দুর্নীতিবাজ যিনি পল্লী বিদ্যুতে ডিজিএম পদে আছে মির্জা কে.  ই তুহিন ভোগ দখলে করেছেন। প্রাথমিক তদন্তে কমিটির আহবায়ক সহকারী ভু সম্পত্তি কর্মকর্তা মোঃ মামুন অর রশীদে  জানান , (১)রেলওয়ে আইনে কোন মৃত ব্যক্তির নামে বরাদ্দ নেওয়া আইনত দণ্ডনীয়। এটা কোন উত্তরাধিকার সম্পত্তি নয় যে একজনের নামে বরাদ্দ নিয়ে উত্তরাধিকারগণ ভোগ দখল করবে ।

এটা যিনি করেছেন তাকে আইনের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।(২)  প্রাক্তন আওয়ামী সংসদ সদস্যের রেলওয়ে বিধিমালা অনুযায়ী উক্ত জলাশয়ের পাশে কোন জমি পাওয়া যায়নি। যেটা অনিয়মভাবে বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। (৩) প্রাক্তন সংসদ সদস্য সিরাজগঞ্জের আসনের এমপি ও বাসিন্দা হলেও কেন পাবনা জেলার জমি  বরাদ্দ নিল বিষয়টি পরিষ্কার নয়।(৪) রেলওয়ে আইনে টেন্ডার ছাড়া একই জমি বছরে পর বছর লিজ দেওয়ার নিয়ম নাই।

তিনি আরো জানান, আমরা খুব শীঘ্রই তদন্ত রিপোর্ট দেব, আশা করি উভয়পক্ষ আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে। এবং যারা না জেনে বিভিন্ন মন্তব্য করছেন তাদের কে রেলওয়ে ভূ-সম্পত্তি বিধিমালা ২০২০ ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করে  দেখতে বলেছেন ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নিউ জিল‍্যান্ডকে উড়িয়ে ফের টি-টোয়েন্টির বিশ্ব চ‍্যাম্পিয়ন ভারত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিউ জিল‍্যান্ডকে উড়িয়ে ফের টি-টোয়েন্টির বিশ্ব চ‍্যাম্পিয়ন ভারত।

জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের উপস্থাপক হানিফ সংকেত স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হচ্ছেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের উপস্থাপক
হানিফ সংকেত স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হচ্ছেন।

আলোচিত খবর

চরম বিপাকে হাজার হাজার যাত্রী শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ৮ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা মোট ৮০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির যুদ্ধাবস্থায় দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ডগুলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে। শনিবার নতুন করে বাতিল হয়েছে আরো ১২টি ফ্লাইট। এই টানা ৮ দিন ধরে ফ্লাইট বাতিলে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী, যাদের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী শ্রমিক। অনেক যাত্রী দূর-দূরান্ত থেকে বিমানবন্দরে এসে ফ্লাইট বাতিলের খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধাবস্থার কারণে দুবাই, আবুধাবি ও দোহার মতো গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডগুলো বন্ধ থাকায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এয়ারফিল্ডগুলো খুলে দিলেই পুনরায় নিয়মিত ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক প্রবাসী তাদের ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন। যথাসময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে চাকরি হারানোর ভয় কাজ করছে তাদের মনে।অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যারা দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তারা সেখানের এয়ারফিল্ডে আটকা পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া বা রি-শিডিউল করা নিয়ে এয়ারলাইনস অফিসগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, শনিবার সারাদিনে ১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার।এয়ার আরাবিয়ারের ২টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। সালাম এয়ারের ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার।
পুরো সূচি বিপর্যস্ত হলেও শনিবার সীমিত কিছু ফ্লাইট সচল রয়েছে। এর মধ্যে সালাম এয়ারের মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে দুটি (ওভি-৪০১ ও ওভি-৪০২) এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মদিনা (বিজি-১৩৮) ও মাস্কাট (বিজি-১২২) থেকে আসা দুটি ফ্লাইট অবতরণ করেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ