আজঃ সোমবার ২৩ মার্চ, ২০২৬

বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের কমিটি পুনর্গঠনের লক্ষ্যে আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা।

মোহাম্মদ আরমান চৌধুরী আরব আমিরাত প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত বাংলাদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের একমাত্র সংগঠন বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব ইউএই দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশি সাংবাদিকের ঐক্যবদ্ধ করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই উপলক্ষে দুবাইয়ের একটি হোটেলে দেশটিতে কর্মরত সাংবাদিকদের নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বাংলাদেশের বিভিন্ন টেলিভিশন, পত্রিকা ও অনলাইন মিডিয়ায় কর্মরত ৩০ জন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। সভায় নতুন কমিটি পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

এতে ইত্তেফাক প্রতিনিধি এস এম ফয়জুল্লাহ শহীদকে আহ্বায়ক ও দৈনিক কালবেলা প্রতিনিধি ফরহাদ হোসেনকে সদস্য সচিব ঘোষণা করা হয়। কমিটির অন্যরা হলেন- যুগ্ম আহ্বায়ক নাসিম উদ্দিন আকাশ (দৈনিক সূর্যোদয়), আবদুল আলিম সাইফুল (নিউজ২৪), এম এনাম হোসেন (ঢাকা প্রতিদিন), গিয়াস উদ্দিন সিকদার (দৈনিক সমাচার)। যুগ্ম সদস্য সচিব মাসুম বিল্লাহ (শীর্ষ নিউজ ও দৈনিক সংবাদ বাংলাদেশ), অর্থ সচিব মামুনুর রশীদ (সংগ্রাম প্রতিদিন) ও সদস্য ফখরুদ্দিন মুন্না (গাজী টিভি), আমিনুল হক (খোলা কাগজ ৭১ টিভি), গিয়াস উদ্দিন (চট্টলার খবর)।

এছাড়া সিনিয়র সাংবাদিক ও ভাল সংবাদের প্রধান সম্পাদক কেরামত উল্লাহ বিপ্লবকে প্রধান উপদেষ্টা করে ৫ সদস্যে বিশিষ্ট উপদেষ্টা মন্ডলী গঠন করা হয়।
অন্য উপদেষ্টারা হলেন- আবছার তৈয়বী ( দৈনিক আমাদের সময়), আনোয়ার হোসেন (দৈনিক কালবেলা), সাইফুল ইসলাম তালুকদার (পূর্বদেশ ও ডিবিসি টেলিভিশন) ও শেখ ফয়সাল সিদ্দিকী ববি (বাংলা টিভি)। উক্ত আহবায়ক কমিটি আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সমন্বয় করে ঐক্যবদ্ধ একটি শক্তিশালী পূর্ণাঙ্গ কমিটি উপহার দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

এর আগে দুই পর্বের অধিবেশনের প্রথম পর্বে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব ইউএইর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সময় টেলিভিশনের আমিরাত প্রতিনিধি শিবলী আল সাদিক। দ্বিতীয় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন আহ্বায়ক এস এম ফয়জুল্লাহ শহীদ।সিনিয়র সাংবাদিক কামরুল হাসান জনি ও যুগ্ম সদস্য সচিব মাসুম বিল্লাহর সঞ্চালনায় এসময় উপস্থিত সদস্যরা বিভিন্ন মতামত প্রদান করেন। প্রবাসীদের কল্যাণে কাজ করে যাওয়া এই সংগঠনের মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ প্লার্টফর্ম তৈরির উদ্যোগকে স্বাগত জানান সদস্যরা।

নীতিগতভাবে উক্ত আহ্বায়ক কমিটির সাথে সম্মতি প্রকাশ করেন সাধারণ সদস্য- শিবলী আল সাদিক (সময় টিভি), লায়ন মোঃ আবু ছালেহ্ (দেশ বার্তা), কামরুল হাসান জনি (এখন টেলিভিশন ও সমকাল), নওশের আলম সুমন (গ্লোবাল টিভি), জাসেদুল ইসলাম (নাগরিক টিভি ও বাংলাদেশ প্রতিদিন ), আশরাফুল ইসলাম ভূঁইয়া (দ্যা ম্যাসেঞ্জার), ওবায়দুল হক মানিক (৫২ টিভি), গোলাম সরওয়ার- (বণিক বার্তা ও ইটিভি), মোহাম্মদ সেলিম (বঙ্গ টিভি), মাহিম উদ্দিন মুন্না (দৈনিক নতুন কাগজ), আবু বাক্কার হারুন (দৈনিক বায়েজিদ), কাজী নেজাম (দৈনিক সমাচার আবুধাবি), মোহাম্মদ ওসমান চৌধুরী (সিএনএন বাংলাদেশ), এস পি কাজল (জেএকে মিডিয়া), ইয়াসিন তন্ময় (দ্যা নিউজ), মোহাম্মদ আরমান চৌধুরী (চট্টগ্রামের খবর), মনির হোসেন (ভাল সংবাদ), ওমর ফারুক ঈশান (চট্টগ্রামের খবর), মোঃ মাঈনুদ্দীন মালেকি (দৈনিক বিজয়), মুহাম্মদ আলী রশীদ (প্রিয় চট্টগ্রাম), শেখ জাহান রনি (ভোরের পাতা), মোঃ রিদোয়ান (প্রতিদিন বাংলাদেশ), মির্জা হাবিব (৫২ টিভি), অনিক চৌধুরী (রাজধানী টিভি), আবদুল মুকিত (বিডি স্টার টিভি)।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার বেড়ায় রিকশা চালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনা বেড়া উপজেলার বড়শিলা গ্রামের এক বৃদ্ধ রিকশা চালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
২০ মার্চ সকালে বেড়া উপজেলা বড়সিলা গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে ফজলু রহমান (৫৫) নামে এক ভ্যান রিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে বেড়া থানা পুলিশ। নিহত বৃদ্ধ পৌরসভার হাতিগাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে পৌরসভা এলাকার বড়শিলা গ্রামে ধানের ক্ষেত থেকে বৃদ্ধ রিকশা চালকের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশ কে খবর দেয়।

বেড়া থানার অফিসার ইনচার্জ নিতাই চন্দ্র জানান, থানা পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ বিষয়ে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন।

চট্টগ্রামে শেষ সময়ে ঘরমুখো মানুষের স্রোত, রেল ষ্টেশন-টার্মিনালে উপচেপড়া ভিড়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদের সাতদিনের ছুটিকে কেন্দ্র পরিবার পরিজনের সাথে ঈদের আনন্দ বাগাভাগি করতে বন্দরনগরী ছেড়ে যাচ্ছে মানুষ। মহানগরের বাস টার্মিনালগুলো ও রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখ পড়ার মতো। বুধবার ভোর থেকেই চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। যথাসময়ে ছেড়ে যাচ্ছে একের পর এক ট্রেন। এছাড়া ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে বাস টার্মিনালেও ভিড় করেন যাত্রীরা।

পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারছেন বলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেকেই। এদিকে চট্টগ্রাম অনেকটা ফাঁকা হতে শুরু করেছে। নগরের বিভিন্ন ব্যস্ত রাস্তায় নেই আগের চিরচেনা যানজটের দৃশ্য। যানজটহীন স্বস্তিতে গাড়ি নিয়ে ঘুরছেন নগরবাসী।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) শেখ মো. সেলিম বলেন, এখানে নিরাপত্তার কোনও শঙ্কা নেই। পুলিশের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রার জন্য। প্রয়োজনীয় যা যা ব্যবস্থা করা দরকার তা নেওয়া হয়েছে। যানজট নিরসনেও পুলিশ কাজ করছে। যাত্রীদের ভাড়ার বিষয়েও আমরা তদারকি করছি।

বুধবার মহানগরের কদমতলী, বহদ্দারহাট ও নতুন ব্রিজ জিইসি বাস কাউন্টারে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রীর চাপ বেশি। টিকিট পাচ্ছেন না অনেকে। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা পর সকালে ছেড়ে যাওয়া ফিরতি গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন কেউ কেউ। যাত্রীর চাপের তুলনায় বাস টার্মিনালে গাড়ির সংকট দেখা গেছে। তবে কাউন্টার বসে থাকা কর্মকর্তারা বলছেন, যে গাড়িগুলো গেছে সেগুলো ফিরে এলেই এই টিকিটের সংকট থাকবে না। যাত্রীর তুলনায় গাড়ি কম।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে যাত্রীরা বলছেন, কোনও ভোগান্তি নেই। তারা নির্বিঘ্নে যথাসময়ে ট্রেনে উঠছেন এবং ট্রেন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে। এছাড়াও কিছু কিছু ট্রেনে স্ট্যান্ডিং টিকিট কেটে যাত্রীরা যেতে পারছেন। সকালে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেন। অন্য ট্রেনগুলোও যথাসময়ে ছেড়ে গেছে। তাই স্টেশনে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। দূরপাল্লার যানবাহনের পাশাপাশি মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও খোলা ট্রাকে কম ভাড়ায় গন্তব্যে যাচ্ছে লোকজন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ