আজঃ শুক্রবার ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

চাঁদপুরে অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদুল ফিতর পালন।

চাঁদপুর সংবাদদাতাঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে চাঁদপুরের অর্ধশতাধিক গ্রামে কয়েক ঈদুল ফিতর পালন।
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাদপুরের এসব গ্রামে আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর।

হাজীগঞ্জ উপজেলায় ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯টায় সাদ্রা দরবার শরীফে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজের ইমামতি করেন দরবারের বর্তমান পীর মুফতি জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী। বিশ্বের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা যাওয়ার ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে এসব গ্রামের মানুষ রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন। তাদের দাবি, আন্তর্জাতিক চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করেই তারা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেন।

আজ ২০ মার্চ শুক্রবার ঈদ উদযাপনকারী হাজীগঞ্জ উপজেলার গ্রামগুলো হচ্ছে – সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপুর ও বাসারা; ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা ও গোবিন্দপুর; মতলব উপজেলার দশানী, মোহনপুর, পাঁচানীসহ কচুয়া ও শাহরাস্তি উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রাম।

জানা যায়, ১৯২৮ সাল থেকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রথম চাঁদ দেখার ভিত্তিতে ধর্মীয় রীতিনীতি চালু করেন সাদ্রা দরবার শরীফের মরহুম পীর আল্লামা মোহাম্মদ ইসহাক চৌধুরী। তার মৃত্যুর পর তার ছয় ছেলে এ মতবাদ অনুসরণ ও প্রচার অব্যাহত রেখেছেন।প্রতিবছরই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের এসব গ্রামে ঈদ উদযাপন করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আত্মসমর্পণ ও সংযমেই মকবুল হজ্বের শিক্ষা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আত্মঅহমিকা ও আমিত্ব পরিহার করে মহান আল্লাহর কাছে পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণ—এই চেতনায়ই নিহিত রয়েছে পবিত্র হজ্বের মূল শিক্ষা। ধৈর্য, সহনশীলতা ও আত্মসংযমের মাধ্যমে একজন মুসলমান নিজেকে পরিশুদ্ধ করে তুলতে পারেন—এমনটাই মন্তব্য করেছেন বক্তারা।

চট্টগ্রাম নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টায় আল-মারচুচ হজ্ব কাফেলার উদ্যোগে আয়োজিত ‘পবিত্র হজ্ব প্রশিক্ষণ কর্মসূচি–২০২৬’-এ এসব কথা বলা হয়। অনুষ্ঠানের সূচনায় পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাওলানা নুরুল ইসলাম।

হজ্ব গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুহাম্মদ মোরশেদুল আলমের সভাপতিত্বে এবং মাওলানা সরওয়ার আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের অধ্যাপক নিজাম উদ্দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বায়তুশ শরফ কামিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আবু ছালেহ মুহাম্মদ ছলিমুল্লাহ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. জুনাইদ, গারাংগিয়া মাদরাসার মুহাদ্দিস মাওলানা মহিউদ্দিন, বাকলিয়া বায়তুন নূর জামে মসজিদের খতিব আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ আখতার হোসাইন ফারুকী, হাবের চট্টগ্রাম অঞ্চলের সভাপতি হাজী শরিয়ত উল্লাহসহ বিভিন্ন আলেম ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

বক্তারা বলেন, পবিত্র হজ্ব হচ্ছে ধৈর্য ও ত্যাগের সর্বোচ্চ অনুশীলন। মকবুল হজ্বের প্রতিদান জান্নাত ছাড়া আর কিছুই নয়। দীর্ঘ সফর, ভিড় ও নানাবিধ প্রতিকূলতার মধ্যেও সংযম ধরে রাখা এবং অশ্লীলতা ও পাপাচার থেকে বিরত থাকাই হজ্বের প্রকৃত তাৎপর্য।

তারা আরও বলেন, আল-মারচুচ হজ্ব কাফেলা গত ২৬ বছর ধরে হজ্বযাত্রীদের আন্তরিক সেবা দিয়ে দেশের হজ্ব ব্যবস্থাপনায় একটি আস্থার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আল্লাহর ঘরের মেহমানদের সেবায় প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা ক্রমেই বিস্তৃত ও প্রশংসিত হচ্ছে।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় পুরুষ ও নারী হজ্বযাত্রীদের জন্য পৃথক ব্যবস্থাপনায় হজ্বকালীন করণীয় বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়, যা অংশগ্রহণকারীদের জন্য ছিল অত্যন্ত ফলপ্রসূ।
অনুষ্ঠান শেষে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করা হয়।

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ