আজঃ সোমবার ৯ মার্চ, ২০২৬

বিপিসির আওতাধীন সমাপ্ত প্রকল্প সমুহের অভিজ্ঞতা বিনিময়”, দিনব্যাপী কর্মশালা চট্টগ্রামে ইআরএল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

প্রকল্প বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ ও করণীয়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


“প্রকল্প বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ ও করণীয় এবং বিপিসির আওতাধীন সমাপ্ত প্রকল্প সমুহের অভিজ্ঞতা বিনিময়”, দিনব্যাপী কর্মশালা চট্টগ্রামে ইআরএল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ (EMRD) এবং বিপিসি এর উদ্যোগে “প্রকল্প বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ ও করণীয় এবং বিপিসির আওতাধীন সমাপ্ত প্রকল্প সমুহের অভিজ্ঞতা বিনিময়”, শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয় ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে, ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ERL), চট্টগ্রাম-এ।
এই কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিবের নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনা এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) চেয়ারম্যানের সক্রিয় তত্ত্বাবধান ও সহায়তায়। এটি ছিল ইএমআরডি’র ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আয়োজন, যেখানে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মীদের অভিজ্ঞতা বিনিময়, বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

কর্মশালায় মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, সচিব, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং মোঃ আমিন ঊল আহসান, চেয়ারম্যান (সচিব),বিপিসি কর্মশালার সভাপতিত্ব করেন। এসময় সব প্রকল্প পরিচালক (PD), সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কর্মীবৃন্দ, বিপিসি’র আওতাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকগণ এবং ইএমআরডি’র পরিকল্পনা উইংসহ অন্যান্য উইংয়ের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

চট্টগ্রাম-ঢাকা পাইপলাইন (CDPL), সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (SPM) ও কাস্টডি ফ্লো মিটার প্রকল্পের তিনজন প্রকল্প পরিচালককে সফলভাবে প্রকল্প সম্পাদনের স্বীকৃতি স্বরূপ ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করেন সচিব, ইএমআরডি।

দিনব্যাপী এই কর্মশালায় প্রকল্প পরিচালক ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাদের অভিজ্ঞতা, শিক্ষা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় সুপারিশ উপস্থাপন করেন। একই সাথে সচিব, ইএমআরডি এবং বিপিসি চেয়ারম্যান প্রদত্ত কৌশলগত দিকনির্দেশনা ও কার্যকর পরামর্শ ভবিষ্যৎ প্রকল্পসমূহের সফল বাস্তবায়নে গেম চেঞ্জার হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই আয়োজনের মাধ্যমে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ নিজেকে একটি “রিয়েল চেঞ্জ মেকার” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা সফল প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের অর্থের যথাযথ মূল্য নিশ্চিত করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

তারুণ্যের বাস্তব ভাবনায় মাহে রামাদান – তাজকিয়ার সেমিনার ও কেন্দ্রীয় ইফতার মাহফিল  অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র মাহে রামাদানে যুবসমাজকে আত্মশুদ্ধি, সংযম ও নৈতিকতার চর্চায় উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে তারুণ্য নির্ভর সংগঠন ‘তাজকিয়া’র উদ্যোগে “তারুণ্যের বাস্তব ভাবনায় মাহে রামাদান” শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (০৬ মার্চ, ২০২৬) নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম মিলনায়তনে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-

লেখক ও গবেষক মাহাদী গালিব। তিনি তার সারগর্ভ আলোচনায় উল্লেখ করেন, “পবিত্র মাহে রামাদান কেবল ইবাদতের মাস নয়, বরং এটি আত্মসমালোচনা, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও নৈতিক উৎকর্ষ সাধনের এক অনন্য সুযোগ।” তিনি তরুণদের উদ্দেশে বলেন, “আধুনিক যুগের নানা বিভ্রান্তি, ইন্টারনেট নির্ভর জীবন ব্যবস্থা এবং  ব্যস্ততার মধ্যেও রামাদানের চেতনাকে ধারণ করে আত্মশুদ্ধির পথে অগ্রসর হওয়াই প্রকৃত সফলতা।”
আলোচনায় তিনি আরও উল্লেখ করেন, “তরুণ সমাজ যদি রামাদানের শিক্ষা, সংযম, সহমর্মিতা ও আত্মশুদ্ধি যদি নিজেদের জীবনে বাস্তবভাবে ধারণ করতে পারে, তবে ব্যক্তি জীবন থেকে শুরু করে সমাজ জীবনেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

সেমিনারে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়,স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার  শিক্ষার্থীসহ তরুণ সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।তাছাড়া, উক্ত সেমিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন শাহানশাহ্ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.) ট্রাস্টের সম্মানিত সচিব জনাব এ. ওয়াই. এমডি. জাফর, তাজকিয়ার প্রধান উপদেষ্টা প্রকৌশলী  সৈয়দ আবু নাসের নূর অন্তু,…….
তাজকিয়ার সাবেক কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও শাখা প্রতিনিধিবৃন্দ,বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিবৃন্দ,মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ এর বিভিন্ন শাখা পর্যায়ের শুভাকাঙ্ক্ষীবৃন্দ, বিভিন্ন তরুণ সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ। তারা রামাদানে নিজেদের করণীয়, সময় ব্যবস্থাপনা, ইবাদতের ধারাবাহিকতা এবং নৈতিক জীবন গঠনের নানা দিক নিয়ে মতামত ব্যক্ত করেন।

উক্ত আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন তাজকিয়া কেন্দ্রীয় পর্ষদ এর সম্মানিত সভাপতি জনাব মোঃ রমিজ আলী।
অনুষ্ঠানের আয়োজকরা জানান, যুব সমাজের মাঝে আত্মশুদ্ধি, নৈতিকতা ও ইতিবাচক জীবনদর্শন গড়ে তুলে ‘ঐশী প্রেমের জাগরণ সৃষ্টি’ করতে ভবিষ্যতেও তাজকিয়ার পক্ষ থেকে এই ধরনের সেমিনার ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

পরিশেষে মিলাদ-কিয়াম ও মুনাজাত পরবর্তীতে সম্মিলিতভাবে ইফতার গ্রহণ পরবর্তী উক্ত আয়োজনের পরিসমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন ডাঃ জাফর উল্লাহ চৌধুরী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন ডাঃ জাফর উল্লাহ চৌধুরী।

আলোচিত খবর

চরম বিপাকে হাজার হাজার যাত্রী শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ৮ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা মোট ৮০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির যুদ্ধাবস্থায় দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ডগুলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে। শনিবার নতুন করে বাতিল হয়েছে আরো ১২টি ফ্লাইট। এই টানা ৮ দিন ধরে ফ্লাইট বাতিলে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী, যাদের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী শ্রমিক। অনেক যাত্রী দূর-দূরান্ত থেকে বিমানবন্দরে এসে ফ্লাইট বাতিলের খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধাবস্থার কারণে দুবাই, আবুধাবি ও দোহার মতো গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডগুলো বন্ধ থাকায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এয়ারফিল্ডগুলো খুলে দিলেই পুনরায় নিয়মিত ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক প্রবাসী তাদের ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন। যথাসময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে চাকরি হারানোর ভয় কাজ করছে তাদের মনে।অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যারা দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তারা সেখানের এয়ারফিল্ডে আটকা পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া বা রি-শিডিউল করা নিয়ে এয়ারলাইনস অফিসগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, শনিবার সারাদিনে ১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার।এয়ার আরাবিয়ারের ২টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। সালাম এয়ারের ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার।
পুরো সূচি বিপর্যস্ত হলেও শনিবার সীমিত কিছু ফ্লাইট সচল রয়েছে। এর মধ্যে সালাম এয়ারের মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে দুটি (ওভি-৪০১ ও ওভি-৪০২) এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মদিনা (বিজি-১৩৮) ও মাস্কাট (বিজি-১২২) থেকে আসা দুটি ফ্লাইট অবতরণ করেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ