আজঃ বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চসিকের উদ্যোগে আধুনিক ফিজিওথেরাপি সেন্টার গড়ে তোলা হবে : মেয়র ডা. শাহাদাত।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন রেড ক্রিসেন্ট ফিজিওথেরাপি সেন্টারে চাইল্ড কেয়ার জোনের উদ্বোধন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। সোমবার বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি চট্টগ্রাম সিটি ইউনিটের উদ্যোগে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস ২০২৫ উদযাপন অনুষ্ঠানে হুমায়ুন কবির-রোজি কবির ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে এ চাইল্ড কেয়ার কর্ণার উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন শেষে মেয়র সরাসরি ফিজিওথেরাপি সেন্টারের রোগীদের সেবায় অংশগ্রহণ করেন।অনুষ্ঠানে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো চট্টগ্রামের প্রতিটি নাগরিকের মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। এজন্য ফিজিওথেরাপি সেন্টারকে আধুনিক ও সুবিধাসম্পন্ন করে তোলা হচ্ছে, যাতে এখানে আগত প্রতিটি রোগী সঠিক চিকিৎসা এবং পুনর্বাসনের সুবিধা পেতে পারে। আমরা শুধু রোগীকে চিকিৎসা দিচ্ছি না, বরং তাদের পূর্ণভাবে সুস্থ ও স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তাও নিশ্চিত করছি।

তিনি আরও বলেন, ফিজিওথেরাপি সেন্টারটি শিশু, প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীসহ সকল বয়সী রোগীর জন্য সমানভাবে খোলা। বিশেষ করে শিশুদের জন্য স্থাপিত চাইল্ড কেয়ার কর্ণার আমাদের বিশেষ পদক্ষেপ। এখানে শিশুরা নিরাপদ ও আরামদায়ক পরিবেশে থাকতে পারবে, যাতে রোগীর পরিবারও নির্ভয়ে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারে।
মেয়র গুরুত্ব দিয়ে বলেন, আমরা চাই চট্টগ্রামে ফিজিওথেরাপি সেবাকে আধুনিক মানের সঙ্গে সমন্বয় করা হোক। সেন্টারে নতুন প্রযুক্তি ও আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে, যাতে রোগীদের পুনর্বাসন দ্রুত এবং কার্যকর হয়। এছাড়া চিকিৎসা প্রদানের পাশাপাশি রোগীদের সঙ্গে মানসিক সহায়তা এবং সামাজিক পরিচর্যাও দেওয়া হবে।শেষে তিনি জানান, আমাদের পরিকল্পনা শুধু ফিজিওথেরাপি সেন্টারকে উন্নত করা নয়, বরং নগরের প্রতিটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রকে আধুনিক ও নাগরিকবান্ধব করার। আমরা চাই চট্টগ্রামের প্রতিটি মানুষ সহজলভ্য ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারে।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান ও এশিয়ান গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এম. এ ছালাম এবং সঞ্চালনা করেন সিটি রেড ক্রিসেন্টের সেক্রেটারি গোলাম বাকি মাসুদ।

আলোচনা সভা ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্টের কার্যকরী পর্ষদ সদস্য এইচ এম সালাহউদ্দিন, জিয়াউল হক সোহেল, মো: মেহেদী হাসান রায়হান, সালাহউদ্দিন সাহেদ, ডাঃ ফারহানাজ মাবুদ সিলভী, মো: এনামুল হক, ইউনিট লেভেল অফিসার আবদুর রহিম আকন, চট্টগ্রাম সিটি যুব রেড ক্রিসেন্টের যুব প্রধান আ. ন. ম. তামজীদ, সাংগঠনিক বিভাগীয় প্রধান দীপ্ত ভট্টাচার্য, দুর্যোগ ও মানবিক সাড়া প্রদান বিভাগীয় প্রধান মো. রকিবুল ইসলামসহ যুব স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন হবে : চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন হবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম মিঞা। বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি নির্বাচনী আচরণবিধি জারির পর থেকে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করায় জেলার সার্বিক পরিবেশ শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল রয়েছে বলে মন্তব্য করেন।

জেলা প্রশাসক জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে পুরো চট্টগ্রাম জেলাকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে রয়েছে ৪০ হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং প্রায় ১১৫ জন জুডিশিয়াল ও অ্যাক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।
প্রত্যেক ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করছে এবং তারা সার্বক্ষণিক টহল ও মুভমেন্টের মাধ্যমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। নিয়মিত তল্লাশি অভিযানের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে কিছু অর্থ জব্দ করা হয়েছে এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এবারের নির্বাচনের লক্ষ্য কেবল ভোটগ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণায় সীমাবদ্ধ নয়। বরং প্রতিটি ভোটার যেন উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের সুচিন্তিত মতামত প্রকাশ করতে পারেন এবং নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন-সেই নিশ্চয়তা প্রদানই প্রশাসনের প্রধান অগ্রাধিকার।

সীতাকুণ্ড ও রাউজানের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকাসহ প্রতিটি উপজেলা বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে এবং কোনো ধরনের উদ্বেগের ইঙ্গিত পাওয়া গেলে তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চট্টগ্রামে নির্বাচনের পরিবেশ স্বস্তিকর।

চট্টগ্রাম জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ৬৬ লাখ ৮২ হাজার ৫১৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩৪ লাখ ৮৩ হাজার ৮৭৭ জন।নারী ভোটার ৩১ লাখ ৯৮ হাজার ৫৭০ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে ৭০ জন। এসব ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন জেলার মোট ১ হাজার ৯৬৫টি ভোটকেন্দ্রে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিশ্চিত করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম ৮ কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জাম ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে চট্টগ্রাম-৮ আসনের বোয়ালখালীতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে ভোটের সরঞ্জাম।বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারী ) দুপুর সাড়ে ১২টার সময় উপজেলার বোয়ালখালী সিরাজুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজ থেকে প্রতিটি ভোট কেন্দ্রের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা এসব সরঞ্জাম সংগ্রহ করতে দেখা গেছে।


নিবার্চন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বোয়ালখালীতে ৮২ টি কেন্দ্রে মোট ভোটার রয়েছে ২ লক্ষ ২৩ হাজার ১৯০ জন। এছাড়া বোয়ালখালী উপজেলা এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ড নিয়ে চট্টগ্রাম-৮ আসন। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ জন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. মেহেদী হাসান ফারুক বলেন, ভোট গ্রহণের জন্য আমরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। ভোটের সরঞ্জাম নিয়ে ইতোমধ্যে প্রিজাইডিং অফিসাররা কেন্দ্রে পৌঁছাচ্ছে।নির্বাচন যেন সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয়, সেজন্য পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। আমরা আশা করছি একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আলোচিত খবর

নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ৮ লাখ। কর্মকর্তা- ইসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিশাল এক কর্মীবাহিনী মাঠে নামিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের কর্মযজ্ঞ সফল করতে সারা দেশে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা সরাসরি নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশাল তালিকায় প্রিজাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার পর্যন্ত সর্বমোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন দক্ষ কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।  

নির্বাচন পরিচালনার ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৫৯৮ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার। মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে প্রায় ৯ লাখ পোস্টাল ব্যালট প্রতিটি কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব সামলাবেন একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, সেই হিসেবে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার এখন কেন্দ্রগুলোতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়াও ভোটকক্ষগুলোতে দায়িত্ব পালনের জন্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং অফিসারকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ