আজঃ মঙ্গলবার ৫ মে, ২০২৬

চসিকের উদ্যোগে আধুনিক ফিজিওথেরাপি সেন্টার গড়ে তোলা হবে : মেয়র ডা. শাহাদাত।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন রেড ক্রিসেন্ট ফিজিওথেরাপি সেন্টারে চাইল্ড কেয়ার জোনের উদ্বোধন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। সোমবার বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি চট্টগ্রাম সিটি ইউনিটের উদ্যোগে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস ২০২৫ উদযাপন অনুষ্ঠানে হুমায়ুন কবির-রোজি কবির ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে এ চাইল্ড কেয়ার কর্ণার উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন শেষে মেয়র সরাসরি ফিজিওথেরাপি সেন্টারের রোগীদের সেবায় অংশগ্রহণ করেন।অনুষ্ঠানে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো চট্টগ্রামের প্রতিটি নাগরিকের মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। এজন্য ফিজিওথেরাপি সেন্টারকে আধুনিক ও সুবিধাসম্পন্ন করে তোলা হচ্ছে, যাতে এখানে আগত প্রতিটি রোগী সঠিক চিকিৎসা এবং পুনর্বাসনের সুবিধা পেতে পারে। আমরা শুধু রোগীকে চিকিৎসা দিচ্ছি না, বরং তাদের পূর্ণভাবে সুস্থ ও স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তাও নিশ্চিত করছি।

তিনি আরও বলেন, ফিজিওথেরাপি সেন্টারটি শিশু, প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীসহ সকল বয়সী রোগীর জন্য সমানভাবে খোলা। বিশেষ করে শিশুদের জন্য স্থাপিত চাইল্ড কেয়ার কর্ণার আমাদের বিশেষ পদক্ষেপ। এখানে শিশুরা নিরাপদ ও আরামদায়ক পরিবেশে থাকতে পারবে, যাতে রোগীর পরিবারও নির্ভয়ে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারে।
মেয়র গুরুত্ব দিয়ে বলেন, আমরা চাই চট্টগ্রামে ফিজিওথেরাপি সেবাকে আধুনিক মানের সঙ্গে সমন্বয় করা হোক। সেন্টারে নতুন প্রযুক্তি ও আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে, যাতে রোগীদের পুনর্বাসন দ্রুত এবং কার্যকর হয়। এছাড়া চিকিৎসা প্রদানের পাশাপাশি রোগীদের সঙ্গে মানসিক সহায়তা এবং সামাজিক পরিচর্যাও দেওয়া হবে।শেষে তিনি জানান, আমাদের পরিকল্পনা শুধু ফিজিওথেরাপি সেন্টারকে উন্নত করা নয়, বরং নগরের প্রতিটি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রকে আধুনিক ও নাগরিকবান্ধব করার। আমরা চাই চট্টগ্রামের প্রতিটি মানুষ সহজলভ্য ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারে।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান ও এশিয়ান গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এম. এ ছালাম এবং সঞ্চালনা করেন সিটি রেড ক্রিসেন্টের সেক্রেটারি গোলাম বাকি মাসুদ।

আলোচনা সভা ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, চট্টগ্রাম সিটি রেড ক্রিসেন্টের কার্যকরী পর্ষদ সদস্য এইচ এম সালাহউদ্দিন, জিয়াউল হক সোহেল, মো: মেহেদী হাসান রায়হান, সালাহউদ্দিন সাহেদ, ডাঃ ফারহানাজ মাবুদ সিলভী, মো: এনামুল হক, ইউনিট লেভেল অফিসার আবদুর রহিম আকন, চট্টগ্রাম সিটি যুব রেড ক্রিসেন্টের যুব প্রধান আ. ন. ম. তামজীদ, সাংগঠনিক বিভাগীয় প্রধান দীপ্ত ভট্টাচার্য, দুর্যোগ ও মানবিক সাড়া প্রদান বিভাগীয় প্রধান মো. রকিবুল ইসলামসহ যুব স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ব্লাড ব্যাংকের যাত্রা শুরু ৪৬ বছরে পা রাখলো মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালের ৪৬ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান ও ব্লাড ব্যাংকের উদ্বোধন একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো মনিরুজ্জামান। এতে ডেঙ্গু রোগীদের ক্ষেত্রে রক্তের যথাযথ ব্যবহার বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের ডিভিশনাল ডিরেক্টর ডা. শেখ ফজলে রাব্বি। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যাপক ডা. মাসুদ আহমেদ, অধ্যাপক ডা. এ.এম. রায়হান উদ্দিন, অধ্যাপক ডা. হাফিজুল ইসলাম। হাসপাতালের জেনারেল ম্যানেজার মো.ইয়াছিন আরাফাতের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, সহযোগী অধ্যাপক ডা. জেবুন নেসা, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান (মিজান) এবং সহকারী অধ্যাপক ডা. আশরাফুল হক।

সেমিনারে বক্তারা ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় রক্ত ও রক্তজাত উপাদানের সঠিক ও প্রয়োজনীয় ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব প্রদান করেন। তারা বলেন, সঠিক সময়ে সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে ডেঙ্গুজনিত জটিলতা অনেকাংশে কমানো সম্ভব। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়ন ও আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রসারে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. তাহমিদ জুনায়েদ মাহমুদ, ডা. সাফওয়ান মাহমুদ, মার্কেটিং ম্যানেজার রতন কুমার নাথ, বিডিএম ম্যানেজার গোলাম রব্বানী, সার্ভিস ম্যানেজার লুৎফুর রহমান, আই টি ম্যানেজার মোঃ উছা, সহকারী ম্যানেজার মো. মিজানুর রহমানসহ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকবৃন্দ এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে জব্দ ২৭ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে বিপুল সংখ্যক সিগারেটের চালান জব্দ করা হয়েছে। মাস্কাট থেকে আগত সালাম এয়ারের একটি ফ্লাইটের যাত্রী মো. শামসুদ্দিনের ব্যাগেজ তল্লাশি করে ২৮০ কার্টন সিগারেট উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে আন্তর্জাতিক আগমন হলের ১ নম্বর লাগেজ বেল্টে যাত্রীবিহীন অবস্থায় আরও ১ হাজার ৬৫ কার্টন সিগারেট ও একটি ল্যাপটপ পাওয়া যায়। রোববার দিবাগত রাতে বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক আগমন হলে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল বলেন, জব্দ করা সিগারেট থেকে সম্ভাব্য রাজস্বের পরিমাণ প্রায় ২৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা। উদ্ধারকৃত সিগারেট ও ল্যাপটপ ডিপার্টমেন্টাল মেমোরেন্ডাম মূল্যে জব্দ করে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের হেফাজতে রাখা হয়েছে। আটক যাত্রীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মৌখিকভাবে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ