আজঃ শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

অন্ধকারে নিমজ্জিত কালুরঘাট সেতু, নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা।

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

চট্টগ্রামের কালুরঘাট সেতু প্রায় ২৫ দিন ধরে অন্ধকারে। বৈদ্যুতিক ক্যাবল চুরি হওয়ায় সেতুর লাইটগুলো জ্বলছে না। অন্ধকারের কারণে সেতু ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সন্ধ্যার পর অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যাওয়ায় প্রায় শতবর্ষ এই পুরোনো সেতুটিতে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে কর্মকর্তারা ও স্থানীয়রা। জান আলী হাট রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার নেজাম উদ্দিন জানান, লাইটগুলো সচল করতে গত ৩১ আগস্ট তারা জরুরি চিঠি পাঠিয়েছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। ‘

সম্ভবত গত ১৫ আগস্ট বাতির তার চুরির ঘটনা ঘটেছে। এদিকে, গত ছয় মাসে এই ঝুঁকিপূর্ণ সেতুতে ৪ জনের প্রাণহানি হয়েছে। পাশাপাশি একাধিক ট্রেন-গাড়ি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, অন্ধকার অবস্থায় আরও দুর্ঘটনা ও ছিনতাইয়ের সম্ভাবনা বাড়তে পারে। রেল কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে রাতে সেতুটি এখন ভূতুড়ে স্পটে পরিণত হয়েছে। লাইট বন্ধ থাকার কারণে আমরা ভয়ে এখন অন্ধকারে সেতু পার হই না।

গতকাল রাতে সেতু পরিদর্শন করে দেখা যায়, পুরোপুরি অন্ধকারে ডুবে আছে সেতু, একটি সড়কবাতিও জ্বলছে না। কধুরথীলের বাসিন্ধার তারেক বলেন, ‘আমরা অন্ধকারের কারণে দুর্ঘটনার ভয় পাচ্ছি। রেলওয়ে কর্মকর্তারা জানান, সেতুটি পুনরায় সংস্কারের কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড। যোগাযোগ করা হলে চট্টগ্রাম রেলওয়ে বিভাগের বৈদ্যুতিক প্রকৌশলী আরিফুল বলেন, ‘সংস্কারকালে সড়কবাতি রক্ষণাবেক্ষনসহ নিরাপত্তার দায়িত্ব ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচারের।’ তিনি জানান, দ্রুত সড়কবাতি চালুর জন্য ম্যাক্সকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নতুনভাবে সংস্কারের পর পথচারীদের সুবিধার্থে ৩১টি স্ট্রিটলাইট স্থাপন করা হয়েছে কালুরঘাট সেতুতে। ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচারের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১৮০০ ফুট বৈদ্যুতিক ক্যাবল চুরি হয়েছে।

ম্যাক্সের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. মেহেদী হাসান বলেন এ পর্যন্ত দুইবার ক্যাবল চুরি হয়েছে। আমরা রেল কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি, তবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাইনি। তবে আমরা সড়কবাতিগুলো সচলের জন্য কাজ করছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ভোটের লাইনে -১ জন ও খুলনায় হট্টগোলে -১ জন নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

খুলনা সদরের আলিয়া মাদরাসা ভোটকেন্দ্রে দুই পক্ষের উত্তেজনা ও হট্টগোলের মাঝে মহিবুজ্জামান কচি নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে।বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। সূত্রে জানা যায়, নিহত মহিবুজ্জামান কচি খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক।
চট্টগ্রাম নগরীতে ভোট দিতে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে এক বৃদ্ধ ভোটারের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে নগরীর কাজীর দেউড়ি বালক উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।নিহত ব্যক্তির নাম মনু মিয়া (৫৫)। তিনি চট্টগ্রাম–১৪ আসনের বাগমনিরাম ব্যাটারিগলি এলাকার বাসিন্দা।

সিইসির সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ১১ দলীয় জোট।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটের নেতারা।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে এ বৈঠক শুরু হয়।

আরও পড়ুন: ঢাকা-৫ আসনে ধীরগতিতে ভোটগ্রহণ নিয়ে অসন্তোষ ভোটাররা বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিমসহ ১১ দলীয় জোটের ১০ সদস্য অংশ নিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনে প্রবেশের সময় সাংবাদিকরা বৈঠকের বিষয়বস্তু জানতে চাইলে জোটের নেতারা কোনো মন্তব্য করেননি। তবে বৈঠক শেষে তারা ব্রিফিং করবেন বলে জানা গেছে।

আলোচিত খবর

নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ৮ লাখ। কর্মকর্তা- ইসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিশাল এক কর্মীবাহিনী মাঠে নামিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের কর্মযজ্ঞ সফল করতে সারা দেশে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা সরাসরি নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশাল তালিকায় প্রিজাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার পর্যন্ত সর্বমোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন দক্ষ কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।  

নির্বাচন পরিচালনার ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৫৯৮ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার। মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে প্রায় ৯ লাখ পোস্টাল ব্যালট প্রতিটি কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব সামলাবেন একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, সেই হিসেবে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার এখন কেন্দ্রগুলোতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়াও ভোটকক্ষগুলোতে দায়িত্ব পালনের জন্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং অফিসারকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ