আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

সবুজ পরিবেশ গড়ে তুলতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

১০ লাখ গাছ লাগিয়ে গ্রীন চট্টগ্রাম গড়বো : মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। নগরীর পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ-সুন্দর নগরী গড়ে তুলতে হলে এখন থেকেই সবাইকে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত।

বৃহস্পতিবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও চারা হাস্তান্তর কর্মসূচী অনুষ্ঠানে লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের নিকট ১০০০ গাছের চারা হস্তান্তর করে।মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গাছ আমাদের পরম বন্ধু। সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অক্সিজেন দিয়ে ও কার্বন-ডাই অক্সাইড শোষণ করে গাছ আমাদের বেঁচে থাকার পথ সুগম করে।

ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকেও বৃক্ষরোপণ একটি সওয়াবের কাজ—যতদিন গাছ বেঁচে থাকবে, ততদিন আমলনামায় সওয়াব লেখা হবে। একসময় বাংলাদেশ ছিল বনভূমি ও সবুজ গাছে ভরপুর। কিন্তু অনিয়ন্ত্রিত দখল, পাহাড় উজাড় ও বন ধ্বংসের কারণে সবুজ আচ্ছাদন কমে গেছে। তাই সবাইকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বৃক্ষরোপণে অংশ নিতে হবে।

মেয়র আরও বলেন, চট্টগ্রাম একটি ঘনবসতিপূর্ণ নগরী। এখানে দূষণ প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে। সেই দূষণ রোধে আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো গাছ। সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে নগরীর বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। তবে শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, ব্যক্তি, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে এ কাজে সম্পৃক্ত হতে হবে। তিনি লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাংকে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং নগরবাসীকেও নিজ নিজ জায়গায় অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।

লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং এর প্রেসিডেন্ট লায়ন রেবেকা নাসরিনের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন দৈনিক আজাদী সম্পাদক প্রাক্তন জেলা গভর্নর লায়ন এম এ মালেক, দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার আবাসিক সম্পাদক জাহিদুল করিম কচি, আইপিপি লায়ন বাবুল কান্তি লালা, সেক্রেটারি লায়ন বাসুদেব সিনহা, ট্রেজেরার লায়ন অনুপম মজুমদার, লায়ন আলহাজ্ব নুরুল আলম, লায়ন সিলবাস্টার বার্নাডেট, ইসমাইল চৌধুরী,

লায়ন মোসাদ্দেক শরীফ মানিক, লায়ন এস কে পালিত, লায়ন সোহেল খান এমজেএফ, লায়ন মোহাম্মদ আইয়ুব, লায়ন রোকেয়া জামান, লায়ন নুর আকতার জাহান, মহাদেব ঘোষ, মানস বড়ুয়া, খোরশেদ আলী, লিও ক্লাব অব চিটাগং এর প্রেসিডেন্ট লিও মিনহাজুর রহমান শিহাব, আইপিপি লিও শাহাদাত হোসেন সাইফ, এরস্ট্রোক্রেসি কেমব্রিয়ানের প্রেসিডেন্ট লিও ইমরুল কায়েস অপু, লিও বাঁধন ঘোষ, লিও জাহেদ উদ্দীন রিপন, লিও ইনতিশার রহমান, লিও মুবতাসিম তাজওয়ার, লিও ইভান প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ