আজঃ শনিবার ১৪ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে দুর্গাপূজা ২০২৫ উপলক্ষে সভা অনুষ্ঠিত।

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের সভাপতিত্বে শারদীয় দুর্গাপূজা–২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন, বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী অফিসারবৃন্দ, র‌্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসার, ফায়ার সার্ভিসসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন এবং জেলা ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দও সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় দুর্গাপূজার সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ উদযাপন নিশ্চিত করতে নানা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। প্রতিটি পূজামণ্ডপে স্থায়ী আনসার বাহিনী মোতায়েনের পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাড়তি টহলের ব্যবস্থা থাকবে। পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা নজরদারি জোরদার করতে আইপি ক্যামেরা স্থাপন ও সীমান্তবর্তী এলাকায় বিজিবি এবং উপকূলীয় এলাকায় কোস্টগার্ডকে বিশেষ সতর্কতামূলক দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয় আজকের সভায়।

সভায় জানানো হয়, প্রতিমা বিসর্জন কেবল জেলা প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে দিতে হবে এবং সময় নির্ধারণ করা হয়েছে দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে। বিজয়া দশমীর দিনে বিসর্জন ঘিরে দুর্ঘটনা এড়াতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি দল, নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ড প্রস্তুত থাকবে। পাশাপাশি বিসর্জন এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং পর্যাপ্ত সড়ক বাতি স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয় আজকের সভায়।

সভায় পূজামণ্ডপে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়; ইভটিজিং, মাদক সেবনসহ যেকোনো অপরাধ কঠোর হাতে দমন করা হবে বলে জানান জেলা প্রশাসক। এছাড়া, গ্রামীণ পর্যায়ে প্রতিমা আনা-নেওয়ার সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় সড়ক সংস্কার ও মেরামত দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং পূজা উদযাপন পরিষদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় চট্টগ্রামে এবারের শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হবে। আলোচনায় আজ আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সানতু এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: কামরুজ্জামান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গাউসিয়া হক কমিটি সূর্যগিরি আশ্রম শাখার উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নাজিরহাট প্রতিনিধি: মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ সূর্যগিরি আশ্রমের উদ্যোগে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল বিকালে উপজেলা সদরে সূর্যগিরি আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ লায়ন ডা. বরুণ কুমার আচার্য বলাইয়ের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ফটিকছড়ি থেকে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সরোয়ার আলমগীর।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, সাবেক চেয়ারম্যান মোবারক হোসেন কাঞ্চন, মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুল আলম চৌধুরী, নাজিম উদ্দিন শাহীন, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মো. জালাল উদ্দিন চৌধুরী, মোজাহারুল ইকবাল লাভলু, এন এম রহমত উল্লাহ, সংগঠনের সভাপতি ধীমান দাশ, সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ বৈদ্য, উপদেষ্টা ড. তরুণ কুমার আচার্য্য, কেন্দ্রীয় পর্ষদের সভাপতি বিপ্লব চৌধুরী কাঞ্চন, সাধারণ সম্পাদক টিটু চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুবেল শীল, আহমেদ এরশাদ খোকন, সাংবাদিক জিপন উদ্দিন, শিমুল পাল, বিজন শীল, ঝুমুর সর্দ্দার, মিন্টু দাশ গুপ্ত, সুল্বভ দত্ত, কৃপাঞ্জন আচার্য, সোনা রাম আচার্য, উপদেষ্টা নারায়ন আচার্য। সংগঠনের দুই সদস্যকে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।

চট্টগ্রামে চেক জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টায় একজনের কারাদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে চেক জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ
আত্মসাতের চেষ্টায় একজনের কারাদণ্ড
ছবি-৩
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রামে স্বাক্ষর নকল ও চেক জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টার দায়ে নজরুল ইসলাম একজনকে ৯ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন একটি আদালত। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমান খানের আদালত এই রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. নজরুল ইসলাম পটিয়া উপজেলার ভাটিখাইন ইউনিয়নের মো. নুরুল ইসলামের ছেলে।রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের বিশেষ পিপি মোকাররম হোসাইন। তিনি বলেন, রায়ের সময় আসামি পলাতক ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, নজরুল ইসলাম ও মো. শাহাজাহান ডবলমুরিং এলাকার মেসার্স নবী এন্ড সন্সের কর্মচারী ছিলেন। নজরুল ইসলাম ছিলেন ওই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার। ২০০৭ সালের ৩ জুন দুপুর ২টার দিকে নগরীর সদরঘাট এলাকার স্ট্যান্ড রোডের জনতা ব্যাংকের শাখা থেকে তারা দুই কর্মচারী মিলে প্রতিষ্ঠানের মালিকের বড় ভাই মো. সেলিমের স্বাক্ষর জাল করে ৬টি চেক জনতা ব্যাংকে জমা দেয় টাকা উত্তোলনের জন্য। পরে ব্যাংক থেকে প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে বিষয়টি বুঝতে পেরে তারা টাকা দিতে নিষেধ করেন। পরদিন অর্থাৎ ওই বছরের ৫ জুন চেকগুলোর মাধ্যমে টাকা প্রদান না করার জন্য ব্যাংক বরাবর লিখিত আবেদন করেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক আবু সাদাত মোহাম্মদ শামীম। পরে ওই বছরের ১৮ জুলাই তিনি এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ ২ নম্বর আসামির সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় শাহাজাহানকে চার্জশিট থেকে বাদ দিয়ে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। ওই মামলায় আজ আসামি নজরুল ইসলামকে ৯ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ