আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম মহানগর জুড়ে দেবী বন্দনার প্রস্তুতি : শেষ সময়ে ব্যস্ত মৃৎ শিল্পীরা।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শরৎ ঋতু শুরুর পর থেকে মাঠের ধারে কিংবা নদীর তীরে দুলতে থাকা কাশফুল জানান দিচ্ছে দুর্গাপূজার আগমনী বার্তা। আগামী ২১ সেপ্টেম্বর মহালয়ার মধ্যে দিয়ে শুরু হবে দেবী পক্ষের। ২৮ সেপ্টেম্বর ষষ্ঠীতে বোধনের মধ্যে দিয়ে কৈলাশ থেকে মর্ত্যে আসবেন দেবী দুর্গা। নগর জুড়ে তাই শুরু হয়েছে দেবী বন্দনার প্রস্তুতি। এবার নগরের ১৬ থানায় ২৯৫টি মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হবে দুর্গাপূজা।
বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষের পথে। শৈল্পিক কারুকার্য আর রঙ তুলির নিপুণ ছোঁয়ায় সেজে উঠছে অনিন্দ্য সুন্দর প্রতিমাগুলো। আর তাঁর ছোঁয়া যেন লেগেছে সনাতনীদের মনেও। মৃৎ শিল্পীদের হাতে সেজে ওঠা এসব প্রতিমা দেখতে এখন থেকেই ভিড় লেগেছে। এনায়েত বাজার গোয়ালপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, তুলির আঁচড়ে প্রতিমার অবয়ব ফুটিয়ে তুলছেন মৃৎশিল্পী বিশ্বজিত পাল। সারিবদ্ধভাবে সাজিয়ে রাখা হয়েছে দেবী দুর্গা, সরস্বতী, লক্ষ্মী, কার্তিক, গণেশসহ বিভিন্ন প্রতিমা।এছাড়া নগরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে শুরু হয়েছে গেট, প্যান্ডেল এবং সাজসজ্জার কাজও। ব্যস্ত সময় পার করছেন মৃৎশিল্পীরা। রঙ আর তুলির আঁচড়ে প্রতিমার অবয়ব ফুটিয়ে তুলতে ব্যস্ত প্রতিমা তৈরির কারিগররা। সদরঘাট, এনায়েতবাজার, আগ্রাবাদ, হাজারীলেন, রাজাপুর লেন, চকবাজার, কাট্টলীসহ বেশ কয়েকটি স্থানে রয়েছেন প্রতিমা তৈরির এসব মৃৎশিল্পীরা।

মৃৎশিল্পী বিশ্বজিত পাল বলেন, আষাঢ় মাস থেকেই শুরু হয়েছে আমাদের প্রতিমা তৈরির প্রস্তুতি। প্রথমে বাঁশ, কাঠ, খড়, সূতলি ও মাটি দিয়ে প্রতিমার আকার তৈরি করে শুকানোর জন্য কিছুদিন রেখে দেয়া হয়। মাটি শুকানোর পর শুরু হয় প্রতিমায় রঙের কাজ। বর্তমানে রঙের কাজ প্রায় শেষ। প্রতিমা সাজানো এবং অলঙ্কার স্থাপনের কাজ বাকি আছে।’ এবার তিনি ১৪টি মণ্ডপের জন্য প্রতিমা তৈরি করেছেন তিনি। এর মধ্যে ১২টি কারখানায় এবং দুটি প্রতিমা পূজা মণ্ডপে তৈরি করা হয়েছে।কারখানায় তৈরি এসব প্রতিমা নেওয়া শুরু হবে মহালয়ের পরদিন থেকে ষষ্ঠীর আগ পর্যন্ত।

বিভিন্ন মৃৎশিল্পীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, তৈরি করা এসব প্রতিমার বেশিরভাগ নিয়ে যাওয়া হবে শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে। বাকি প্রতিমা চলে যাবে সীতাকুণ্ড, মিরসরাই, রাউজান, পটিয়া, কর্ণফুলী, বোয়ালখালীসহ বিভিন্ন উপজেলার পূজামণ্ডপে।
মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক অর্পন কান্তি ব্যানার্জী বলেন, নগরের ১৬ থানায় এবার ২৯৫টি মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হবে দুর্গাপূজা। এরমধ্যে পূজা উদযাপনের প্রায় সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি থানা নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলাদাভাবে বৈঠক করা হয়েছে।
এর আগে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পূজা উদযাপনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম ও মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মহানগর পূজা পরিষদ। এছাড়া আগামীকাল বুধবার ১৭ সেপ্টেম্বর সিএমপি কমিশনারের সাথে আরও একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানায় নগর পূজা পরিষদ। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর ষষ্ঠী পূজার মধ্যে দিয়ে শুরু হয়ে ২ অক্টোবর দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে এবারের দুর্গোৎসব।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গাউসিয়া হক কমিটি সূর্যগিরি আশ্রম শাখার উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নাজিরহাট প্রতিনিধি: মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ সূর্যগিরি আশ্রমের উদ্যোগে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল বিকালে উপজেলা সদরে সূর্যগিরি আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ লায়ন ডা. বরুণ কুমার আচার্য বলাইয়ের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ফটিকছড়ি থেকে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সরোয়ার আলমগীর।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, সাবেক চেয়ারম্যান মোবারক হোসেন কাঞ্চন, মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুল আলম চৌধুরী, নাজিম উদ্দিন শাহীন, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মো. জালাল উদ্দিন চৌধুরী, মোজাহারুল ইকবাল লাভলু, এন এম রহমত উল্লাহ, সংগঠনের সভাপতি ধীমান দাশ, সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ বৈদ্য, উপদেষ্টা ড. তরুণ কুমার আচার্য্য, কেন্দ্রীয় পর্ষদের সভাপতি বিপ্লব চৌধুরী কাঞ্চন, সাধারণ সম্পাদক টিটু চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুবেল শীল, আহমেদ এরশাদ খোকন, সাংবাদিক জিপন উদ্দিন, শিমুল পাল, বিজন শীল, ঝুমুর সর্দ্দার, মিন্টু দাশ গুপ্ত, সুল্বভ দত্ত, কৃপাঞ্জন আচার্য, সোনা রাম আচার্য, উপদেষ্টা নারায়ন আচার্য। সংগঠনের দুই সদস্যকে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।

মাভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি চাতুয়া শাখার ইফতার মাহফিল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ দুবাই চাতুয়া শাখা (প্রস্তাবিত) হক কমিটির এর উদ্যোগে সোমবার ৯ মার্চ বাদ-এ আছর দুবাইয়ের চাতুয়ায় কমিটির অস্থায়ী কার্যালয়ে পবিত্র ইফতার ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ বদিউল আলম বদির সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মঈনুদ্দীন অনিকের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মুহাম্মদ হাসান রেজা আল কাদেরী (মা.জি.আ.)।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব মওলানা মুহাম্মদ দিদারুল আলম কেন্দ্রীয় সদস্য, মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেলিম উদ্দিন উপদেষ্টা আজমান শাখা ও উপদেষ্টা কাজী ফয়জুল ইসলাম করিম দুবাই হামরিয়া শাখা ও ব্যবসায়ী আবদুর রহিম।

এতে শত শত আশেকে রাসুল (সাঃ) ও আশেকে মাইজভান্ডারীর উপস্হিতিতে বক্তারা বলেন, ইহকালের শান্তি ও পরকালের মুক্তির জন্য যুগে যুগে আল্লাহর অলিদের আগমন ঘটে পরিশেষে মহান মালিক হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভান্ডারীর যে মিশন হুক্কুল লা হুক্কুল ইবাদত ধারণ করে মানবতার কল্যাণে নিয়োজিত রাখার আহবান জানান।

অত্র কমিটির সিনিয়র সভাপতি এরশাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজান, প্রচার সম্পাদক রাশেদ, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক কামরুল সহ চাতুয়াপার্কিংয়ে কর্মরত প্রবাসী ভাইদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে প্রধান আলোচকের আখেরী মুনাজাত ও ইফতার ও তরারুক বিতরণের মধ্য দিয়ে মাহফিলের সমাপ্তি ঘটে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ