আজঃ শুক্রবার ৮ মে, ২০২৬

ছাত্রদলের প্যানেল ঘোষণা : চাকসু নির্বাচন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দিন মহসিন, সহ-সভাপতি মামুনুর রশীদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াসিন-সহ শাখা ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্যানেল ঘোষণা করেন।

ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে দর্শন বিভাগের ২০১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থী ও শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন হৃদয়, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের স্পোর্টস সাইন্স বিভাগের শিক্ষার্থী মো. শাফায়াত হোসেন এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী আইয়ুবুর রহমান তৌফিককে মনোনীত করা হয়েছে।

এছাড়া প্যানেলের অন্যান্য পদে প্রার্থী হয়েছেন খেলাধুলা ও ক্রীড়া সম্পাদক আজহারুল ইসলাম বিপ্লব, সহ সম্পাদক জয় বড়ুয়া। সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. মোজাম্মেল হক হৃদয়, সহ সম্পাদক শহীদুল কায়সার। দপ্তর সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া, সহ-সম্পাদক শাহরিয়ার উল্লাহ ফাহাদ। ছাত্রী কল্যাণ সম্পাদক নুজহাত জাহান, সহ সম্পাদক শাফকাত শফিক; বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক মো. ওজায়ের হোসেন; গবেষণা ও উন্নয়ন সম্পাদক ফাইরুজ সাদাফ দ্বীপ; সমাজসেবা ও পরিবেশ সম্পাদক ইমাম হাসান; স্বাস্থ্য সম্পাদক মোহাম্মদ আবরার গালিব; মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক শাহরিয়ার লিমন; ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট ও আন্তর্জাতিক সম্পাদক শ্রুতিরাজ চৌধুরী; যোগাযোগ ও আবাসন সম্পাদক মো. সায়েম উদ্দিন আহমেদ, সহ সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত; আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল সাকিব; পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক মো. জাবেদ। এছাড়া নির্বাহী সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ফয়সাল প্রান্ত বাবর, মিজান মিয়া, নুসরাত জাহান, এস এম তরিকুল ইসলাম রিমন ও তায়েফ হোসেন ইমন।
প্যানেল ঘোষণার পর নাসির উদ্দীন নাসির বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, সাহসী, মেধাবী ও বিচক্ষণ শিক্ষার্থীরা ভোট দিয়ে ছাত্রদলের প্যানেলকে জয়ী করবেন। ছাত্রসমাজের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও দীর্ঘদিন ধরে যারা শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে কাজ করেছেন, তাদেরকেই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রদল পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিয়েছে। যদিও কারচুপির অভিযোগ রয়েছে, তবুও একই ধারাবাহিকতায় চাকসুতেও আমরা পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করেছি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখানে নিরপেক্ষ আচরণ করবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

 

জানা গেছে, চাকসুর ঘোষিত নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু হয় ১৪ সেপ্টেম্বর এবং যা চলে ১৭ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন প্রার্থীরা। যাচাই-বাছাই শেষে প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হবে ২১ সেপ্টেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৩ সেপ্টেম্বর। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে ২৫ সেপ্টেম্বর। আগামী ১২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে চাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দক্ষিণ এশিয়ায় সংখ্যালঘুদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ স্থান হবে বাংলাদেশ: নাহিদ ইসলাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দক্ষিণ এশিয়ায় সংখ্যালঘুদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ স্থান বাংলাদেশ হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে একটা নির্বাচন হয়েছে।বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী এলাকা হিসেবে পশ্চিমবঙ্গ আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই নির্বাচন তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়, কিন্তু নির্বাচন নিয়ে আমরা এজন্য কোনো কথা বলতে চাই না।

বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি হলে এনসিপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, তবে আমরা দেখেছি নির্বাচনের আগে কয়েক লাখ ভোটারের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে, তাদের ভোটদান থেকে বিরত রাখা হয়েছিল। তাদের অধিকাংশ ছিল মুসলমান এবং মতুয়া সম্প্রদায়ের।তিনি বলেন, আমি সংসদেও এটা বলেছি, সেখানে (পশ্চিমবঙ্গে) মুসলমানদের নির্যাতন করা হচ্ছে, তাদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে, এটার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়বে।

নির্বাচনের পরেও সেখানে মুসলিম নির্যাতন হচ্ছে, মতুয়া, দলিত ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন করা হচ্ছে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা একটা কথা সুস্পষ্টভাবে বলতে চাই- পশ্চিমবঙ্গের এই নির্বাচনের ফলাফলের পরে বাংলাদেশের দায়িত্ব অনেক বেড়ে গিয়েছে। বাংলাদেশকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। এদেশের হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সকলের নিরাপত্তা এবং নাগরিক অধিকার নিশ্চিতের দায়িত্ব আমাদের নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের শত্রুপক্ষ যারা বাংলাদেশবিরোধী, বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী, তারা নানা উসকানি দিবে, সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানোর চেষ্টা করবে, নানা প্রোপাগান্ডা করবে। আমাদের এ বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। আমরা এটা দেখিয়ে দেব, দক্ষিণ এশিয়ায় সংখ্যালঘুদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ স্থান হবে এই বাংলাদেশ। বাংলাদেশকে বাংলার মুসলমান, দলিত, মতুয়া সম্প্রদায়সহ সকলের দায়িত্ব নিতে হবে এবং তাদের অধিকারের পক্ষে কথা বলতে হবে।

এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, আজ যারা নতুন করে যোগদান দিচ্ছেন এবং যারা আগে থেকেই আছেন, সবাইকে একটাই প্রতিজ্ঞা করতে হবে- আমরা নিজেদের মধ্যে কোনো দ্বন্দ্ব রাখব না। যে যেখান থেকেই আসুন না কেন, এনসিপির পতাকাতলে সবাই যোগ্যতা অনুসারে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব। কারণ ঐক্যই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। বাংলাদেশে আবার সংকট তৈরি হয়েছে।

এ সংকট মোকাবিলা করতে হবে।বাংলাদেশে জুলাই গণহত্যা ও সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হবে। এটি এনসিপিকে বাস্তবায়ন করতে হবে। সেটি সংসদ এবং রাজপথে। আন্দোলনে আমাদের অনেক বোন রাজপথে থেকে আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। তাদের অধিকার রক্ষায় আমাদের কাজ করতে হবে।নাহিদ ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে হামের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা দেখতে চায় না আর একটি শিশুও হামের কারণে মৃত্যুবরণ করুক। সরকারকে বলবো, আপনারা পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা বৃদ্ধি করুন।এনসিপি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক ইসহাক সরকার বলেছেন, ঢাকা বিজয় হয়েছে। আজকে চট্টগ্রাম বিজয়ের যাত্রা শুরু হয়েছে। যারা জুলাইয়ের সঙ্গে বেইমানি করেছে তাদের সঙ্গে জনগণের কোন সম্পর্ক নেই।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি করছে। সনদ বাস্তবায়নে বিভিন্ন তালবাহানা শুরু করেছে।সরকার যদি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে, তাহলে আমরা রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে দাবি আদায় করে নিবো । জুলাইয়ে আমার ভাই হত্যার বদলা আমরা নিবোই। বিএনপি ক্ষমতায় এসে আজকে আমাদের সঙ্গে বেইমানি করছে। ইসহাক সরকার বলেন, হাসিনা ভারতে আশ্রয় পেয়েছে, আপনারা কোথায় যাবেন? জুলাইয়ে সঙ্গে বেইমানি করবেন না। জুলাইয়ে সঙ্গে বেইমানি করলে ছাড় দেওয়া হবে না। চট্টগ্রাম আন্দোলন সংগ্রামের শহর। চট্টগ্রাম থেকেই আন্দোলনের সূচনা হবে।

সরকারকে হুশিয়ারি করে বলতে চাই আপনারা জুলাইয়ের আকাঙ্খা বাস্তবায়ন করুন। জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি করবেন না। শত শহীদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করবেন না। ক্ষমতায় গিয়ে রক্তস্নাত জুলাইকে ভুলে যাবেন না। যদি ভুলে যান তাহলে রাজপথ থেকে কঠোন ভাবে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হবে।এলডিপি, সোস্যাল এক্টিভিস্ট, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা এনসিটিতে যোগদান করেন।

বোয়ালখালীতে জামায়াতে ইসলামী’র কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উপজেলা ও পৌরসভা শাখার উদ্যোগে এক কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) সকাল ৯টায় স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে জুমার নামাজ শেষে মেজবানের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বোয়ালখালী উপজেলা শাখার আমীর মুহাম্মদ খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি ইমাম উদ্দিন ইয়াছিনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামী’র আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামী’র আমীর মুহাম্মদ আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা সহকারী সেক্রেটারি মোঃ জাকারিয়া, চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাসপাতালের পরিচালক ও বোয়ালখালী উপজেলা নায়েবে আমীর ডা. আবু নাছের।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চান্দগাঁও জামায়াতের আমীর মোঃ ইসমাইল হোসেন, সেক্রেটারি জসিম উদ্দিন সরকার, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মোঃ ইকবাল, বোয়ালখালী উপজেলা মহিলা জামায়াতের সভাপতি নাহিদ পারভিন, অঞ্চল পরিচালক এলিনা সুলতানা, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাওলানা মফিজুর রহমান, ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা দিদারুল আলম, বোয়ালখালী পৌরসভা ও পোপাদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দসহ অনেকে। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন রেনেসা ও দিগন্ত শিল্পী গোষ্ঠী।

আলোচিত খবর

দীর্ঘ ২১ দিন বন্ধ থাকার পর চালু হলো ইস্টার্ন রিফাইনারি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: দীর্ঘ ২১ দিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে উৎপাদনে ফিরেছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল)। শুক্রবার সকাল ৮ থেকে চট্টগ্রামের এই শোধনাগারটিতে পুনরায় পরিশোধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
ইআরএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শরীফ হাসনাত বলেন, কুতুবদিয়ায় অবস্থানরত ক্রুড অয়েলবাহী জাহাজ থেকে লাইটারিংয়ের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল রিফাইনারিতে পৌঁছানো শুরু হয়েছে। এর পরপরই চালু করা হয় শোধনাগারটি।ইআরএল সূত্র জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর নতুন কোনো ক্রুড অয়েলের চালান দেশে পৌঁছায়নি। ফলে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ১২ এপ্রিল রাতে ইস্টার্ন রিফাইনারির ক্রুড অয়েল ডিস্টিলেশন ইউনিট সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

এর মধ্যে বুধবার দুপুরে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের জাহাজটি কুতুবদিয়া চ্যানেলে এসে পৌঁছায়। যুদ্ধ শুরুর পর এটিই দেশে আসা প্রথম ক্রুড অয়েলের চালান। হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে জাহাজটি বাংলাদেশে আসে। ২৪৯ দশমিক ৯৫ মিটার দীর্ঘ জাহাজটি কর্ণফুলী নদী হয়ে বন্দরের ডলফিন জেটিতে ভিড়তে না পারায় নিয়ম অনুযায়ী ছোট ছোট ট্যাংকারে তেল খালাস করে পতেঙ্গার ইআরএলে নেওয়া হচ্ছে। এ প্রক্রিয়াকে লাইটারিং বলা হয়।এদিকে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ থাকায় ‘নর্ডিকস পলাক্স’ নামের আরেকটি জাহাজে থাকা বিপিসির এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়ে আছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন রিফাইনারি বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধন করে, যা দেশের মোট চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ পূরণ করে। দেশের বাকি জ্বালানি চাহিদার বড় অংশ আমদানিনির্ভর। বর্তমানে দেশে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এছাড়া ফার্নেস অয়েল, পেট্রোল, অকটেন, কেরোসিন ও জেট ফুয়েলেরও উল্লেখযোগ্য চাহিদা রয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) মোট ৬৮ লাখ ৩৫ হাজার ৩৪১ টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ