আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ সমুন্নত রাখতে রাজনৈতিক দলগুলোকে মানসিকভাবে গণতান্ত্রিক হতে হবে

প্রেস রিলিজ

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন গ্লোবাল বাংলাদেশ’র সেক্রেটারী জেনারেল সৈয়দ মোস্তফা আলম এর বিবৃতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

বিশ্বের সর্বোচ্চ মানবাধিকার সংগঠন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন গ্লোবাল এর বাংলাদেশের সেক্রেটারী জেনারেল সৈয়দ মোস্তফা আলম বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভ করলেও কালের বিবর্তনে এবং ভিন দেশের প্রভাবমুক্ত হতে পারেনি এদেশ। যার কারণে স্বাধীনতার পরপরই ১৯৭৫ সালে প্রথম পট পরিবর্তন হয়েছে। ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর দিনটি ছিল একটি ঐতিহাসিক দিন। এর পর থেকেই বাংলাদেশ প্রকৃতপক্ষে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সুচনা হয়েছিল এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথ হাঁটা শুরু।

১৯৮২ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে স্বৈরতন্ত্রের বীজ বপন হয়েছিল। ১৯৯১ সাল থেকে সংসদীয় গণতন্ত্রের সুচনা হয়েছিল। কিন্তু ২০০৮ সাল হতে ২০২৪’র ৫ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, মানবাধিকার, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিনষ্ট হয়েছিল। ২০২৪’র জুলাই বিপ্লব আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের জনগণ স্বস্তি পেলেও বিগত এক বছরে অস্বস্থির জায়গা তৈরি হয়েছে। জুলাই আন্দোলনের শরিক দলগুলোর মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টিতে বিভিন্ন দেশের এজেন্সিগুলো সক্রিয় রয়েছে। এই এজেন্সিগুলো বাংলাদেশকে সবসময় তাদের স্বার্থে অস্থিতিশীল করে রাখবে। বাংলাদেশের বর্তমান সময়ের গণতান্ত্রিকদলগুলোকে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

বিগত সাড়ে ১৫ বছর যারা নির্যাতিত হয়েছে, তাদের মূল দাবি ছিল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচন এবং মানবাধিকার রক্ষা। সে দাবিগুলোকে প্রাধান্য দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নিজস্ব এজেন্টা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের সাধারণ জনগণের কাছে গিয়ে দলীয় আস্তা অর্জন করা জরুরী। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় তা না করে নতুন নতুন কিছু দাবি উপস্থাপন করে অন্তবর্তীকালীন সরকারকে চাপে রাখার কৌশল অবলম্বন করছে। যা এ গণতান্ত্রিক মজলুম জাতি আশা করে না। “পি.আর পদ্ধতিতে যারা নির্বাচন দাবি করছে তারা প্রকৃতপক্ষে পতিত সরকারকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে পুনঃবাসনের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবে।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণতান্ত্রিক সবদল/জোটগুলোকে গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রাণবস্ত সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে জনগণের কাছাকাছি গিয়ে তাদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে ইশতিহার প্রণয়নের আহ্বায়ন জানান। প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ সমুন্নত রাখতে রাজনৈতিক দলগুলোকে মানসিকভাবে গণতান্ত্রিক হতে হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ