আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে ভোটার বেড়েছে সাড়ে তিন লাখ, কমছে ৬৪টি ভোটকেন্দ্র ।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

৮৬টি ভোটকেন্দ্র নিয়ে আপত্তি নিস্পত্তিতে শুনানি ৯ অক্টোবর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রামের ১৬ আসনে ভোটার বাড়লেও বাড়েনি ভোট কেন্দ্র। উল্টো ৬৪টি ভোটকেন্দ্র ও ১০৭৬টি ভোটকক্ষ কমছে। ভোটার বাড়লেও সেই তুলনায় ভোটকেন্দ্র ও ভোটকক্ষ বাড়েনি। বরং কমেছে। এদিকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৮৬টি ভোটকেন্দ্র নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন রাজনৈতিক নেতারা। আপত্তি নিষ্পত্তিতে শুনানির তারিখও নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬ আসনে ভোটার সংখ্যা ছিল ৬৩ লাখ ১৪ হাজার ৩৯৩ জন। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের খসড়া তালিকায় ভোটার সংখ্যা ৬৬ লাখ ৬৮ হাজার ৫১৭ জন। দুই বছরের কাছাকাছি সময়ে ভোটার সংখ্যা বাড়ছে তিন লাখ ৫৪ হাজারের বেশি।

এর আগে ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ)। এর পরবর্তী সময়ে তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে। ২০১৪ সালে দশম, ২০১৮ সালে একাদশ ও সর্বশেষ ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে নানা বিতর্ক রয়েছে। কোনটি একতরফা,

দিনের ভোট রাতে ও সর্বশেষ আমি আর ডামি নির্বাচন হিসেবে পরিচিতি পায়। দেশ-বিদেশে এসব নির্বাচন নিয়ে সমালোচনা রয়েছে।এদিকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয় আওয়ামী লীগ সরকার। বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার নির্বাচনব্যবস্থায় সংস্কার ও বাংলাদেশের ইতিহাসে মডেল নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছে।

২০০৮ সালের নির্বাচনের পর তিনটি নির্বাচন ছিল আওয়ামী লীগ নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন। এসব নির্বাচনে দলীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ছাড়া সাধারণ ভোটাররা ভোট দিতে পারেননি। এক পর্যায়ে সাধারণ মানুষ ভোটবিমুখ হয়ে পড়েন। আগামী নির্বাচনে সাধারণ মানুষ ও ভোটারদের মধ্যে ভোটপ্রদানের আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

অন্যদিকে ভোটকেন্দ্র কমানোর বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মো. বশির আহমদ বলেন, গত সরকার আমলে দলীয় প্রার্থীদের চাপে-মতামতের ভিত্তিতে কিছু ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এমনকি তাদের বাড়ির আশপাশেও ভোটকেন্দ্র বসানো হয়েছে। আমরা সরেজমিন তদন্ত করে দেখেছি, এসব ভোটকেন্দ্র রাখার প্রয়োজন নেই। তাই এসব অবাঞ্চিত কেন্দ্র বাদ দিয়ে খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছি।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নতুন ভোটারের মধ্যে তিন লাখের বেশি তরুণ ভোটার। আগামী নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ভোট দিতে যাচ্ছেন এসব ভোটাররা।

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনও আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছেন। ইতিমধ্যেই ভোটার তালিকা, ভোটকেন্দ্র ও ভোটকক্ষের খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছেন।

চট্টগ্রাম জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মো. বশির আহমদ বলেন, ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। খসড়া তালিকার কয়েকটিতে আপত্তি পড়েছে। ৯ অক্টোবর আপত্তি-শুনানি শেষে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।

জানা গেছে, আগামী নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র ও ভোটকক্ষের খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন তালিকায় ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৯৫৯টি। ভোটকক্ষের সংখ্যা ১২ হাজার ৬৫৬টি। গত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়ে ভোটকেন্দ্র ৬৪টি ও ভোটকক্ষ ১০৭৬টি কম।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বশির আহমদ আরো বলেন, নতুন নীতিমালায় ৬০০ জন পুরুষ ভোটারের জন্য একটি ও ৫০০ জন মহিলা ভোটারের জন্য একটি ভোটকক্ষ স্থাপন করতে হবে। সেই অনুযায়ী ভোটকক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে,।

জানা গেছে,মোট কেন্দ্রের মধ্যে ৮৬টি ভোটকেন্দ্র নিয়ে আপত্তি তুলেছেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম জেলার সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা বরাবরে আপত্তি দাখিল করেছেন। চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনের মধ্যে চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসন এবং চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া-সাতাকনিয়া আংশিক) নিয়ে কোনো আপত্তি না আসলেও অন্যান্য আসনগুলো নিয়ে আপত্তি আসে।

সূত্র জানায়, সবচেয়ে বেশি আপত্তি জমা পড়েছে চট্টগ্রাম-১২(পটিয়া) আসনে ১৮টি। এরপর চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-হালিশহর-পাহাড়তলী-খুলশী) আসনের আপত্তি জমা পড়েছে ১০টি। চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী ও চান্দগাঁও) আসনের আপত্তি জমা পড়েছে ১০টি। চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি), চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও চসিকের ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ড) এবং চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনের আপত্তি জমা পড়েছে ১টি করে। আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে ২০ অক্টোবর চট্টগ্রামের ১৬ সংসদীয় আসনের চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব র‍্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত র‍্যাফেল ড্র–এর বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, পাঠাগার সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আব্দুল্লাহ, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী ও আরিচ আহমেদ শাহসহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বিজয়ী মোট ৩০ জন সদস্যের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় করেছে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সদস্যগণ পেশাগত জীবনে র‍্যাফেল ড্র’তে পুরস্কারপ্রাপ্তি এবং অপ্রাপ্তি নিয়ে তাদের স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়।

সিভাসু’তে ‘দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে শীর্ষক ১০ দিনের প্রশিক্ষণ ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) ‘দ্গ্ধুজাত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক দশ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আজ মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। সিভাসু’র পোল্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিআরটিসি) এবং ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এবং সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্পের অর্থায়নে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় পিআরটিসি’র বোর্ড মিটিং কক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও নিবন্ধক মো. ইসমাইল হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, ঢাকার যুগ্ম সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সুব্রত কুমার সিকদার। এছাড়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ এবং বাংলাদেশ ডেইরি অ্যান্ড ফ্যাটেনিং ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সিভাসু’র সিন্ডিকেট সদস্য মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন। সভাপতিত্ব করেন পিআরটিসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

দশ দিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে দুধ থেকে দই, মিষ্টি, মাখন, ঘি, পনির, ছানা, লাবাং, বোরহানি, মাঠা ইত্যাদি তৈরির বিষয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সিভাসু’র ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রফেসর ড. মো: সাইফুল বারী ও ডা. উম্মে সালমা আমিন,

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ, সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন, জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, চট্টগ্রামের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ ওমর ফারুক, বিএসটিআই চট্টগ্রামের ফিল্ড অফিসার (সার্টিফিকেশন মার্কস উইং) প্রকৌ. মো: মাহফুজুর রহমান এবং ট্রেড গ্লোবাল লিমিটেড, ঢাকার সিনিয়র সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার মো: শরিফ হোসেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ব্রাহ্মনবাড়িয়া, কুতুবদিয়া ও চকরিয়া অঞ্চলের দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ প্রকল্পের ২৫ জন সমবায় সমিতির সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ