আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

রেল কর্মকর্তা মোজাম্মেল হকের মর্মান্তিক মৃত্যু — উদ্ধারকাজ শেষে ফেরার পথে দুর্ঘটনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

দূর্ঘটনার রেশ কাটতে নাকাটতে আবার দূর্ঘটনা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চল প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হক, এসএসএই (পথ), সিলেট, মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, গতকাল ৭ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে সিলেটের মোগলাবাজার রেলওয়ে স্টেশনে সংঘটিত আপ উদয়ন এক্সপ্রেস (ট্রেন নং ৭২৩) দুর্ঘটনার পর উদ্ধার কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক। উদ্ধার কাজ সম্পন্ন করে তিনি বুধবার সকালে নিজ কর্মস্থল কুলাউড়া ফেরার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হন।

দুর্ঘটনাটি ঘটে আজ বুধবার সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

রেলওয়ের শোক ও সমবেদনা প্রকাশ

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানায়, মোজাম্মেল হকের অকাল মৃত্যুতে রেলপথ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ রেলওয়ের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী গভীরভাবে শোকাহত।

শোকবার্তায় বলা হয়—“মোঃ মোজাম্মেল হক ছিলেন দায়িত্বশীল, কর্মনিষ্ঠ ও সহকর্মীদের প্রিয় একজন কর্মকর্তা। দেশের রেল খাতে তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।’

সহকর্মীরা জানান, উদয়ন এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজে তিনি প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেন। দায়িত্ব শেষ করে ফেরার পথে তাঁর এই অকাল মৃত্যু সহকর্মীদের জন্য এক গভীর শোকের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রেলওয়ের প্রধান প্রকৌশলী (পূর্ব) মোঃ তানভিরুল ইসলাম বলেন, “তিনি সবসময় মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনে অগ্রণী ছিলেন। তাঁর মৃত্যু শুধু পরিবার নয়, রেলওয়ে পরিবারের জন্যও এক অপূরণীয় ক্ষতি।”

পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মরহুমের মরদেহ নিজ গ্রামের বাড়ি শরিষাবাড়ী, জামালপুরে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন করা হবে।

রেলপথ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ রেলওয়ের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা ও পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে পাকিস্তানকে ১১ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে পাকিস্তানকে ১১ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ইতিহাসও গড়েছে টাইগাররা। ২০১৫ সালে মাশরাফি বিন মর্তুজার পর নিজেদের ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। এই সিরিজ জয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টপকে আইসিসি ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ের ৯ নম্বরেও উঠে এসেছে বাংলাদেশ দল।

মিরপুরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৯০ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।   জবাবে ২৯১ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই  ধাক্কা৷ খায়  পাকিস্তান।

সালমানের ব্যাটে যখন পাকিস্তান জয়ের স্বপ্ন দেখছিল, ঠিক তখনই  তাসকিন আহমেদের  দুর্দান্ত এক স্লোয়ার ডেলিভারিতে পরাস্ত হয়ে সালমান সাজঘরে ফিরেন।পাকিস্তান শেষ হয়ে যায়।শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৭৯ রানে পাকিস্তান অলআউট হয়ে যায়।

 

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ