আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

বোয়ালখালীতে বসতঘরে বিষধর ১১টি সাপ উদ্ধার

এস মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বোয়ালখালীতে এক বসতঘরের পাকা মেঝের নিচে মিলেছে সাপের ২৭টি ডিমের খোসা। গত এক সপ্তাহে এ ঘর থেকে একের পর এক পাওয়া গেছে ১১টি পদ্মগোখরোর বাচ্চা। উপজেলার পশ্চিম গোমদণ্ডী ইউনিয়নের ৯ নাম্বার ওয়ার্ডের হাফেজ আহমেদের বাড়িতে এ সাপের উপদ্রব দেখা দিয়েছে।

পরিবারের সদস্য শওকত হোসাইন বলেন, গত এক সপ্তাহে অন্তত ১১টি পদ্মগোখরো সাপের ছানা পাওয়া গেছে ঘরে।
এনিয়ে ওঝা বৈদ্য কোনো কিছুই বাদ রাখিনি। তারা মাটি পড়া, বালি পড়া অনেক কিছুই দিয়েছে। শেষতক ঘরের পাকা মেঝে ভেঙেছে। মেঝের নিচ থেকে ২৭টি ডিমের খোসা মিলেছে। এনিয়ে আতঙ্কে রয়েছি।

ওয়াইল্ড লাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিমের সদস্য আমির হোসাইন শাওন বলেন, বড় সাপ সাধারণত ডিম দিয়ে চলে যায়। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ৫০-৭০ দিনের মধ্যে বাচ্চা ফুটে নিজ থেকে বের হয়ে যায়। ওঝা বৈদ্যের বালি পড়া মাটি পড়া ও সাপের হাড় মানসিক প্রশান্তি দিলেও এসব মূলত কাজ করে না। গত সোমবার (৬ অক্টোবর) বাড়িটিতে গিয়ে বড় একটা সাপের খোলস পেয়েছি। মেঝের নিচে ফাঁপা জায়গা রয়েছে। ফলে সাপটিকে রেসকিউ করা সম্ভব হয়নি।

আজ বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকালে খবর পেয়ে উপজেলার চরণদ্বীপ ইউনিয়নের ১ নাম্বার ওয়ার্ডের শেখ পাড়া জফুর মেম্বার বাড়ির হাঁস-মুরগির ঘর থেকে একটি পদ্মগোখরো সাপ উদ্ধার করেন আমির হোসাইন শাওন।শাওন জানান, বসতঘরের সাথে লাগোয়া ছিলো হাঁস-মুরগির ঘর। সেখানে ৩টি হাঁস ছিলো। সাপটি হাঁসের দুটো ডিম খেয়ে ফেলেছে এবং একটি হাঁস মেরে ফেলেছে। সাপটির বয়স প্রায় ৭-৮ বছর হবে। প্রায় ৬ ফুট লম্বা সাপটি উদ্ধার করে জঙ্গলে অবমুক্ত করা হয়েছে। মানুষের আগ্রাসনের ফলে নিরাপদ বাসস্থান হারাচ্ছে সাপ। ফলে যত্রতত্র দেখা মিলছে সাপের।

শাওনের দাবি, এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এক শ্রেণির অসাধু ভণ্ডরা মানুষকে মাটি পড়া, বালি পড়া ও সাপের হাড় দিয়ে বোকা বানিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

ঈদের আনন্দ অসহায় মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে দিতে হবে: মেয়র শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রামের নগরবাসী, বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী, পেশাজীবী এবং দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীসহ সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাস ধৈর্য, সংযম, ত্যাগ এবং সহমর্মিতার এক অনন্য শিক্ষা দেয়। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর মাঝে বয়ে আনে আনন্দ ও প্রশান্তি। ঈদের মূল শিক্ষা হলো সব ভেদাভেদ ভুলে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া।তিনি আরও বলেন, ঈদের আনন্দ শুধু ব্যক্তিগতভাবে উদযাপন না করে সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি সাম্প্রতিক ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণের বিপুল সমর্থনের কথা উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও জনগণ পাশে থাকবে—এটাই প্রত্যাশা।

তিনি হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঈদের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ